📅 ৩০ অক্টোবর ২০২৬, ১:২২ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

যুক্তরাষ্ট্রের 'হিট রে' অস্ত্র: প্রাণ নেয় না, কিন্তু তীব্র যন্ত্রণায় বাধ্য করে সীমান্ত ছেড়ে যেতে

যুক্তরাষ্ট্রের 'হিট রে' অস্ত্র: প্রাণ নেয় না, কিন্তু তীব্র যন্ত্রণায় বাধ্য করে সীমান্ত ছেড়ে যেতে

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথের আদেশে দক্ষিণ সীমান্তে পরীক্ষামূলকভাবে ব্যবহার করা হচ্ছে অ্যাকটিভ ডিনায়াল সিস্টেম (এডিএস)। এই অস্ত্র প্রাণ নেয় না, কিন্তু তীব্র যন্ত্রণা দিয়ে অভিবাসীকে সরে যেতে বাধ্য করে। জাতিসংঘের নিষিদ্ধ সরঞ্জাম তালিকায় এডিএসের নাম রয়েছে

যুক্তরাষ্ট্রের দক্ষিণ সীমান্তে অবৈধ অভিবাসীদের বাধা দেওয়ার জন্য একটি অস্ত্র ব্যবহার করা হচ্ছে, যা প্রাণ কেড়ে নেয় না, কিন্তু তীব্র যন্ত্রণা দিয়ে তাদের সরে যেতে বাধ্য করে। এই অস্ত্রের নাম অ্যাকটিভ ডিনায়াল সিস্টেম (এডিএস) বা ‘হিট রে’। কবি মহাদেব সাহার ‘ফুল কই, শুধু অস্ত্রের উল্লাস’ কবিতায় অস্ত্রের ধ্বংসাত্মক প্রভাবের কথা তুলে ধরা হয়েছে। কিন্তু এডিএসের মতো অস্ত্রের উদ্দেশ্য হলো প্রাণহানি ছাড়াই যন্ত্রণা দিয়ে লক্ষ্য এলাকার মানুষকে সরে যেতে বাধ্য করা।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 এডিএস অস্ত্রের মাধ্যমে তীব্র যন্ত্রণা দিয়ে অভিবাসীদের সীমান্ত ছেড়ে যেতে বাধ্য করা হচ্ছে — প্রাণহানি হয় না, কিন্তু ত্বকের গভীরে তাপমাত্রা বেড়ে যায় এবং অস্থিরতা সৃষ্টি হয়।
  • 📌 যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথ দক্ষিণ সীমান্তে এডিএস ব্যবহারের আদেশ দিয়েছেন। জাতিসংঘের নিষিদ্ধ সরঞ্জাম তালিকায় এডিএসের নাম রয়েছে, কিন্তু যুক্তরাষ্ট্র এটিকে সীমান্ত নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য ব্যবহার করতে চায়।
  • 📌 এডিএসের তরঙ্গ ৯৫ গিগাহার্টজ কম্পাঙ্কে কাজ করে এবং ১০০০ মিটার দূরত্ব পর্যন্ত সক্রিয় থাকে। তরঙ্গের প্রভাবে মানুষের ত্বকের ০.৩ থেকে ০.৪ মিলিমিটার গভীরে তাপমাত্রা বেড়ে যায়, যা তীব্র যন্ত্রণা সৃষ্টি করে।
  • 📌 যুক্তরাষ্ট্রের কাস্টমস অ্যান্ড বর্ডার প্রটেকশন (সিবিপি) বিভাগের মুখপাত্র বলেছেন, এডিএসের মতো প্রযুক্তি জাতীয় নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ব্যবহৃত হবে। তবে এই অস্ত্রের নৈতিক ও আইনি প্রশ্ন রয়েছে।

📰 বিস্তারিত

যুক্তরাষ্ট্রের দক্ষিণ সীমান্তে অবৈধ অভিবাসীদের বাধা দেওয়ার জন্য একটি নতুন প্রযুক্তি ব্যবহার করা হচ্ছে, যা ‘অ্যাকটিভ ডিনায়াল সিস্টেম’ (এডিএস) নামে পরিচিত। এই অস্ত্রের কাজ হলো প্রাণহানি ছাড়াই তীব্র যন্ত্রণা দিয়ে লক্ষ্য এলাকার মানুষকে সরে যেতে বাধ্য করা। যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথ গত সেপ্টেম্বর একটি স্মারকে সই করে এই অস্ত্রের ব্যবহার শুরু করার আদেশ দিয়েছেন। এডিএসের তরঙ্গের প্রভাবের কারণে মানুষের ত্বকের গভীরে তাপমাত্রা বেড়ে যায় এবং অস্থিরতা সৃষ্টি হয়, ফলে তারা দ্রুত সরে যেতে চেষ্টা করে।

এডিএসের তরঙ্গের কম্পাঙ্ক ৯৫ গিগাহার্টজ এবং এটি ১০০০ মিটার দূরত্ব পর্যন্ত সক্রিয় থাকে। মার্কিন সামরিক বাহিনীর তথ্য অনুযায়ী, তরঙ্গের প্রভাবে মানুষের ত্বকের ০.৩ থেকে ০.৪ মিলিমিটার গভীরে তাপমাত্রা বেড়ে যায়। ফলে দ্রুত তীব্র যন্ত্রণা অনুভব হয়। যুক্তরাষ্ট্রের বিমানবাহিনীর সার্জেন্ট জেসন দেলাক্রুজ বলেছেন, এডিএসের তরঙ্গ মানুষের ত্বকে ‘অসহনীয় উত্তাপের’ অনুভূতি সৃষ্টি করে, যা তাদের অস্থির করে তোলে।

জাতিসংঘের নির্যাতনবিষয়ক বিশেষ র্যাপোর্টিয়ারের নিষিদ্ধ সরঞ্জামের তালিকায় এডিএসের নাম রয়েছে। তবে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সীমান্ত নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য এই অস্ত্রের ব্যবহারকে গুরুত্ব দিচ্ছেন। যুক্তরাষ্ট্রের কাস্টমস অ্যান্ড বর্ডার প্রটেকশন (সিবিপি) বিভাগের মুখপাত্র বলেছেন, সিবিপি নিয়মিত নতুন প্রযুক্তি যাচাই করে থাকে, যেগুলো জীবন রক্ষার পাশাপাশি জাতীয় নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পারে। তবে এডিএসের নৈতিক ও আইনি প্রশ্ন রয়েছে, কারণ এটি মানুষের শরীরে তীব্র যন্ত্রণা সৃষ্টি করে।

"এডিএসের তরঙ্গ মানুষের ত্বকে ‘অসহনীয় উত্তাপের’ অনুভূতি সৃষ্টি করে, যা তাদের অস্থির করে তোলে।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: যুক্তরাষ্ট্রের দক্ষিণ সীমান্ত
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: পিট হেগসেথ (প্রতিরক্ষামন্ত্রী), জেসন দেলাক্রুজ (বিমানবাহিনীর সার্জেন্ট)
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৯৫ গিগাহার্টজ (তরঙ্গ কম্পাঙ্ক), ১০০০ মিটার (সক্রিয় দূরত্ব), ০.৩-০.৪ মিলিমিটার (ত্বকের গভীরতা)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖