📌 মার্কিন সেনাবাহিনী ঘোষণা করেছে, জুন থেকে হরমুজ নৌদ্বীপ দিয়ে ১.৫ বিলিয়ন ব্যারেল তেল রফতানি হয়েছে। ইরানের হুমকির মাঝেও ৩০০০টিরও বেশি বাণিজ্যিক জাহাজ নিরাপদে যাত্রা করেছে মার্কিন সহায়তায়।
মার্কিন সেনাবাহিনী ঘোষণা করেছে, জুন মাস থেকে হরমুজ নৌদ্বীপ দিয়ে গলফ দেশসমূহের তেল রফতানিতে তাদের উল্লেখযোগ্য ভূমিকা ছিল। মার্কিন সেনাবাহিনীর কেন্দ্রীয় কমান্ড (সেন্টকম) জানিয়েছে, এই সময়ে ১.৫ বিলিয়ন ব্যারেল তেল রফতানি হয়েছে। ইরানের হুমকির মাঝেও ৩০০০টিরও বেশি বাণিজ্যিক জাহাজ নিরাপদে নৌদ্বীপ দিয়ে যাত্রা করেছে মার্কিন সহায়তায়।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 মার্কিন সেনাবাহিনী সহায়তায় হরমুজ নৌদ্বীপ দিয়ে ১.৫ বিলিয়ন ব্যারেল তেল রফতানি হয়েছে জুন থেকে অক্টোবর পর্যন্ত।
- 📌 ৩০০০টিরও বেশি বাণিজ্যিক জাহাজ নিরাপদে নৌদ্বীপ দিয়ে যাত্রা করেছে, যা ইরানের হুমকির বাইপাস করেছে।
- 📌 মার্কিন সেনাবাহিনীর কমান্ডার অ্যাডমিরাল ব্রাড কুপার বলেছেন, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং অঞ্চলীয় অংশীদাররা আন্তর্জাতিক নৌপথের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।
- 📌 সেপ্টেম্বর মাসে গলফ অঞ্চল থেকে দৈনিক ১৬.৫ মিলিয়ন ব্যারেল তেল রফতানি হয়েছে, যা যুদ্ধের পূর্বের গড়ের সমান।
- 📌 বর্তমানে ব্রেন্ট ক্রুডের দাম প্রায় ১১৪.৫০ ডলার ব্যারেল, যা ফেব্রুয়ারির যুদ্ধের পূর্বের দামের তুলনায় অনেক বেশি।
📰 বিস্তারিত
মার্কিন সেনাবাহিনীর কেন্দ্রীয় কমান্ড (সেন্টকম) সোমবার ঘোষণা দিয়েছে যে, ইরানের হুমকির মাঝেও হরমুজ নৌদ্বীপ দিয়ে ১.৫ বিলিয়ন ব্যারেল তেল রফতানি হয়েছে। এই সময়ে ৩০০০টিরও বেশি বাণিজ্যিক জাহাজ নিরাপদে নৌদ্বীপ দিয়ে যাত্রা করেছে। মার্কিন সেনাবাহিনীর কমান্ডার অ্যাডমিরাল ব্রাড কুপার এই অঞ্চলে সফর করেছেন এবং হেলিকপ্টার দিয়ে নৌদ্বীপের বর্তমান কার্যকর পরিবেশ পর্যবেক্ষণ করেছেন।
অ্যাডমিরাল কুপার বলেছেন, “আমরা আমাদের গলফ অংশীদারদের সাথে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে দাঁড়িয়ে আছি এবং জাহাজ চলাচলের নিরাপত্তা নিশ্চিত করছি। এই সফর আমাদের নৌদ্বীপ দিয়ে স্বাধীন চলাচলের প্রতি প্রতিশ্রুতিবদ্ধতার প্রতীক।” তিনি আরও বলেছেন, ইরানের মাইনসহ নৌদ্বীপের প্রধান চলাচল পথ নিরাপদ, যা মার্কিন সেনাবাহিনীর মাইন ক্লিয়ারেন্স কর্মকাণ্ডের ফলাফল।
সেপ্টেম্বর মাসে গলফ অঞ্চল থেকে দৈনিক ১৬.৫ মিলিয়ন ব্যারেল তেল রফতানি হয়েছে, যা যুদ্ধের পূর্বের গড়ের সমান। মার্কেট ইন্টেলিজেন্স ফার্ম কপ্লারের তথ্য অনুযায়ী, এই রফতানি বৃদ্ধির পেছনে রয়েছে অফশোর জাহাজ থেকে জাহাজে তেল স্থানান্তর, মার্কিন সেনাবাহিনীর জাহাজের নিরাপত্তা এবং তেল পাইপলাইন ব্যবহার বৃদ্ধি।
তবে, তেলের দাম এখনও যুদ্ধের পূর্বের তুলনায় অনেক বেশি। ব্রেন্ট ক্রুডের দাম সোমবার প্রায় ১১৪.৫০ ডলার ব্যারেলে ছিল, যা পূর্বের সপ্তাহের প্রায় ছয় মাসের সর্বোচ্চ থেকে ২ শতাংশ কমে এসেছে। ফেব্রুয়ারির ২৭ তারিখে, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং ইসরায়েল ইরানের বিরুদ্ধে হামলা শুরু করার আগে ব্রেন্ট ক্রুডের দাম ছিল ৭২.৪৮ ডলার ব্যারেল।
"আমরা আন্তর্জাতিক নৌপথের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে, যা স্পষ্টভাবে দেখাচ্ছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং অঞ্চলীয় অংশীদারদের নৌদ্বীপের নিয়ন্ত্রণ"
"আমরা বর্তমান কার্যকর পরিবেশ পর্যবেক্ষণ করছি"
"আমরা আমাদের গলফ অংশীদারদের সাথে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে দাঁড়িয়ে আছি এবং জাহাজ চলাচলের নিরাপত্তা নিশ্চিত করছি"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: হরমুজ নৌদ্বীপ, পারস্য উপসাগর
- 👥 মুখ্য ব্যক্তি: অ্যাডমিরাল ব্রাড কুপার (মার্কিন সেনাবাহিনীর কমান্ডার)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১.৫ বিলিয়ন ব্যারেল তেল রফতানি, ৩০০০টি বাণিজ্যিক জাহাজ নিরাপদ যাত্রা
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!