📌 ইউক্রেনের রাজধানী কিয়েভের কাছে অবস্থিত একটি অস্ত্রাগারে রুশ হামলায় মৃত্যু হয়েছে ৩৮ জনের। বছরের সবচেয়ে ভয়াবহ এই ঘটনায় আরও ২০ জন আহত এবং চারজন নিখোঁজ রয়েছেন
ইউক্রেনের রাষ্ট্রপতি ভলোদিমির জেলেনস্কির বরাত দিয়ে আল জাজিরা জানিয়েছে, ইউক্রেনের রাজধানী কিয়েভের কাছে অবস্থিত একটি অস্ত্রাগারে রুশ হামলায় মৃত্যু হয়েছে ৩৮ জনের। বছরের সবচেয়ে ভয়াবহ এই ঘটনায় আরও ২০ জন আহত এবং চারজন নিখোঁজ রয়েছেন বলে জানিয়েছেন জেলেনস্কি।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ইউক্রেনের রাজধানী কিয়েভের কাছে অবস্থিত একটি অস্ত্রাগারে রুশ হামলায় মৃত্যু হয়েছে ৩৮ জনের
- 📌 ঘটনাটি বছরের সবচেয়ে ভয়াবহ বলে উল্লেখ করেছেন ইউক্রেনের রাষ্ট্রপতি ভলোদিমির জেলেনস্কি
- 📌 হামলায় আরও ২০ জন আহত এবং চারজন নিখোঁজ রয়েছেন
- 📌 হামলার পর অগ্নিকাণ্ড ও বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে, যা নিয়ন্ত্রণে কাজ করছেন জরুরি কর্মীরা
- 📌 ইউক্রেনের সামরিক বাহিনী রাশিয়ার লেনিনগ্রাদ অঞ্চলের একটি তেল শোধনাগার এবং ক্রাসনোদার অঞ্চলের একটি সামরিক ঘাঁটিতে রাতে হামলা চালিয়েছে
- 📌 রাশিয়া ইউক্রেনের শক্তি অবকাঠামোতে "বৃহৎ আকারের হামলা" চালানোর প্রস্তুতি নিচ্ছে বলে জানিয়েছে
📰 বিস্তারিত
ইউক্রেনের রাষ্ট্রপতি ভলোদিমির জেলেনস্কি টেলিগ্রামে দেওয়া এক বার্তায় জানিয়েছেন, শনিবার ভোরে ইউক্রেনের রাজধানী কিয়েভের কাছে অবস্থিত মাইলা গ্রামের একটি অস্ত্রাগারে রুশ হামলা চালানো হয়। এই হামলায় মৃত্যু হয়েছে ৩৮ জনের। জেলেনস্কি আরও জানান, হামলার পর সৃষ্ট অগ্নিকাণ্ড ও বিস্ফোরণ নিয়ন্ত্রণে কাজ করছেন জরুরি কর্মীরা। একই সঙ্গে বোমা নিষ্ক্রিয় দলও স্থানটি পরিষ্কার করার কাজ করছে।
হামলায় আরও ২০ জন আহত এবং চারজন নিখোঁজ রয়েছেন বলে জানিয়েছেন জেলেনস্কি। তিনি জানান, এটি বছরের সবচেয়ে ভয়াবহ ঘটনা। দুই মাসের মধ্যে এটি দ্বিতীয়বার যখন কিয়েভের কাছে একটি অস্ত্রাগারে হামলা চালানো হলো। স্থানীয় কর্মকর্তারা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেছেন, আবাসিক এলাকার এত কাছে অস্ত্রাগার রাখা উচিত হয়নি। ইউক্রেনীয় প্রসিকিউটররা ঘটনাটির তদন্তে অপরাধমূলক অবহেলার অভিযোগ এনেছেন।
এদিকে, রাশিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, ইউক্রেনের শক্তি অবকাঠামোতে "বৃহৎ আকারের হামলা" চালানোর প্রস্তুতি নিচ্ছে রাশিয়া। এর আগে ইউক্রেনের ড্রোন অভিযানের কারণে রাশিয়ার শক্তি খাত ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে উল্লেখ করেছে মস্কো। ইউক্রেনের কর্মকর্তারা বারবার সতর্ক করেছেন যে, আসন্ন শীতকাল রাশিয়ার পূর্ণাঙ্গ আগ্রাসনের পর থেকে সবচেয়ে কঠিন হতে পারে।
ইউক্রেনীয় সামরিক বাহিনী জানিয়েছে, তারা রাশিয়ার লেনিনগ্রাদ অঞ্চলের একটি তেল শোধনাগার এবং ক্রাসনোদার অঞ্চলের একটি সামরিক ঘাঁটিতে রাতে হামলা চালিয়েছে। একই সঙ্গে রাশিয়ার নিয়ন্ত্রিত লুহানস্ক অঞ্চলের একটি খনিতে ইউক্রেনের হামলায় একজন নিহত হয়েছেন বলে জানিয়েছেন মস্কো-নিযুক্ত গভর্নর লিওনিদ পাসেচনিক।
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর ইউরোপের সবচেয়ে ভয়াবহ এই যুদ্ধ অবসানের জন্য মার্কিন নেতৃত্বাধীন কূটনৈতিক প্রচেষ্টা কয়েক মাস ধরে থমকে রয়েছে। রাশিয়া ইউক্রেনের কাছ থেকে ব্যাপক ভূখণ্ডগত ও রাজনৈতিক ছাড় দাবি করেছে, যা ইউক্রেন প্রত্যাখ্যান করেছে।
"Russia’s Amazon"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ইউক্রেনের রাজধানী কিয়েভের কাছে মাইলা গ্রাম
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: রাষ্ট্রপতি ভলোদিমির জেলেনস্কি
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: মৃত্যু ৩৮ জন, আহত ২০ জন, নিখোঁজ ৪ জন
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!