📌 পশ্চিমবঙ্গ সরকার শহরাঞ্চলের পরিচ্ছন্নতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে নতুন বিধিমালা চালু করেছে। প্রকাশ্যে থুতু ফেলা ও প্রস্রাব করার জন্য যথাক্রমে ১০০ ও ২০০ রুপি জরিমানা আরোপ করা হয়েছে। উদ্দেশ্য রাজস্ব আদায় নয়, বরং জনসচেতনতা বৃদ্ধি
পশ্চিমবঙ্গ সরকার শহরাঞ্চলের পরিচ্ছন্নতা অভিযান জোরদার করতে নতুন বিধিমালা চালু করেছে। প্রকাশ্যে থুতু ফেলা ও প্রস্রাব করার জন্য যথাক্রমে ১০০ ও ২০০ রুপি জরিমানা নির্ধারণ করা হয়েছে। এছাড়া উন্মুক্ত স্থানে ময়লা ফেলা এবং একবার ব্যবহারযোগ্য প্লাস্টিক ব্যাগ ব্যবহারের জন্যও জরিমানা আরোপ করা হয়েছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 প্রকাশ্যে থুতু ফেললে ১০০ রুপি জরিমানা
- 📌 প্রস্রাব করার জন্য ২০০ রুপি জরিমানা নির্ধারণ
- 📌 উন্মুক্ত স্থানে ময়লা ফেলা ও একবার ব্যবহারযোগ্য প্লাস্টিক ব্যাগ ব্যবহারের জন্য ২০০ রুপি জরিমানা
- 📌 পরিচ্ছন্নতার অবকাঠামো পুরোপুরি প্রস্তুত নয় বলে স্বীকার করেছেন মন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পাল
📰 বিস্তারিত
পশ্চিমবঙ্গ সরকার শহরাঞ্চলের পরিচ্ছন্নতা অভিযান জোরদার করতে নতুন বিধিমালা চালু করেছে। প্রকাশ্যে থুতু ফেলা ও প্রস্রাব করার জন্য যথাক্রমে ১০০ ও ২০০ রুপি জরিমানা নির্ধারণ করা হয়েছে। এছাড়া উন্মুক্ত স্থানে ময়লা ফেলা এবং একবার ব্যবহারযোগ্য প্লাস্টিক ব্যাগ ব্যবহারের জন্যও ২০০ রুপি জরিমানা আরোপ করা হয়েছে।
নগর উন্নয়ন ও পৌরবিষয়ক মন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পাল জানান, এই পদক্ষেপের মূল লক্ষ্য মানুষের আচরণে পরিবর্তন আনা। তিনি বলেন, সরকারের উদ্দেশ্য রাজস্ব আদায় নয়, বরং মানুষকে সচেতন করা। তিনি আরও বলেন, কলকাতা ও রাজ্যের অন্যান্য শহরকে সুন্দর করে তুলতে এই উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে।
তিনি স্বীকার করেন যে পরিচ্ছন্নতার অবকাঠামো পুরোপুরি প্রস্তুত নয়। তিনি বলেন, সরকার একাই শহর পরিষ্কার রাখতে পারে না। তাই নাগরিকদের উচিত বাস বা গাড়ির জানালা দিয়ে আবর্জনা ফেলা বা থুতু ফেলার আগে একবার চিন্তা করা।
"আমাদের উদ্দেশ্য জরিমানার মাধ্যমে অর্থ সংগ্রহ করা নয়, বরং মানুষকে সচেতন করা। আমরা চাই কলকাতা ও রাজ্যের অন্যান্য শহর সুন্দর হয়ে উঠুক।"
এছাড়া প্লাস্টিকের বিকল্প হিসেবে বাজারে ভেন্ডিং মেশিনের ব্যবস্থা করা হচ্ছে। এসব মেশিন থেকে ১ রুপিতে ভুট্টার তৈরি ব্যাগ এবং ৫ থেকে ১০ রুপিতে কাপড়ের ব্যাগ পাওয়া যাবে। বাসাবাড়ির জন্য আবর্জনা পৃথক করে পরিচ্ছন্নতাকর্মীদের হাতে তুলে দেওয়ার উৎসাহ দেওয়া হচ্ছে।
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: কলকাতা, পশ্চিমবঙ্গ
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: অগ্নিমিত্রা পাল
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১০০, ২০০, ১২৫
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!