📌 চট্টগ্রামের খুলশী থানায় ৬৩ জন বিদেশি নাগরিককে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তারা অনলাইন প্রতারণা চালাতো। পুলিশ তাদের কাছ থেকে ১৩৪টি ফোন, ৫৭টি ল্যাপটপসহ বিভিন্ন ডিভাইস উদ্ধার করেছে
চট্টগ্রামের খুলশী থানার কৃষ্ণচূড়া আবাসিক এলাকায় একটি আটতলা ভবনের ১৪টি ফ্ল্যাটে অবস্থানরত ৬৩ জন বিদেশি নাগরিককে পুলিশ গ্রেপ্তার করেছে। এই গ্রেপ্তারীরা দীর্ঘদিন ধরে বাংলাদেশে ভাড়া বাসায় অবস্থান করে অনলাইন প্রতারণা ও অন্যান্য অপরাধমূলক কার্যক্রম পরিচালনা করতো। পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, গ্রেপ্তারীরা বিভিন্ন ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করে আর্থিক প্রতারণা ও জালিয়াতির মাধ্যমে অর্থ আত্মসাৎ করতো।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 **৬৩ জন বিদেশি নাগরিক** গ্রেপ্তার: লাওস (৩৫), পাকিস্তান (২১), চীন (৫), নেপাল (১), ভিয়েতনাম (১)
- 📌 **কোনো পাসপোর্ট না থাকায়** গ্রেপ্তার: তিনজন পাকিস্তানি ও একটি কম্বোডিয়ান কর্মসংস্থান কার্ড উদ্ধার
- 📌 **১৩৪টি ফোন, ৫৭টি ল্যাপটপসহ** ১০০-এরও বেশি ডিভাইস উদ্ধার: প্রতারণা চালানোর সরঞ্জাম
- 📌 **দেশীয় সহযোগীদের** সাথে সংঘবদ্ধ অপরাধ: চট্টগ্রামসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে অবস্থানরত অজ্ঞাতনামা ব্যক্তি
- 📌 **গ্রেপ্তারীরা ১৪টি ফ্ল্যাটে** দেড় মাস ধরে অবস্থান করতো: আটতলা ভবনের ভাড়া বাসায়
📰 বিস্তারিত
নগর পুলিশের অতিরিক্ত কমিশনার (অপরাধ ও অভিযান) ফয়সাল আহম্মদ আজ শুক্রবার সংবাদ সম্মেলনে জানান, গ্রেপ্তারীরা বাংলাদেশে অনলাইন প্রতারণার একটি নেটওয়ার্ক গড়ে তুলেছিলেন। তারা বিভিন্ন ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম ও ওয়েবসাইট ব্যবহার করে আর্থিক প্রতারণা ও জালিয়াতির মাধ্যমে অবৈধভাবে অর্থ আত্মসাৎ করতো। পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, গ্রেপ্তারীরা পরস্পর যোগসাজশে তথ্যপ্রযুক্তি ব্যবহার করে আইনি কর্তৃত্ববহির্ভূত ই-ট্রানজেকশন পরিচালনা করতো।
গ্রেপ্তারীরা কৃষ্ণচূড়া আবাসিক এলাকার একটি আটতলা ভবনের ১৪টি ফ্ল্যাটে দেড় মাস ধরে অবস্থান করতেন। তাদের কাছ থেকে পুলিশ ১৩৪টি মুঠোফোন, একটি অ্যাপল ট্যাব, ৫৭টি ল্যাপটপ, একটি সিপিইউ, একটি স্যামসাং মনিটর, একটি কিবোর্ড, একটি মাউস, একটি প্রিন্টার, পাঁচটি পেনড্রাইভ ও চারটি সিমকার্ড উদ্ধার করেছে। এছাড়া তিনটি পাকিস্তানি জাতীয় পরিচয়পত্র এবং একটি কম্বোডিয়ান এমপ্লয়মেন্ট কার্ডও পাওয়া গেছে।
কমিশনার ফয়সাল আহম্মদ জানান, গ্রেপ্তারীরা দীর্ঘদিন ধরে বাংলাদেশের বিভিন্ন স্থানে ভাড়া বাসায় অবস্থান করে প্রতারণা চালাতেন। তাদের সহায়তা করতো দেশীয় ও বিদেশি সহযোগীরা। পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, গ্রেপ্তারীরা ও তাদের পলাতক সহযোগীরা পরস্পর যোগসাজশে তথ্যপ্রযুক্তি ব্যবহার করে অবৈধভাবে অর্থ আত্মসাৎ করতেন। গ্রেপ্তারদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
"প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেপ্তাররা জানিয়েছেন, তারা দীর্ঘদিন ধরে বাংলাদেশের বিভিন্ন স্থানে ভাড়া বাসায় অবস্থান করে বিভিন্ন ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম ও ওয়েবসাইট ব্যবহার করে প্রতারণা এবং অন্যান্য অনলাইন অপরাধমূলক কার্যক্রম পরিচালনা করতেন।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: চট্টগ্রাম, খুলশী থানা, কৃষ্ণচূড়া আবাসিক এলাকা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: অতিরিক্ত কমিশনার ফয়সাল আহম্মদ
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৬৩ জন বিদেশি নাগরিক, ১৪টি ফ্ল্যাট, ১৩৪টি ফোন, ৫৭টি ল্যাপটপ
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!