📌 যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটনে প্রায় ছয় লাখ পুরুষ মশা ছাড়া হচ্ছে, যেগুলোর শরীরে রয়েছে ওলবাকিয়া ব্যাকটেরিয়া। এসব মশা স্ত্রী মশার সঙ্গে মিলিত হয়ে নতুন মশার জন্ম বন্ধ করবে। ফলে ডেঙ্গুসহ অন্যান্য রোগের বিস্তার রোধ করা সম্ভব হবে
যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটনে আবাসিক এলাকায় প্রায় ছয় লাখ পুরুষ মশা ছাড়া হচ্ছে, যেগুলোর শরীরে রয়েছে ওলবাকিয়া নামের একটি ব্যাকটেরিয়া। এসব মশা স্ত্রী মশার সঙ্গে মিলিত হয়ে নতুন মশার জন্ম বন্ধ করবে বলে জানিয়েছেন উদ্যোক্তা টড মন্টগোমারি।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটনে প্রায় ছয় লাখ পুরুষ মশা ছাড়া হবে, যেগুলোর শরীরে ওলবাকিয়া ব্যাকটেরিয়া রয়েছে।
- 📌 পুরুষ মশাগুলো স্ত্রী মশার সঙ্গে মিলিত হয়ে নতুন মশার জন্ম বন্ধ করবে।
- 📌 এশিয়ান টাইগার মশা নিয়ন্ত্রণে এই পদ্ধতি ব্যবহৃত হচ্ছে।
- 📌 যুক্তরাষ্ট্রে প্রথমবারের মতো আবাসিক এলাকায় এই উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে।
📰 বিস্তারিত
যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটনের বাসিন্দা টড মন্টগোমারি তার বাড়ির আঙিনায় ছোট একটি টিউবের ঢাকনা খুলে শত শত মশা ছেড়ে দেন। তবে এটি কোনো দুষ্টুমি নয়, বরং মশার বংশবিস্তার নিয়ন্ত্রণের একটি নতুন বৈজ্ঞানিক উদ্যোগ। তিনি যে মশাগুলো ছাড়েন, সেগুলো সবই পুরুষ মশা। পুরুষ মশা মানুষকে কামড়ায় না। এদের শরীরে ওলবাকিয়া নামের একটি প্রাকৃতিক ব্যাকটেরিয়া থাকে।
যুক্তরাষ্ট্রে আবাসিক এলাকার বাসিন্দাদের জন্য এ ধরনের উদ্যোগ এবারই প্রথম। গ্রীষ্মের শেষ নাগাদ পুরো এলাকায় প্রায় ৬ লাখ এশিয়ান টাইগার মশা ছেড়ে দেয়ার পরিকল্পনা রয়েছে। মশা নিয়ন্ত্রণকারী প্রতিষ্ঠান ‘বি সেফ মসকুইটো কন্ট্রোল’-এর প্রতিষ্ঠাতা টড মন্টগোমারি বলেন, ‘জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে আমরা যেন একটি টিকটিক করা সময়বোমার ওপর বসে আছি।’
তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের অনেক অঞ্চলে তাপমাত্রা বৃদ্ধির কারণে উষ্ণ ও আর্দ্র দিনের সংখ্যা বেড়েছে। এতে রোগবাহী মশার বংশবিস্তার ও সক্রিয় থাকার সময়ও দীর্ঘ হচ্ছে। ‘জ্যাপ মেলস’ নামে বাজারজাত এই পদ্ধতি শুধু এশিয়ান টাইগার মশার ওপর কার্যকর।
“দেশীয় উদ্ভিদ ও পরাগায়নকারী প্রাণীর প্রতি আমার আগ্রহ থেকেই এই উদ্যোগের সূচনা। নিজের বাড়ির আশপাশে কীটনাশক ছিটাতে দেখে মনে হয়েছে, এর একটি নিরাপদ বিকল্প প্রয়োজন।”
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটন
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: টড মন্টগোমারি
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৬ লাখ, ৩২ বছর, ৭০ শতাংশ
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!