📌 যুক্তরাষ্ট্র ও মেক্সিকোর মধ্যে চলমান বাণিজ্য বিরোধের কেন্দ্রে উঠে এসেছে পনিরের নাম। ইউরোপীয় ইউনিয়নের সঙ্গে মেক্সিকোর চুক্তিতে নির্দিষ্ট অঞ্চলের পনিরের নাম সংরক্ষণের ব্যবস্থা থাকায় মার্কিন পনির উৎপাদকদের উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। দেশটি মনে করছে, এর ফলে তাদের বাজার প্রবেশে বাধা তৈরি হতে পারে
পনিরের নাম নিয়ে যুক্তরাষ্ট্র ও মেক্সিকোর মধ্যে বাণিজ্য বিরোধ তীব্র আকার ধারণ করেছে। ইউরোপীয় ইউনিয়নের সঙ্গে সম্প্রতি স্বাক্ষরিত চুক্তিতে নির্দিষ্ট অঞ্চলের পনিরের নাম সুরক্ষিত রাখার ব্যবস্থা থাকায় মার্কিন পনির উৎপাদকদের উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। রয়টার্সের দুটি সরকারি সূত্রের বরাতে এ তথ্য জানা গেছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ইউরোপীয় ইউনিয়নের সঙ্গে মেক্সিকোর চুক্তিতে পারমেজান ও ফেটার মতো নাম সংরক্ষণের ব্যবস্থা রয়েছে
- 📌 যুক্তরাষ্ট্রের আশঙ্কা, এতে তাদের পনির উৎপাদকদের মেক্সিকোতে প্রবেশে বাধা তৈরি হতে পারে
- 📌 যুক্তরাষ্ট্র বছরে প্রায় ১০০ কোটি ডলারের পনির রপ্তানি করে মেক্সিকোতে
- 📌 ইউরোপীয় ইউনিয়নের দুগ্ধপণ্য রপ্তানি মেক্সিকোয় প্রায় ২০ কোটি ডলার
📰 বিস্তারিত
মেক্সিকোর সঙ্গে ইউরোপীয় ইউনিয়নের সম্প্রতি স্বাক্ষরিত বাণিজ্য চুক্তিতে জিআই পণ্যের নাম সুরক্ষিত রাখার ব্যবস্থা রয়েছে। এর ফলে ইতালির ‘পারমিজানো রেজিয়ানো’ বা গ্রিসের ‘ফেটা’র মতো নামের পনির মেক্সিকোয় বিক্রি করতে পারবে না অন্য দেশের উৎপাদকরা। যুক্তরাষ্ট্রের ইউএস ডেইরি এক্সপোর্ট কাউন্সিলের নির্বাহী ভাইস প্রেসিডেন্ট জেইমি কাস্তানেদা জানান, ইউরোপকে সুবিধা দিতে গিয়ে যেসব মার্কিন কোম্পানি বছরের পর বছর ধরে এসব নামে পনির উৎপাদন করছে, তাদের যেন বাজার থেকে বঞ্চিত করা না হয়।
তিনি আরও বলেন, পারমেজান বা ফেটার মতো নাম কোনো নির্দিষ্ট অঞ্চলের সঙ্গে যুক্ত নয়, বরং এগুলো সাধারণ ধরনের পনিরের নাম। ফলে মেক্সিকোর নতুন চুক্তি মার্কিন পনির উৎপাদকদের জন্য বাজারে প্রবেশের ক্ষেত্রে বাধা হয়ে দাঁড়াতে পারে। মেক্সিকো ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে চলমান বাণিজ্য আলোচনায় এই বিষয়টি গুরুত্ব পাচ্ছে। দুই দেশ চলতি বছর একটি অন্তর্বর্তী বাণিজ্য চুক্তির চেষ্টা করছে। পাশাপাশি যুক্তরাষ্ট্র-মেক্সিকো-কানাডা চুক্তি (ইউএসএমসিএ) নবায়নের আলোচনাও চলছে।
মেক্সিকোয় বছরে প্রায় ১০০ কোটি ডলারের পনির আমদানি করে যুক্তরাষ্ট্র। বিপরীতে ইউরোপীয় ইউনিয়নের মোট দুগ্ধপণ্য রপ্তানি মেক্সিকোয় প্রায় ২০ কোটি ডলার। দেশটির মোট পনির ব্যবহারের প্রায় ৩০ শতাংশই আমদানিনির্ভর। বিশ্লেষকদের মতে, ইউরোপে নির্দিষ্ট অঞ্চলের সঙ্গে যুক্ত খাবারের নাম সুরক্ষার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হলেও যুক্তরাষ্ট্রের মতো দেশের জন্য এটি নতুন চ্যালেঞ্জ তৈরি করতে পারে।
"ইউরোপকে সুবিধা দিতে গিয়ে যেসব মার্কিন কোম্পানি বছরের পর বছর ধরে এসব নামে পনির বানিয়ে বিক্রি করে আসছে, তাদের যেন বাজার থেকে বের করে দেয়া না হয়।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: মেক্সিকো
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: জেইমি কাস্তানেদা (ইউএস ডেইরি এক্সপোর্ট কাউন্সিলের নির্বাহী ভাইস প্রেসিডেন্ট)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১০০ কোটি ডলার (যুক্তরাষ্ট্রের বার্ষিক পনির রপ্তানি), ২০ কোটি ডলার (ইইউর বার্ষিক দুগ্ধপণ্য রপ্তানি), ৩০ শতাংশ (মেক্সিকোর মোট পনির ব্যবহারের আমদানিনির্ভর অংশ)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!