📌 ইসরায়েলের নির্বাচনের আগে পশ্চিমা দেশগুলোর নিষেধাজ্ঞা ও জরিমানা ইসরায়েলিদের মনোভাবকে প্রভাবিত করছে না। ইসরায়েলি নেতারা নিষেধাজ্ঞাকে 'অপমানজনক মিথ্যা' বলে প্রত্যাখ্যান করলেও, জনগণ আত্মরক্ষামূলক নীতির প্রতি সমর্থন বজায় রেখেছে।
পশ্চিমা দেশগুলোর নিষেধাজ্ঞা ও জরিমানা সত্ত্বেও ইসরায়েলের জনগণ তাদের সরকারের পশ্চিম তীরে অবৈধ বসতিগুলোর প্রতি সমর্থন বজায় রেখেছে। ইসরায়েলের নির্বাচনের আগে এই নিষেধাজ্ঞাগুলো ভোটারদের মনোভাবকে প্রভাবিত করতে ব্যর্থ হয়েছে, যা রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের কাছে একটি উল্লেখযোগ্য ঘটনা হিসেবে দেখা যাচ্ছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 **ইসরায়েলি নেতারা পশ্চিমা নিষেধাজ্ঞাকে "অপমানজনক মিথ্যা" ও "দেশের গণতান্ত্রিক নির্বাচনে হস্তক্ষেপ" বলে প্রত্যাখ্যান করলেও, জনগণ তাদের সমর্থন বজায় রেখেছে।
- 📌 **ইসরায়েলের ৫২% জনগণ পশ্চিম তীরের অবৈধ বসতিগুলোকে ভবিষ্যতের কোনো চুক্তিতে রাখার পক্ষে, আর ৪০% বসতিগুলোকে আন্তর্জাতিক আইনের বিরুদ্ধে সংরক্ষণ করার পক্ষে।
- 📌 **ইসরায়েলি বিশ্লেষক ওরি গোল্ডবার্গ বলেছেন, "ইসরায়েলিরা সত্যিকারের বিষয়গুলোর চেয়ে বরং অনুভূতির দিকে বেশি মনোযোগ দিচ্ছেন।"
- 📌 **নিষেধাজ্ঞাগুলো ইসরায়েলের নির্বাচনী মনোভাবকে প্রভাবিত করবে না, কারণ ভোটাররা নেটানিয়াহুর সরকারের নীতির প্রতি বেশি সংবেদনশীল।
- 📌 **ইসরায়েলি সমাজবিজ্ঞানী ইয়েহুদা শেনহাভ-শাহরাবানি বলেছেন, "বাইরের নিষেধাজ্ঞা দেশীয় রাজনীতিতে প্রভাব ফেলে না, বরং তা ইসরায়েলের 'বিরোধী সেমিটিজম' নারায়ণে শোষিত হয়।"
📰 বিস্তারিত
ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনজামিন নেটানিয়াহু নির্বাচনের আগে পশ্চিমা দেশগুলোর নিষেধাজ্ঞা ও জরিমানার মুখোমুখি হলেও, তার সরকারের পশ্চিম তীরে অবৈধ বসতিগুলোর প্রতি জনগণের সমর্থন কমেনি। যুক্তরাজ্য, ফ্রান্স ও কানাডার মতো দেশগুলি ইসরায়েলের অবৈধ বসতিগুলোকে নিষিদ্ধ ঘোষণা করলে, ইসরায়েলের নেতারা তাদের প্রতিক্রিয়া জানিয়ে বলেছেন, "এই নিষেধাজ্ঞাগুলো দেশের গণতান্ত্রিক নির্বাচনে হস্তক্ষেপের চেষ্টা।"
ইসরায়েলের বিদেশমন্ত্রী গিদিয়ন সার যুক্তরাজ্যের বিদেশমন্ত্রী এড মিলিব্যান্ডের বক্তব্য প্রত্যাখ্যান করে বলেছেন, "এড মিলিব্যান্ডের বক্তব্যগুলো অপমানজনক মিথ্যা।" তিনি আরও বলেছেন, "আমরা বাইরের চাপের মাধ্যমে আমাদের নির্বাচনে হস্তক্ষেপ করতে দেব না।" ইসরায়েলের রাষ্ট্রপতি ইসাক হার্জোগও নিষেধাজ্ঞাগুলোকে "গণতান্ত্রিক নির্বাচনে হস্তক্ষেপ" বলে আখ্যায়িত করেছেন।
এই নিষেধাজ্ঞাগুলো ইসরায়েলের জনগণের মনোভাবকে প্রভাবিত করছে না। আগস্ট মাসে প্রকাশিত একটি জরিপে দেখা গেছে, ইসরায়েলের ৫২% জনগণ পশ্চিম তীরের অবৈধ বসতিগুলোকে ভবিষ্যতের কোনো চুক্তিতে রাখার পক্ষে, আর ৪০% বসতিগুলোকে আন্তর্জাতিক আইনের বিরুদ্ধে সংরক্ষণ করার পক্ষে। বিশ্লেষক ওরি গোল্ডবার্গ বলেছেন, "ইসরায়েলিরা বসতিগুলোকে অবৈধ বলে মনে করলেও, তারা বাইরের চাপের প্রতি বেশি মনোযোগ দিচ্ছেন।"
ইসরায়েলি রাজনীতিবিদ ও বিশ্লেষক মাইকেল কোপলো বলেছেন, "নিষেধাজ্ঞাগুলো ইসরায়েলের নির্বাচনী মনোভাবকে প্রভাবিত করবে না। ভোটাররা নেটানিয়াহুর সরকারের নীতির প্রতি বেশি সংবেদনশীল।" তিনি আরও বলেছেন, "ভোটারদের কাছে নিরাপত্তা সর্বোচ্চ গুরুত্বের বিষয়।"
ইসরায়েলি সমাজবিজ্ঞানী ইয়েহুদা শেনহাভ-শাহরাবানি বলেছেন, "বাইরের নিষেধাজ্ঞা দেশীয় রাজনীতিতে প্রভাব ফেলে না। বরং তা ইসরায়েলের 'বিরোধী সেমিটিজম' নারায়ণে শোষিত হয়।" তিনি আরও বলেছেন, "ইসরায়েলের জনগণ বাইরের চাপের প্রতি বেশি মনোযোগ দিচ্ছেন না, বরং তারা তাদের নিজস্ব রাজনৈতিক নীতির প্রতি বেশি সংবেদনশীল।"
"People just don’t care that settlements are illegal"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ইসরায়েল, পশ্চিম তীর (ওশুতযা ও শোমরন)
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: বেনজামিন নেটানিয়াহু, গিদিয়ন সার, এড মিলিব্যান্ড, ওরি গোল্ডবার্গ, মাইকেল কোপলো, ইয়েহুদা শেনহাভ-শাহরাবানি
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৫২% (বসতিগুলো রাখার পক্ষে), ৪০% (বসতিগুলো সংরক্ষণ করার পক্ষে), ৭৬ (পশ্চিম তীরে এই বছরের নিহত ফিলিস্তিনি)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!