📌 যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তরের তথ্যমতে, অভিবাসনবিরোধী অভিযানের অংশ হিসেবে এ পর্যন্ত এক লাখ ৭৫ হাজারের বেশি বিদেশির ভিসা বাতিল হয়েছে। অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড ও জাতীয় নিরাপত্তা হুমকির কারণে এসব ভিসা স্থগিত করা হয়েছে
যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তরের প্রকাশিত তথ্যবিবরণী অনুযায়ী, দেশটির প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের অভিবাসনবিরোধী কঠোর অভিযানের ফলে এ পর্যন্ত এক লাখ ৭৫ হাজারের বেশি বিদেশি নাগরিকের ভিসা বাতিল করা হয়েছে। একই সঙ্গে আরও হাজার হাজার মানুষের ভ্রমণ ও অভিবাসনের বিশেষ সুবিধাও কেড়ে নেওয়া হয়েছে। গত সোমবার প্রকাশিত বিবরণীতে ভিসা বাতিলের প্রধান কারণ হিসেবে অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড, ভিসার শর্ত লঙ্ঘন, জালিয়াতি, সহিংস উসকানি এবং জাতীয় নিরাপত্তার জন্য হুমকিকে উল্লেখ করা হয়েছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তর এক লাখ ৭৫ হাজারের বেশি বিদেশির ভিসা বাতিল করেছে অভিবাসনবিরোধী অভিযানের অংশ হিসেবে
- 📌 ভিসা বাতিলের প্রধান কারণগুলোর মধ্যে রয়েছে অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড, ভিসা শর্ত লঙ্ঘন, জালিয়াতি ও জাতীয় নিরাপত্তা হুমকি
- 📌 উত্তর আফ্রিকায় অবস্থিত একটি মার্কিন দূতাবাস ১০০টির বেশি ভিসা বাতিল করেছে ‘বার্থ ট্যুরিস্ট’ হিসেবে আসা বাবা-মায়েদের বিরুদ্ধে
- 📌 ট্রাম্প প্রশাসনের অভিযানের ফলে নজিরবিহীন সংখ্যক অভিবাসীকে নিজ দেশে ফেরত পাঠানো হয়েছে
- 📌 যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা একটি সুযোগ, অধিকার নয় — এমন মন্তব্য করেছে পররাষ্ট্র দপ্তর
📰 বিস্তারিত
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের দ্বিতীয় মেয়াদ শুরুর পর থেকে অভিবাসনবিরোধী অভিযান তীব্রতর হয়েছে। পররাষ্ট্র দপ্তরের তথ্যমতে, এ অভিযানের অংশ হিসেবে এক লাখের বেশি ভিসা ইতিমধ্যেই বাতিল করা হয়েছে, যা ছিল রেকর্ডসংখ্যক। সাম্প্রতিক বিবরণী অনুযায়ী, ভিসা বাতিলের সংখ্যা আরও বেড়ে এক লাখ ৭৫ হাজার ছাড়িয়েছে। ভিসাধারীদের বিরুদ্ধে অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের অভিযোগ রয়েছে, যার মধ্যে ধর্ষণ, যৌন নিপীড়ন, অপহরণ, মানব পাচার এবং শিশুদের যৌন নিপীড়নের উপকরণ রাখার মতো গুরুতর অভিযোগ অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।
উত্তর আফ্রিকায় অবস্থিত একটি মার্কিন দূতাবাস থেকে জানানো হয়েছে, তারা ‘বার্থ ট্যুরিস্ট’ হিসেবে যুক্তরাষ্ট্রে আসা বাবা-মায়েদের বিরুদ্ধে ১০০টির বেশি ভিসা বাতিল করেছে। অভিযোগ, এসব মা-বাবা মূলত সন্তান জন্ম দেওয়ার জন্য দেশটিতে এসেছিলেন, যাতে তাঁদের সন্তান যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকত্ব পায়। এছাড়া চার্লি কার্ক হত্যাকাণ্ডে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করা কয়েকজন বিদেশির ভিসাও বাতিল করা হয়েছে। তাঁদের একজন বলেছিলেন, ‘ফ্যাসিস্টরা মারা গেলে গণতন্ত্রপন্থীরা অভিযোগ করে না।’ অন্যজন বলেন, ‘তিনি দেরিতে মারা গেছেন।’
পররাষ্ট্র দপ্তর জানিয়েছে, তারা ভিসাধারীদের যাচাই-বাছাই কার্যক্রম অব্যাহত রাখবে, যাতে নিশ্চিত করা যায় যে ভিসাধারীরা তাঁদের ভিসার শর্ত মেনে চলছেন এবং মার্কিন নাগরিকদের জন্য হুমকি হয়ে উঠছেন না। ভিসা দেওয়ার ক্ষেত্রে ট্রাম্প প্রশাসন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আবেদনকারীদের যাচাই আরও কঠোর করেছে। একই সঙ্গে যাচাই-বাছাইয়ের পরিধিও বাড়ানো হয়েছে। অধিকারকর্মীরা এ উদ্যোগের নিন্দা জানিয়ে মতপ্রকাশের স্বাধীনতার জন্য হুমকি হিসেবে উল্লেখ করেছেন।
"যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা একটি সুযোগ, অধিকার নয়। ভিসার এই সুযোগের অপব্যবহারকারীদের ভিসা বাতিল করতে বিদ্যমান সব ধরনের ক্ষমতার ব্যবহার অব্যাহত রাখার কথা জানিয়েছে দপ্তর।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: যুক্তরাষ্ট্র
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ডোনাল্ড ট্রাম্প, যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তর
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: এক লাখ ৭৫ হাজার
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!