📌 পশ্চিমবঙ্গের নন্দীগ্রাম ও রেজিনগর আসনে উপনির্বাচন ঘিরে রাজনীতি উত্তপ্ত। বিজেপি, তৃণমূল, কংগ্রেস ও বামদল তাদের প্রার্থী ঘোষণা করেছে। তৃণমূলের জোড়া ফুল প্রতীক নিয়ে বিবদমান দুই শিবিরের মধ্যে নির্বাচন কমিশনের সিদ্ধান্ত অপেক্ষায় রয়েছে। উপনির্বাচন ৯ অক্টোবর অনুষ্ঠিত হবে
পশ্চিমবঙ্গের রাজনীতিতে নতুন উত্তেজনা সৃষ্টি হয়েছে নন্দীগ্রাম ও রেজিনগর আসনের উপনির্বাচনের কারণে। এই দুটি আসন শূন্য হয়ে গেছে শুভেন্দু অধিকারী ও হুমায়ুন কবীরের পদত্যাগের পর। উপনির্বাচন ৯ অক্টোবর অনুষ্ঠিত হবে, যেখানে বিজেপি, তৃণমূল কংগ্রেস, কংগ্রেস, সিপিএম এবং তৃণমূলের বিদ্রোহী শিবির তাদের প্রার্থী ঘোষণা করেছে। তবে তৃণমূলের জোড়া ফুল প্রতীক নিয়ে বিবদমান দুই শিবিরের মধ্যে নির্বাচন কমিশনের সিদ্ধান্ত অপেক্ষায় রয়েছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপি ২০৮ আসন জিতেছে, তৃণমূল পেয়েছে মাত্র ৮০ আসন। এর মধ্যে ৬৫ জন বিধায়ক তৃণমূল ছেড়ে বিদ্রোহী শিবির গঠন করেছে, নেতৃত্ব দিচ্ছেন ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়।
- 📌 শুভেন্দু অধিকারী নন্দীগ্রাম আসন ও হুমায়ুন কবীর রেজিনগর আসন ছেড়ে দিয়েছেন। ৬ অক্টোবর থেকে শুরু হওয়া উপনির্বাচনে এই আসন দুটিতে প্রতিদ্বন্দ্বিতা চলছে।
- 📌 নন্দীগ্রাম আসনে কংগ্রেসের প্রার্থী মিলন প্রধান, তৃণমূল কংগ্রেসের সঞ্চিতা প্রধান দে, সিপিএমের শান্তি গোপাল গিরি, বিজেপির হাসিরানী রথ (চন্দ্রনাথ রথের মা) এবং তৃণমূলের বিদ্রোহী শিবিরের এহতেশামুল হক।
- 📌 রেজিনগর আসনে আম জনতা উন্নয়ন পার্টির হুমায়ুন কবীরের পুত্র গোলাম নবী আজাদ, তৃণমূলের রবিউল আলম চৌধুরী, কংগ্রেসের আবদুল্লাহ হিল কাফি, সিপিএমের সইফ আসাদ আলী এবং তৃণমূলের বিদ্রোহী শিবিরের শফিউদ্দিন শেখ।
- 📌 তৃণমূলের জোড়া ফুল প্রতীক নিয়ে বিবদমান দুই শিবিরের মধ্যে নির্বাচন কমিশনের সিদ্ধান্ত অপেক্ষায় রয়েছে। মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার শেষ তারিখ ১৬ সেপ্টেম্বর।
📰 বিস্তারিত
পশ্চিমবঙ্গের ২৬তম বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপি ২৯৪ আসনের মধ্যে ২০৮ আসন জিতেছে, যা তাদের ইতিহাসে সর্বোচ্চ। তৃণমূল কংগ্রেসের পরাজয় এতটাই বড় যে, তাদের ৮০ আসনের মধ্যে ৬৫ জন বিধায়ক তৃণমূল ছেড়ে বিদ্রোহী শিবির গঠন করেছে। এই বিদ্রোহী শিবিরের নেতৃত্ব দিচ্ছেন ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়, যাকে তৃণমূলের বিরোধী দলের নেতা হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে।
বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপির জয় ও তৃণমূলের পরাজয়ের পর শুভেন্দু অধিকারী নন্দীগ্রাম আসন এবং হুমায়ুন কবীর রেজিনগর আসন ছেড়ে দিয়েছেন। এই আসন দুটিতে উপনির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে ৯ অক্টোবর। উপনির্বাচনে বিজেপি, তৃণমূল কংগ্রেস, কংগ্রেস, সিপিএম এবং তৃণমূলের বিদ্রোহী শিবির তাদের প্রার্থী ঘোষণা করেছে।
নন্দীগ্রাম আসনে কংগ্রেসের প্রার্থী মিলন প্রধান, তৃণমূল কংগ্রেসের সঞ্চিতা প্রধান দে, সিপিএমের শান্তি গোপাল গিরি, বিজেপির হাসিরানী রথ (চন্দ্রনাথ রথের মা) এবং তৃণমূলের বিদ্রোহী শিবিরের এহতেশামুল হক। অন্যদিকে রেজিনগর আসনে আম জনতা উন্নয়ন পার্টির হুমায়ুন কবীরের পুত্র গোলাম নবী আজাদ, তৃণমূলের রবিউল আলম চৌধুরী, কংগ্রেসের আবদুল্লাহ হিল কাফি, সিপিএমের সইফ আসাদ আলী এবং তৃণমূলের বিদ্রোহী শিবিরের শফিউদ্দিন শেখ।
তৃণমূলের জোড়া ফুল প্রতীক নিয়ে বিবদমান দুই শিবিরের মধ্যে নির্বাচন কমিশনের সিদ্ধান্ত অপেক্ষায় রয়েছে। মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার শেষ তারিখ ১৬ সেপ্টেম্বর। নির্বাচন কমিশন দুই দলের কাছে ফের নথিপত্র চেয়েছে, যার পরেই তারা চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে কে লড়বে জোড়া ফুল প্রতীক নিয়ে।
"তৃণমূলের জোড়া ফুল প্রতীক নিয়ে বিবদমান দুই শিবিরের মধ্যে লড়াই অব্যাহত রয়েছে। নির্বাচন কমিশন চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেয়ার আগে প্রতীক নিয়ে দ্বন্দ্ব অব্যাহত থাকবে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: পশ্চিমবঙ্গের নন্দীগ্রাম ও রেজিনগর আসন
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়, শুভেন্দু অধিকারী, হুমায়ুন কবীর, হাসিরানী রথ, মিলন প্রধান, সঞ্চিতা প্রধান দে, শান্তি গোপাল গিরি, গোলাম নবী আজাদ, রবিউল আলম চৌধুরী, আবদুল্লাহ হিল কাফি, সইফ আসাদ আলী, এহতেশামুল হক, শফিউদ্দিন শেখ
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২০৮ আসন (বিজেপি), ৮০ আসন (তৃণমূল), ৬৫ জন (বিদ্রোহী বিধায়ক), ৬ অক্টোবর (উপনির্বাচন শুরু), ৯ অক্টোবর (ফল ঘোষণা), ১৬ সেপ্টেম্বর (মনোনয়নপত্র জমা শেষ)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!