📌 যুক্তরাষ্ট্রের ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স জানিয়েছেন, দেশটির প্রথম লক্ষ্য মার্কিন নাগরিকদের জন্য তেল ও পেট্রলের দাম স্থিতিশীল রাখা। দ্বিতীয় প্রধান লক্ষ্য ইরানকে পারমাণবিক অস্ত্র অর্জন থেকে বিরত রাখা। যুদ্ধ পরিস্থিতিতে হরমুজ প্রণালির অবরোধ অব্যাহত রাখার ঘোষণা দিয়েছেন মার্কিন কর্মকর্তারা
যুক্তরাষ্ট্রের ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স বৃহস্পতিবার এক সাক্ষাৎকারে জানিয়েছেন, দেশটির প্রথম লক্ষ্য মার্কিন নাগরিকদের জন্য তেল ও পেট্রলের দাম কম রাখা। দ্বিতীয় প্রধান লক্ষ্য হলো ইরানকে পারমাণবিক অস্ত্র অর্জন থেকে বিরত রাখা। তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্র ইতোমধ্যেই এই দুই লক্ষ্যের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে বলে তিনি আত্মবিশ্বাসী।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্সের মতে, যুক্তরাষ্ট্রের প্রথম লক্ষ্য মার্কিন নাগরিকদের জন্য তেল ও পেট্রলের দাম স্থিতিশীল রাখা
- 📌 ভ্যান্স জানান, ইরানকে পারমাণবিক অস্ত্র অর্জন থেকে বিরত রাখা যুক্তরাষ্ট্রের দ্বিতীয় প্রধান লক্ষ্য
- 📌 যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইল মিলে ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধ শুরু করার পর ইরান হরমুজ প্রণালি অবরোধ করে
- 📌 মার্কিন অর্থমন্ত্রী স্কট বেসেন্ট জানান, ইরানের বিরুদ্ধে এমন অর্থনৈতিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে, যা আগে কখনো দেখা যায়নি
- 📌 মার্কিন প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথ জানান, প্রয়োজন হলে যুক্তরাষ্ট্র অনির্দিষ্টকাল হরমুজ প্রণালিতে নৌ অবরোধ চালিয়ে যেতে পারবে
📰 বিস্তারিত
যুক্তরাষ্ট্রের ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স বৃহস্পতিবার ফক্স নিউজকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে জানান, দেশটির প্রথম লক্ষ্য মার্কিন নাগরিকদের জন্য তেল ও পেট্রলের দাম স্থিতিশীল রাখা। দ্বিতীয় প্রধান লক্ষ্য হলো ইরানকে পারমাণবিক অস্ত্র অর্জন থেকে বিরত রাখা। তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্র ইতোমধ্যেই এই দুই লক্ষ্যের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে বলে তিনি আত্মবিশ্বাসী। তবে তিনি স্বীকার করেন, ইরানের আচরণ পূর্বানুমান করা কঠিন এবং দেশটি অতীতে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে করা কিছু প্রতিশ্রুতি মেনে চলেনি।
ইরানের সঙ্গে যুদ্ধের শেষ পরিণতি সম্পর্কে প্রশ্নের জবাবে ভ্যান্স বলেন, যুদ্ধ শেষ হলে যুক্তরাষ্ট্র আরও শক্তিশালী অবস্থানে থাকবে। ইরানের হাতে পারমাণবিক অস্ত্র থাকবে না এবং হরমুজ প্রণালিতে এমন পরিস্থিতি তৈরি হবে, যাতে মার্কিন নাগরিকদের জন্য তেল ও গ্যাসের দাম স্থিতিশীল থাকে। তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের মনোযোগ কখনো জ্বালানি ইস্যুতে থাকে, কারণ দেশের মানুষ যেন তেল ও গ্যাসের দাম বহন করতে পারে তা নিশ্চিত করা জরুরি। আবার কখনো সামরিক অভিযান বা ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে গুরুত্ব দেওয়া হয়।
ইরান-যুক্তরাষ্ট্র যুদ্ধ শুরুর আগে বিশ্বের বাণিজ্যিক তেল পরিবহনের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ হরমুজ প্রণালি দিয়ে চলাচল করত। ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইল ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধ শুরু করার পর ইরান প্রণালিটি অবরোধ করে। এতে বিশ্ববাজারে জ্বালানির দাম বেড়ে যায়। এর জবাবে এপ্রিল মাসে ইরান-সংশ্লিষ্ট জাহাজ চলাচলের ওপর যুক্তরাষ্ট্রও অবরোধ আরোপ করে।
"প্রথম লক্ষ্য হলো আমেরিকানদের জন্য তেল ও পেট্রলের দাম কম রাখা। এরপর অবশ্যই দ্বিতীয় লক্ষ্য হলো নিশ্চিত করা, ইরান যেন কখনো পারমাণবিক অস্ত্র না পায়।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ওয়াশিংটন, যুক্তরাষ্ট্র
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: জেডি ভ্যান্স (যুক্তরাষ্ট্রের ভাইস প্রেসিডেন্ট)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২৮ ফেব্রুয়ারি, ২০০ দিন
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!