📌 এআই প্রযুক্তিতে যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের প্রতিযোগিতা তীব্র হওয়ার মধ্যেই ওয়াশিংটন কয়েক ডজন দেশকে নিজেদের নেতৃত্বাধীন উদ্যোগে যোগ দেওয়ার জন্য চাপ দিচ্ছে। মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের খসড়া চিঠিতে বলা হয়েছে, প্যাক্স সিলিকা উদ্যোগের সদস্যরা চীনের প্রতিদ্বন্দ্বী কোনো উদ্যোগে অংশ নিতে পারবে না
ওয়াশিংটন, ১৭ আগস্ট ২০২৬ — কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই প্রযুক্তিতে বিশ্ব নেতৃত্ব প্রতিষ্ঠায় যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের মধ্যে চলমান প্রতিযোগিতা নতুন মাত্রা পেয়েছে। এবার কয়েক ডজন দেশকে নিজেদের পক্ষে অবস্থান নিতে বাধ্য করার উদ্যোগ নিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের অভ্যন্তরীণ খসড়া চিঠি এবং এক মার্কিন কর্মকর্তার বক্তব্যে এ তথ্য উঠে এসেছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃত্বাধীন ‘প্যাক্স সিলিকা’ উদ্যোগে যোগ দেওয়া দেশগুলোকে চীনের প্রতিদ্বন্দ্বী কোনো উদ্যোগে অংশ নিতে নিষেধ করা হচ্ছে
- 📌 জুনে স্বাক্ষরিত ‘এআই অপরচুনিটি স্টেটমেন্ট’ অনুযায়ী ৩৫টি দেশকে এই বার্তা দেওয়া হবে
- 📌 প্যাক্স সিলিকা উদ্যোগের সদস্য দেশগুলোর মধ্যে রয়েছে জাপান, অস্ট্রেলিয়া, দক্ষিণ কোরিয়া ও কাজাখস্তান
- 📌 কাজাখস্তান একই সঙ্গে চীনের নতুন এআই উদ্যোগেও যোগ দেওয়ায় উদ্বেগ প্রকাশ করেছে যুক্তরাষ্ট্র
- 📌 যুক্তরাষ্ট্রের কর্মকর্তা রয়টার্সকে বলেন, ‘দুই দিক একসঙ্গে বেছে নেওয়া যাবে না’
📰 বিস্তারিত
চীনের সঙ্গে এআই প্রযুক্তিতে প্রতিযোগিতা আরও তীব্র হওয়ার প্রেক্ষাপটে যুক্তরাষ্ট্র এখন নিজেদের নেতৃত্বাধীন উদ্যোগে অংশগ্রহণকারী দেশগুলোর ওপর চাপ সৃষ্টি করছে। মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের খসড়া চিঠিতে স্পষ্ট করে বলা হয়েছে, প্যাক্স সিলিকা উদ্যোগের সদস্যরা চীনের প্রতিদ্বন্দ্বী কোনো উদ্যোগে অংশ নিতে পারবে না। কারণ হিসেবে বলা হয়েছে, ‘সবকিছুর অংশ হতে গেলে শেষ পর্যন্ত কোনো কিছুরই অংশ থাকা হয় না।’
জুন মাসে স্বাক্ষরিত ‘এআই অপরচুনিটি স্টেটমেন্ট’ অনুযায়ী যুক্তরাষ্ট্র ৩৫টি দেশকে এই বার্তা দেবে। এর মধ্যে রয়েছে প্যাক্স সিলিকা উদ্যোগের সদস্য দেশগুলো। উদ্যোগটির লক্ষ্য হলো এআই মডেল, সেমিকন্ডাক্টর এবং গুরুত্বপূর্ণ খনিজের সরবরাহব্যবস্থা নিরাপদ করা। বর্তমানে প্রায় দুই ডজন দেশ এই উদ্যোগে যুক্ত হয়েছে। তাদের মধ্যে রয়েছে জাপান, অস্ট্রেলিয়া, দক্ষিণ কোরিয়া ও কাজাখস্তান।
তবে কাজাখস্তান একই সঙ্গে চীনের নতুন এআই উদ্যোগেও যোগ দেওয়ায় যুক্তরাষ্ট্র উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। কারণ হিসেবে বলা হয়েছে, দেশটি এখন ওয়াশিংটন ও বেইজিংয়ের দুই ব্যবস্থারই অংশ। এক মার্কিন কর্মকর্তা রয়টার্সকে বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের অবস্থান পরিষ্কার—‘দুই দিক একসঙ্গে বেছে নেওয়া যাবে না।’ তাঁর মতে, কোনো দেশ একই সঙ্গে একটি প্রযুক্তি ব্যবস্থার বিশ্বস্ত অংশীদার হওয়ার দাবি করতে পারে না এবং এমন একটি চীনা উদ্যোগেও যোগ দিতে পারে না, যার লক্ষ্য এআই নিয়ে সম্পূর্ণ ভিন্ন একটি আন্তর্জাতিক কাঠামো গড়ে তোলা।
জুলাই মাসে চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং ‘ওয়ার্ল্ড আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স কো-অপারেশন অর্গানাইজেশন’ নামে একটি নতুন এআই উদ্যোগ চালু করেন। এর মাধ্যমে বেইজিং যুক্তরাষ্ট্রের প্রভাবের বিপরীতে নিজের প্রযুক্তিগত ও নীতিগত প্রভাব বাড়াতে চাইছে। জুলাইয়ে ২৯টি দেশ এই সংস্থা প্রতিষ্ঠার চুক্তিতে স্বাক্ষর করে।
‘সবকিছুর অংশ হতে গেলে শেষ পর্যন্ত কোনো কিছুরই অংশ থাকা হয় না।’
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ওয়াশিংটন, যুক্তরাষ্ট্র
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মার্কিন কর্মকর্তা
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৩৫টি দেশ
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২৯টি দেশ
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!