📌 ইন্দোনেশিয়ার নৌবাহিনী প্রথমবারের মতো একটি যুদ্ধজাহাজ গ্রহণ করেছে। ৪১ বছর পুরনো ইতালীয় নৌবাহিনীর জাহাজটি 'কেআরআই শ্রীউজয়া' নামে পুনঃনামকরণ করা হয়েছে এবং দেশের দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও সামরিক ক্ষমতা বৃদ্ধিতে ব্যবহৃত হবে।
ইন্দোনেশিয়া শনিবার (১৮ সেপ্টেম্বর) তার প্রথম যুদ্ধজাহাজ গ্রহণ করেছে। এই ঐতিহাসিক ঘটনাটি দেশটির সামরিক শক্তি বৃদ্ধির অংশ হিসেবে অনুষ্ঠিত হয়েছে। ৪১ বছর পুরনো ইতালীয় নৌবাহিনীর জাহাজ 'জিউসেপ্পে গারিবাল্ডি' উত্তর জাকার্তার টানজুং প্রিওক বন্দরে পৌঁছেছে। ইন্দোনেশিয়ার নৌবাহিনীর প্রধান কর্মকর্তা মুহাম্মদ আলি জানিয়েছেন, জাহাজটি ইতালি থেকে কোলম্বো এবং মালাক্কা প্রণালী হয়ে ইন্দোনেশিয়া পৌঁছেছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ইন্দোনেশিয়া প্রথমবারের মতো একটি যুদ্ধজাহাজ গ্রহণ করেছে, যা ইতালীয় নৌবাহিনীর ৪১ বছর পুরনো জাহাজ 'জিউসেপ্পে গারিবাল্ডি'।
- 📌 জাহাজটির নামকরণ করা হয়েছে 'কেআরআই শ্রীউজয়া' — শ্রীউজয়া সাম্রাজ্যের সম্মানে, যা ৭ম থেকে ১৩শ শতাব্দী পর্যন্ত দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার প্রভাবশালী নৌবাহিনী ছিল।
- 📌 ১৮০ মিটার দীর্ঘ এই জাহাজে ১৮টি হেলিকপ্টার বহন করতে পারে এবং সর্বোচ্চ ৮৩০ জন কর্মীকে আশ্রয় দিতে পারে।
- 📌 ইন্দোনেশিয়ার রাষ্ট্রপতি প্রাবোও সুবিয়ান্তো বলেছেন, জাহাজটি দুর্যোগ ব্যবস্থাপনায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।
- 📌 নৌবাহিনীর প্রধান মুহাম্মদ আলি জানিয়েছেন, জাহাজটি দুর্যোগের সময় দ্রুত লজিস্টিক সরবরাহের জন্য হেলিকপ্টার ব্যবহার করা যাবে এবং প্রয়োজনে যুদ্ধ অভিযানে ব্যবহার করা যেতে পারে।
- 📌 ইতালি ২০১৪ সালে এই জাহাজটি অবসর গ্রহণ করে এবং ইন্দোনেশিয়াকে উপহার দিয়েছে, যা দু’দেশের সামরিক সহযোগিতাকে মজবুত করেছে।
- 📌 ইন্দোনেশিয়ার অর্থ মন্ত্রণালয় ২০২৫ সালে এই প্রকল্পের জন্য ৪৫০ মিলিয়ন ডলার অনুমোদন করেছে।
- 📌 ইন্দোনেশিয়া সামরিক শক্তি বৃদ্ধির অংশ হিসেবে ফ্রান্স থেকে ৪২টি রাফেল যুদ্ধবিমান এবং ভারত থেকে দূরপাল্লার মিসাইল ক্রয় করেছে।
📰 বিস্তারিত
ইন্দোনেশিয়ার নৌবাহিনী ১৮ সেপ্টেম্বর শনিবার টানজুং প্রিওক বন্দরে একটি ঐতিহাসিক সামরিক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে প্রথম যুদ্ধজাহাজ গ্রহণ করেছে। এই জাহাজটি ইতালীয় নৌবাহিনীর ৪১ বছর পুরনো জাহাজ 'জিউসেপ্পে গারিবাল্ডি'। ইন্দোনেশিয়ার রাষ্ট্রপতি প্রাবোও সুবিয়ান্তো জানিয়েছেন, এই জাহাজটি দেশের দুর্যোগ ব্যবস্থাপনায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।
নৌবাহিনীর প্রধান কর্মকর্তা মুহাম্মদ আলি বলেছেন, ইন্দোনেশিয়া একটি বিশাল দ্বীপপুঞ্জ, যেখানে প্রায়ই দুর্যোগ হয়। এই জাহাজের মাধ্যমে দুর্যোগের সময় দ্রুত লজিস্টিক সরবরাহ করা সম্ভব হবে। তিনি আরও বলেছেন, জাহাজটি দুর্যোগের সময় হেলিকপ্টার ব্যবহার করে দ্রুত সাহায্য পৌঁছে দিতে পারে।
১৮০ মিটার দীর্ঘ এই জাহাজে সর্বোচ্চ ৮৩০ জন কর্মী থাকতে পারে এবং ১৮টি হেলিকপ্টার বহন করতে পারে। জাহাজটির নামকরণ করা হয়েছে 'কেআরআই শ্রীউজয়া' — শ্রীউজয়া সাম্রাজ্যের সম্মানে, যা ৭ম থেকে ১৩শ শতাব্দী পর্যন্ত দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার প্রভাবশালী নৌবাহিনী ছিল।
ইতালি ২০১৪ সালে এই জাহাজটি অবসর গ্রহণ করে এবং ইন্দোনেশিয়াকে উপহার দিয়েছে। এই পদক্ষেপটি দু’দেশের সামরিক সহযোগিতাকে মজবুত করেছে। ইন্দোনেশিয়ার অর্থ মন্ত্রণালয় ২০২৫ সালে এই প্রকল্পের জন্য ৪৫০ মিলিয়ন ডলার অনুমোদন করেছে।
"দেশে অনেক দুর্যোগ হয়। তাই আমাদের একটি জাহাজ বা প্লাটফর্মের প্রয়োজন, যা অনেক হেলিকপ্টার বহন করতে পারে। কারণ হেলিকপ্টার দ্রুত লজিস্টিক সরবরাহ করতে পারে দূরবর্তী এলাকায়।"
"প্রয়োজনে যুদ্ধ অভিযানে এই জাহাজটি ব্যবহার করা যেতে পারে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: টানজুং প্রিওক বন্দর, উত্তর জাকার্তা, ইন্দোনেশিয়া
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: রাষ্ট্রপতি প্রাবোও সুবিয়ান্তো, নৌবাহিনীর প্রধান মুহাম্মদ আলি
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৪১ বছর (জাহাজের বয়স), ১৮০ মিটার (জাহাজের দৈর্ঘ্য), ৮৩০ জন (সর্বোচ্চ কর্মী), ১৮টি (হেলিকপ্টার), ৪৫০ মিলিয়ন ডলার (অনুমোদিত অর্থ)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!