📅 ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ৩:০৯ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

মার্কিন হামলা সত্ত্বেও ইরানের খাদ্য-জ্বালানি মজুত: কীভাবে টিকে আছে ৪৭ বিলিয়ন ডলার যুদ্ধে?

মার্কিন হামলা সত্ত্বেও ইরানের খাদ্য-জ্বালানি মজুত: কীভাবে টিকে আছে ৪৭ বিলিয়ন ডলার যুদ্ধে?

📷 ছবি: Ajker Patrika

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 আজকের পত্রিকা ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 মার্কিন হামলা সত্ত্বেও ইরানের হাতে ৪৭ বিলিয়ন ডলারের যুদ্ধে খাদ্য ও জ্বালানি মজুত রয়েছে। মার্কিন সামরিক ব্যয় ২৯ বিলিয়ন ডলার গোলাবারুদ ও ৬ বিলিয়ন ডলার সামরিক ক্ষতি সহ। কাতারের মধ্যস্থতায় হরমুজ প্রণালি খোলার আলোচনা চলছে, কিন্তু পারমাণবিক বিষয় নিয়ে বাধা রয়েছে

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নতুন সামরিক অভিযানের মুখে ইরানকে কীভাবে টিকে থাকতে সাহায্য করছে তার গোপন মজুত। মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থা সিআইএর সর্বশেষ মূল্যায়নে দেখা গেছে, ইরানের হাতে এখনো কয়েক মাসের খাদ্য ও জ্বালানি মজুত রয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের এক কর্মকর্তা এই তথ্য প্রকাশ করেছেন। তবে মার্কিন সামরিক ব্যয়ের হিসাব অনুযায়ী, ইরানের বিরুদ্ধে চলমান যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের ব্যয় ইতিমধ্যে ৪৭ বিলিয়ন ডলার ছাড়িয়ে গেছে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 **ইরানের মজুত**: মার্কিন হামলা সত্ত্বেও ইরানের হাতে খাদ্য ও জ্বালানি মজুত রয়েছে, যা দেশটিকে কয়েক মাস টিকে থাকতে সাহায্য করবে।
  • 📌 **মার্কিন ব্যয়**: যুক্তরাষ্ট্রের যুদ্ধে ব্যয় হয়েছে ৪৭ বিলিয়ন ডলার, যার মধ্যে ২৯ বিলিয়ন ডলার গোলাবারুদ ও ৬ বিলিয়ন ডলার সামরিক ক্ষতি অন্তর্ভুক্ত।
  • 📌 **বিভাগীয় ব্যয়**: বিমানবাহিনীর ব্যয় ৭.৬ বিলিয়ন ডলার, স্থলবাহিনীর ২ বিলিয়ন ডলার এবং নৌবাহিনীর ১.৪৫ বিলিয়ন ডলার।
  • 📌 **হরমুজ প্রণালি**: ইরানের হরমুজ প্রণালি বন্ধের কারণে জ্বালানি দাম বেড়েছে, যা মার্কিন নির্বাচনের প্রধান বিষয় হয়ে উঠেছে।
  • 📌 **কূটনৈতিক আলোচনা**: কাতারের মধ্যস্থতায় ইরান ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে হরমুজ প্রণালি খোলার আলোচনা চলছে, কিন্তু পারমাণবিক বিষয়ে বাধা রয়েছে।

📰 বিস্তারিত

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের এক কর্মকর্তা জানিয়েছেন, ইরানের বিরুদ্ধে নতুন সামরিক অভিযানের মুখে তেহরানের হাতে খাদ্য ও জ্বালানি মজুত রয়েছে। মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থা সিআইএর গোপন মূল্যায়নে এ তথ্য উঠে এসেছে। যুক্তরাষ্ট্রের এক কর্মকর্তা এই তথ্য জানিয়েছেন। মার্কিন সামরিক ব্যয়ের হিসাব অনুযায়ী, ইরানের বিরুদ্ধে চলমান যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের ব্যয় ইতিমধ্যে ৪৭ বিলিয়ন ডলার ছাড়িয়ে গেছে। গত অক্টোবরের মাঝামাঝি পর্যন্ত যুদ্ধে মার্কিন ব্যয় ৩ বিলিয়ন ডলার বেড়েছে।

মার্কিন সামরিক কর্মকর্তাদের হিসাব অনুযায়ী, ইরানের বিরুদ্ধে ট্রাম্প প্রশাসনের চলমান যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের ব্যয় ৪৭ বিলিয়ন ডলার ছাড়িয়েছে। মার্কিন সংবাদমাধ্যম দ্য ওয়াশিংটন পোস্টের পর্যালোচনা করা এক নথিতে এ তথ্য উঠে এসেছে। গত আট মাসে মার্কিন বাহিনী প্রায় ২৯ বিলিয়ন ডলারের গোলাবারুদ ব্যবহার করেছে। এছাড়াও, যুদ্ধবিমানসহ অন্যান্য সামরিক প্ল্যাটফর্ম ধ্বংস হওয়ার কারণে ক্ষতির পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৬ বিলিয়ন ডলার। তবে এই হিসাবের মধ্যে মধ্যপ্রাচ্যে অবস্থিত মার্কিন সামরিক ঘাঁটিগুলোর ক্ষয়ক্ষতি অন্তর্ভুক্ত করা হয়নি। পারস্য উপসাগরীয় অঞ্চলে মার্কিন স্থাপনাগুলো ইরানের ড্রোন ও ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রের হামলায় ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধের আর্থিক ব্যয় নিয়ে মার্কিন সামরিক বাহিনীর সর্বশেষ এবং এখন পর্যন্ত সবচেয়ে বিস্তারিত মূল্যায়ন প্রকাশ করেছে ইউএস সেন্ট্রাল কমান্ড। এর আগে সেন্ট্রাল কমান্ড জানিয়েছিল, সেপ্টেম্বরের শুরুর দিক পর্যন্ত যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের ব্যয় হয়েছিল অন্তত ৪৩.৬ বিলিয়ন ডলার। যুদ্ধের ক্রমবর্ধমান ব্যয় মেটাতে পেন্টাগনকে বিদ্যমান বাজেটের বিভিন্ন খাত থেকে কয়েক বিলিয়ন ডলার সরিয়ে নিতে হয়েছে। সংঘাতের কারণে সৃষ্ট অর্থের ঘাটতি পূরণে এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।

মার্কিন সামরিক বাহিনীকে দ্রুত বিপুলসংখ্যক সেনা ও সামরিক সরঞ্জাম মধ্যপ্রাচ্যে পাঠাতে হয়েছে এবং টানা কয়েক মাস ধরে সেগুলো সেখানে মোতায়েন রাখতে হয়েছে। সর্বশেষ হিসাব অনুযায়ী, সামরিক অভিযান পরিচালনা ও অব্যাহত রাখতে মার্কিন বিমানবাহিনীর ব্যয় হয়েছে প্রায় ৭.৬ বিলিয়ন ডলার। অন্যদিকে, স্থলবাহিনীর ব্যয় ২ বিলিয়ন ডলার এবং নৌবাহিনীর ব্যয় ১.৪৫ বিলিয়ন ডলার।

গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ট্রাম্প প্রশাসন ও ইসরায়েলের যৌথ উদ্যোগে ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধ শুরু হয়। যুক্তরাষ্ট্রের জনগণের মধ্যে যুদ্ধটি ব্যাপকভাবে অজনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। আগামী সপ্তাহের মধ্যবর্তী নির্বাচনে এটি অন্যতম প্রধান ইস্যু হিসেবে উঠে এসেছে। ইরানের হরমুজ প্রণালি বন্ধের কারণে জ্বালানি তেল ও গ্যাসসহ বিভিন্ন পণ্যের দাম বেড়ে যাওয়ায় ভোটারদের মধ্যে ক্ষোভ তৈরি হয়েছে।

হরমুজ প্রণালি পুনরায় খুলে দেওয়া এবং ইরানের বন্দরগুলোতে যুক্তরাষ্ট্রের নৌ অবরোধ তুলে নেওয়ার বিষয়ে আলোচনা চলছে। কাতারের মধ্যস্থতাকারীরা জোর প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন। তবে কোন পক্ষ প্রথমে কী ধরনের ছাড় দেবে, তা নির্ধারণ করা আলোচনার অন্যতম প্রধান বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র চাইছে, আলোচনার শুরুতেই ইরানকে পারমাণবিক কর্মসূচির ওপর বিধিনিষেধ আরোপের বিষয়টি মেনে নিতে হবে। কিন্তু ইরান এ দাবির বিরোধিতা করছে।

"মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের জনগণের মধ্যে যুদ্ধটি ব্যাপকভাবে অজনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। আগামী সপ্তাহের মধ্যবর্তী নির্বাচনে এটি অন্যতম প্রধান ইস্যু হিসেবে উঠে এসেছে।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: যুক্তরাষ্ট্র, ইরান, পারস্য উপসাগর, কাতার, ওয়াশিংটন
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মার্কিন কর্মকর্তা, ডোনাল্ড ট্রাম্প
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৪৭ বিলিয়ন ডলার (মার্কিন ব্যয়), ২৯ বিলিয়ন ডলার (গোলাবারুদ), ৬ বিলিয়ন ডলার (ক্ষতি), ৭.৬ বিলিয়ন ডলার (বিমানবাহিনী), ২ বিলিয়ন ডলার (স্থলবাহিনী), ১.৪৫ বিলিয়ন ডলার (নৌবাহিনী)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖