📅 ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০:২৯ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

পশ্চিমবঙ্গে দুর্গাপূজার নাম পরিবর্তন নিষিদ্ধ: শুভেন্দু অধিকারীর সিদ্ধান্তে বামপন্থীদের প্রতিক্রিয়া

পশ্চিমবঙ্গে দুর্গাপূজার নাম পরিবর্তন নিষিদ্ধ: শুভেন্দু অধিকারীর সিদ্ধান্তে বামপন্থীদের প্রতিক্রিয়া

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী দুর্গাপূজার বদলে 'শারদোৎসব' লেখা নিষিদ্ধ ঘোষণা করেছেন। বামপন্থী দল সিপিএমের নেতারা এই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানিয়েছেন এবং বলেছেন, শারদোৎসব বাংলার সমন্বয়ী সংস্কৃতির অংশ

পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী দুর্গাপূজার নাম পরিবর্তন করে 'শারদোৎসব' লেখা নিষিদ্ধ ঘোষণা করেছেন। এই নির্দেশটি বামপন্থী দলগুলোর পূজামণ্ডপে বইয়ের স্টল স্থাপনের সাথে সম্পর্কিত। মুখ্যমন্ত্রী বলেছেন, এবার থেকে পূজামণ্ডপে শুধুমাত্র 'দুর্গোৎসব' লেখা হবে। তিনি স্পষ্টভাবে জানিয়েছেন যে, 'শারদোৎসব' লেখা হলে সেই স্টলটি অনুমোদন পাবে না।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী দুর্গাপূজার নাম পরিবর্তন নিষিদ্ধ ঘোষণা করেছেন।
  • 📌 এবার থেকে পূজামণ্ডপে 'দুর্গোৎসব' লেখা হবে, 'শারদোৎসব' লেখা নিষিদ্ধ।
  • 📌 মুখ্যমন্ত্রী বলেছেন, 'শারদোৎসব' লেখা হলে সেই স্টলটি অনুমোদন পাবে না।
  • 📌 সিপিএমের রাজ্য সম্পাদক মহম্মদ সেলিম বলেছেন, 'মুখ্যমন্ত্রী বোধ হয় জানেন না, বাংলায় দুর্গাপূজা উপলক্ষে নানা লক্ষ্যে মানুষ নানা কাজ করে।'
  • 📌 সিপিএম নেতা সুজন চক্রবর্তী ঘোষণা দিয়েছেন, আগের মতো বইয়ের স্টল স্থাপন করা হবে এবং বলেছেন, 'বাংলা, বাঙালির উৎসব এই শারদোৎসব।'

📰 বিস্তারিত

পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী গতকাল বৃহস্পতিবার বিধানসভার বিশেষ অধিবেশনে ভাষণ দিতে গিয়ে বলেছেন, এবার থেকে দুর্গাপূজার বদলে 'শারদোৎসব' লেখা যাবে না। তিনি এই নির্দেশটি ভারতীয় কমিউনিস্ট পার্টি–মার্ক্সবাদী (সিপিএম) দলের উদ্দেশ্যে দিয়েছেন। মুখ্যমন্ত্রী বলেছেন, 'ওরা দুর্গাপূজা বলে না, বলে শারদোৎসব। আমি সব পূজা কমিটিকে অনুরোধ করব, এই তথাকথিত কমিউনিস্টরা পূজার স্টলে দুর্গাপূজার জায়গায় শারদোৎসব লেখে। এবার আর দুর্গাপূজার জায়গায় শারদোৎসব লেখা যাবে না।'

মুখ্যমন্ত্রী আরও বলেছেন, 'এটা সামাজিক উৎসব নয়, হিন্দুদের পবিত্র ধর্মীয় অনুষ্ঠান।' তিনি ইঙ্গিত দিয়েছেন যে, অনেক ক্ষেত্রে পত্রপত্রিকায় পূজাসংখ্যা শারদসংখ্যা হিসেবে লেখা হচ্ছে, যা কাম্য নয়। এই নির্দেশের প্রতিক্রিয়ায় সিপিএমের রাজ্য সম্পাদক মহম্মদ সেলিম বলেছেন, 'উনি জানেন না, বাংলায় দুটি শব্দ আছে—লক্ষ্য আর উপলক্ষ। দুর্গাপূজা উপলক্ষে নানা ক্ষেত্রের মানুষ নানা লক্ষ্যে ধাবিত হন। কেউ ম্যাগাজিন করেন, কেউ গানের অ্যালবাম করেন, কেউ অন্য শিল্পকলার প্রদর্শন করেন। সবটা মিলেই এটা হয়ে ওঠে উৎসব। মুখ্যমন্ত্রী বোধ হয় জানেন না, রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরও শারদোৎসব লিখেছিলেন।'

সিপিএম নেতা সুজন চক্রবর্তী ঘোষণা দিয়েছেন, আগের মতো এবারও তাঁরা পুরোনো ধারা মেনে পূজামণ্ডপের কাছে বইয়ের স্টল দেবেন। তিনি বলেন, 'উনি অবশ্য বই এবং মুক্তচিন্তাকে ভয় পান। শারদ উৎসবে বইয়ের স্টল হবেই। কেউ ঠেকাতে পারবে না। তৃণমূল ফ্যাসিবাদীরা বই পুড়িয়েছে। আপনিও তা–ই করবেন। বাংলা, বাঙালির উৎসব এই শারদোৎসব। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের শারদোৎসব।'

সাহিত্য একাডেমির সাবেক পূর্বাঞ্চলীয় প্রধান এবং সাহিত্যিক রামকুমার মুখোপাধ্যায় বলেছেন, 'শারদোৎসব শব্দে বাঙালির সমন্বয়ী সংস্কৃতির ধারা বহমান। শ্রীচৈতন্যদেব, শ্রীরামকৃষ্ণদেব এই পথের পথিক। রবীন্দ্রনাথ ধর্মের আচারসর্বস্বতার বাইরে বৃহত্তর ব্যঞ্জনা অনুভব করতেন। শান্তিনিকেতনের শারদোৎসব, বসন্ত উৎসব শব্দগুলো বাঙালির অভিজ্ঞানে মিশেছে।'

"ওরা দুর্গাপূজা বলে না, বলে শারদোৎসব। আমি সব পূজা কমিটিকে অনুরোধ করব, এই তথাকথিত কমিউনিস্টরা পূজার স্টলে দুর্গাপূজার জায়গায় শারদোৎসব লেখে। এবার আর দুর্গাপূজার জায়গায় শারদোৎসব লেখা যাবে না।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: পশ্চিমবঙ্গ, ভারত
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: শুভেন্দু অধিকারী, মহম্মদ সেলিম, সুজন চক্রবর্তী, রামকুমার মুখোপাধ্যায়
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১৬ অক্টোবর (দুর্গাপূজা শুরু)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖