📌 জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনে ২৪ সেপ্টেম্বর ভাষণ দিতে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। জিয়া পরিবারের তৃতীয় সদস্য হিসেবে তিনি প্রথমবারের মতো এই মঞ্চে উপস্থিত হবেন। ভাষণে জলবায়ু পরিবর্তন, দারিদ্র্য বিমোচন ও রোহিঙ্গা সংকটের উপর বিশেষ জোর দেওয়া হবে
জাতিসংঘের প্রধান মঞ্চে জিয়া পরিবারের নতুন অধ্যায়ের সূচনা হচ্ছে। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ২৪ সেপ্টেম্বর নিউইয়র্কের জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনে ভাষণ দেবেন। তিনি জিয়া পরিবারের তৃতীয় সদস্য হিসেবে প্রথমবারের মতো এই আন্তর্জাতিক মঞ্চে উপস্থিত হবেন। এই ভাষণে জলবায়ু পরিবর্তন, দারিদ্র্য বিমোচন এবং রোহিঙ্গা সংকটের মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলিকে কেন্দ্রীয় করে আলোচনা করা হবে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ২৪ সেপ্টেম্বর জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনে ভাষণ দেবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
- 📌 জিয়া পরিবারের তৃতীয় সদস্য হিসেবে তিনি প্রথমবারের মতো এই মঞ্চে ভাষণ দিচ্ছেন।
- 📌 ভাষণে জলবায়ু পরিবর্তন, দারিদ্র্য বিমোচন, অর্থনৈতিক সম্ভাবনা ও রোহিঙ্গা সংকটের উপর বিশেষ জোর দেওয়া হবে।
- 📌 ২১ সেপ্টেম্বর ঢাকা থেকে নিউইয়র্কের উদ্দেশে রওনা হন প্রধানমন্ত্রী।
- 📌 ২০২৬ সালের ২৬ আগস্ট শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান প্রথমবারের মতো জাতিসংঘে ভাষণ দেন।
- 📌 ১৯৯৩ সালের ১ অক্টোবর বেগম খালেদা জিয়া প্রথমবারের মতো জাতিসংঘে ভাষণ দেন।
- 📌 ৫ বার (১৯৯৩-২০০৫) ভাষণ দেন বেগম খালেদা জিয়া।
- 📌 ৮১তম অধিবেশনে বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।
📰 বিস্তারিত
জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ভাষণ জিয়া পরিবারের ইতিহাসে একটি মাইলফলক। ১৯৮০ সালের ২৬ আগস্ট শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান প্রথমবারের মতো এই মঞ্চে ভাষণ দেন। এরপর ১৯৯৩ সালের ১ অক্টোবর বেগম খালেদা জিয়া প্রথমবারের মতো ভাষণ দেন। তারেক রহমানের ভাষণে জলবায়ু পরিবর্তন, দারিদ্র্য বিমোচন, অর্থনৈতিক সম্ভাবনা এবং জলবায়ু অর্থায়নের বিষয়গুলো গুরুত্বপূর্ণ স্থান পাবে।
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম জানিয়েছেন, প্রধানমন্ত্রী ২১ সেপ্টেম্বর ঢাকা থেকে নিউইয়র্কের উদ্দেশে রওনা হবেন। তিনি বলেন, ভাষণে জলবায়ু পরিবর্তনের ইস্যুটি বিশেষ গুরুত্ব পাবে। বাংলাদেশের নতুন দৃষ্টিভঙ্গি ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা তুলে ধরতে যাচ্ছেন তিনি।
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির বলেন, প্রধানমন্ত্রী বিশ্বনেতাদের সামনে বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক রূপান্তর, ভবিষ্যৎ উন্নয়ন অগ্রাধিকার এবং বৈশ্বিক শান্তির বিষয়গুলো তুলে ধরবেন। রোহিঙ্গা সংকটকে প্রধান অগ্রাধিকার হিসেবে বিবেচনা করা হয়েছে এই ভাষণে।
"জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনে প্রধানমন্ত্রীর ভাষণে জলবায়ু পরিবর্তনের ইস্যুটি বিশেষ গুরুত্ব পাবে। বাংলাদেশের নতুন দৃষ্টিভঙ্গি ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা তুলে ধরতে যাচ্ছেন তিনি।"
জাতিসংঘের নথি অনুযায়ী, ১৯৯৩ থেকে ২০০৫ সাল পর্যন্ত মোট পাঁচবার সাধারণ পরিষদের কার্যক্রমে বক্তব্য দেন বেগম খালেদা জিয়া। এই ভাষণে জিয়া পরিবারের চার দশকেরও বেশি সময়ের সম্পর্কের নতুন অধ্যায়ের সূচনা হবে।
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: নিউইয়র্ক (জাতিসংঘ সদর), ঢাকা (উড্ডয়ন)
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, বেগম খালেদা জিয়া, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান, পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২৪ সেপ্টেম্বর (ভাষণ তারিখ), ৮১তম অধিবেশন, ২৬ আগস্ট (১৯৮০), ১ অক্টোবর (১৯৯৩), ৫ বার (বেগম খালেদা জিয়ার ভাষণ)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!