📌 যুক্তরাষ্ট্র ও অন্যান্য দেশের নিষেধাজ্ঞা এবং যুদ্ধের মধ্যেও ইরানের অর্থনীতি স্থিতিশীল রয়েছে। দেশটির অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতার পেছনে রয়েছে চীন, রাশিয়া ও অন্যান্য মিত্রদের ভূমিকা।
যুক্তরাষ্ট্র, চীন, রাশিয়া, জার্মানি এবং ইরানের মধ্যে চলমান ভূরাজনৈতিক উত্তেজনা ও নিষেধাজ্ঞার মধ্যেও ইরানের অর্থনীতি ভেঙে পড়েনি। দেশটির অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতার পেছনে রয়েছে বিভিন্ন কৌশলগত পদক্ষেপ। বিশেষজ্ঞদের মতে, ইরানের অর্থনীতি সচল থাকলেও এর পুরো চাপ গিয়ে পড়ে পরিবারগুলোর ওপর।
🔴 মূল পয়েন্ট
- ইরানের জনসংখ্যা প্রায় ৯.০ কোটি।
- দেশটির প্রায় ২০.০ লাখ মানুষ বিদেশে কর্মরত।
- ইরানের অর্থনীতির প্রায় ৯০.০ শতাংশই সরকার নিয়ন্ত্রিত।
- যুক্তরাষ্ট্র ইরানের ওপর ১০০.০ মার্কিন ডলারের নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে।
- চীন, রাশিয়া ও অন্যান্য দেশ ইরানের সঙ্গে বাণিজ্য অব্যাহত রেখেছে।
- ইরানের তেল রপ্তানি বছরে প্রায় ১২.০ টি দেশে হয়ে থাকে।
- দেশটির বার্ষিক জিডিপি প্রায় ১১.০ বিলিয়ন মার্কিন ডলার।
- ইরানের মুদ্রাস্ফীতির হার প্রায় ১.০ দশমিক ৬ শতাংশ।
- দেশটির বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ প্রায় ৬.০ বিলিয়ন মার্কিন ডলার।
- ইরানের প্রায় ২০.০ হাজার ব্যবসায়ী বিদেশে কর্মরত।
- দেশটির বার্ষিক রপ্তানি আয় প্রায় ৯৪.০ বিলিয়ন মার্কিন ডলার।
ইরানের অর্থনীতির স্থিতিশীলতার অন্যতম কারণ হলো দেশটির সরকারের নিয়ন্ত্রিত অর্থনীতি ব্যবস্থা। দেশটির প্রায় ৯০.০ শতাংশ অর্থনীতি সরকার দ্বারা পরিচালিত হয়, যা বাজারের ওপর সরাসরি নিয়ন্ত্রণ রাখতে সাহায্য করে। এছাড়া, চীন, রাশিয়া এবং অন্যান্য দেশের সঙ্গে ইরানের বাণিজ্যিক সম্পর্ক অব্যাহত থাকায় দেশটির অর্থনীতি কিছুটা স্থিতিশীল রয়েছে। তবে বিশেষজ্ঞদের মতে, এভাবে অর্থনীতি সচল থাকলেও এর পুরো চাপ গিয়ে পড়ে পরিবারগুলোর ওপর। যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞা সত্ত্বেও ইরান তার অর্থনীতিকে টিকিয়ে রাখতে সক্ষম হয়েছে, তবে এর ফলে সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রার মান ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!