📌 হুথি বিদ্রোহীরা যেনের টাইজ গভর্নরেটে আক্রমণ চালিয়ে ১ লাখেরও বেশি মানুষকে বাস্তুচ্যুত করেছে। শরণার্থী শিবিরগুলো ভরাট হয়ে গেছে। ৭০ বছর বয়সী হাজ্জা ফাতিমা মোহাম্মদ সেলেহের মতো অসংখ্য মানুষ তাদের সম্পত্তি ছেড়ে পালাতে বাধ্য হয়েছেন। হুথিরা রেড সী কোস্টের বন্দর শহর মোচা দখল করে নেয়ার পর টাইজ শহর তাদের পরবর্তী লক্ষ্য হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে
হুথি বিদ্রোহীরা যেনের টাইজ গভর্নরেটে আক্রমণ চালিয়ে ১ লাখেরও বেশি মানুষকে বাস্তুচ্যুত করেছে। শরণার্থী শিবিরগুলো ভরাট হয়ে গেছে। ৭০ বছর বয়সী হাজ্জা ফাতিমা মোহাম্মদ সেলেহের মতো অসংখ্য মানুষ তাদের সম্পত্তি ছেড়ে পালাতে বাধ্য হয়েছেন। হুথিরা রেড সী কোস্টের বন্দর শহর মোচা দখল করে নেয়ার পর টাইজ শহর তাদের পরবর্তী লক্ষ্য হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ১ লাখেরও বেশি মানুষ বাস্তুচ্যুত — হুথি আক্রমণে টাইজ গভর্নরেটের ৫টি জেলায় ৬৫,৮৪৫ জন বাস্তুচ্যুত, যার মধ্যে ৯৫% মানুষ ১০০,০০০ জনেরও বেশি।
- 📌 ৭০ বছর বয়সী হাজ্জা ফাতিমা মোহাম্মদ সেলেহের মতো অসংখ্য মানুষের জীবন বিপন্ন — হুথি আক্রমণে তাদের গ্রামে গোলাবর্ষণ ও গুলিবর্ষণ চলছিল।
- 📌 হুথিরা রেড সী কোস্টের বন্দর শহর মোচা দখল করে — এতে বাব আল-মন্দেব স্ট্রেইটের উপর হুথিরা নিয়ন্ত্রণ বৃদ্ধি পেয়েছে, যা বিশ্বব্যাপী বাণিজ্য পথকে প্রভাবিত করছে।
- 📌 হুথিরা ইরানের সমর্থিত বিদ্রোহী দল — তারা যেনের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চল, সানা শহরসহ বেশিরভাগ এলাকা দখল করেছে।
- 📌 হুথিরা ইরানের সমর্থিত বিদ্রোহী দল — তারা যেনের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চল, সানা শহরসহ বেশিরভাগ এলাকা দখল করেছে।
📰 বিস্তারিত
হাজ্জা ফাতিমা মোহাম্মদ সেলেহ, যিনি ৭০ বছর বয়সী, তার গ্রাম মাকবানাহ জেলায় হুথি আক্রমণের শিকার হন। তিনি বলেন, “আক্রমণ ছিল বিশাল, আমরা কখনো এমন কিছু দেখিনি। গ্রামে গোলাবর্ষণ ও গুলিবর্ষণ চলছিল। আমাদের কোনো বিকল্প ছিল না, আমরা পালাতে বাধ্য হয়েছি। আমরা সবকিছু ছেড়ে দিয়েছি এবং পায়ে হেঁটে দীর্ঘ দূরত্ব অতিক্রম করেছি। আমার জন্য বিশেষভাবে দুঃখজনক ছিল, কারণ আমি অক্ষম এবং হেঁটে চলতে পারি না, তাই আমি বৃষ্টি ও বন্যা দিয়ে দীর্ঘ দূরত্ব হাত দিয়ে গড়িয়ে যেতে বাধ্য হয়েছি।”
যুক্তরাষ্ট্রের হুথি আক্রমণ এবং ইরানের সাথে সম্পর্কের কারণে বাব আল-মন্দেব স্ট্রেইটের উপর হুথিরা নিয়ন্ত্রণ বৃদ্ধি পেয়েছে। এই স্ট্রেইট বিশ্বব্যাপী বাণিজ্য পথের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। হুথিরা রেড সী কোস্টের বন্দর শহর মোচা দখল করে নেয়ার পর টাইজ শহর তাদের পরবর্তী লক্ষ্য হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে।
ইউএনএজিসি এবং আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত যেনের সরকারের তথ্য অনুযায়ী, টাইজ গভর্নরেটে সবচেয়ে বেশি বাস্তুচ্যুত মানুষের সংখ্যা। হুথিরা টাইজ শহর দখল করার পর মানবিক অবস্থা আরও খারাপ হতে পারে। আলি আল-শুমায়রি, টাইজ গভর্নরেটের শরণার্থী শিবির পরিচালনা ইউনিটের পরিচালক, বলেছেন যে আগস্ট ১০ তারিখ থেকে ১৫ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ৬৫,৮৪৫ জন মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়েছে। এই সংখ্যার ৯৫% মানুষ ৫টি জেলা থেকে বাস্তুচ্যুত হয়েছে, যেখানে সবচেয়ে বেশি যুদ্ধ হয়েছে: জাবাল হাবাশি, আল-মাফের, মাকবানাহ, আল-ওয়াজিয়াহ এবং মাওজা।
অসামা আল-ওয়াফি, ওয়াদি বিখাওয়ালান শিবিরের সুপারভাইজার এবং যেনের সরকারের শরণার্থী পরিচালনা ইউনিটের প্রতিনিধি, বলেছেন, “এই মানুষদের অবস্থা খুবই দুর্দশাগ্রস্থ এবং ত্রাসদায়ক। তারা বাস্তুচ্যুত হয়ে তাদের বাড়ি, খামার এবং পশু-পাখি হারিয়েছেন। এখন তারা শুধু আশ্রয় খোঁজার জন্য লড়াই করছেন।”
"দুঃখজনক এবং ত্রাসদায়ক অবস্থা — এই মানুষরা তাদের বাড়ি, খামার এবং পশু-পাখি হারিয়েছেন। এখন তারা শুধু আশ্রয় খোঁজার জন্য লড়াই করছেন।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: টাইজ গভর্নরেট, যেন; মাকবানাহ জেলা, মোচা বন্দর শহর
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: হাজ্জা ফাতিমা মোহাম্মদ সেলেহ, আলি আল-শুমায়রি, অসামা আল-ওয়াফি
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১ লাখেরও বেশি বাস্তুচ্যুত মানুষ; ৬৫,৮৪৫ জন বাস্তুচ্যুত (আগস্ট ১০ থেকে সেপ্টেম্বর ১৫); ৯৫% বাস্তুচ্যুত মানুষ ৫টি জেলা থেকে
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!