📌 কৃষকের ন্যায্য মূল্য নিশ্চিত করতে প্রযুক্তির ব্যবহারে উদ্যোগী হন তরুণ উদ্যোক্তা সৈয়দ জুবায়ের হাসান। তাঁর প্রতিষ্ঠান ‘কৃষি স্বপ্ন’ কৃষিপণ্যের সরবরাহব্যবস্থায় স্বচ্ছতা আনতে ব্লকচেইন প্রযুক্তি প্রয়োগের চেষ্টা চালাচ্ছে
তরুণ উদ্যোক্তাদের উদ্ভাবনী প্রচেষ্টায় নতুন ব্যবসায়িক সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচিত হচ্ছে। তবে উদ্যোগ শুরুর পর তা টিকিয়ে রাখা ও এগিয়ে নেওয়ার পথে নানা চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হতে হয় ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোক্তাদের। প্রথম আলো ডটকম ও প্রাইম ব্যাংকের যৌথ আয়োজনে বিশেষ পডকাস্ট শো ‘লিগ্যাসি উইথ এমআরএইচ: সিজন-৩’-এর একটি পর্বে কৃষিভিত্তিক উদ্যোগ ‘কৃষি স্বপ্ন’র প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা সৈয়দ জুবায়ের হাসান আলোচনা করেছেন কৃষকের সমস্যা ও তার সমাধানে প্রযুক্তির ভূমিকা নিয়ে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 কৃষকের উৎপাদিত পণ্যের ন্যায্য মূল্য না পাওয়ার কারণ হিসেবে স্থানীয় সংগ্রাহক ও মধ্যস্বত্বভোগীদের দাম নির্ধারণের ক্ষমতাকে দায়ী করেন সৈয়দ জুবায়ের হাসান
- 📌 একজন কৃষক সারা বছর কাজ করে মাসিক আয় করতে পারেন না বলে কৃষিকে লাভজনক পেশা হিসেবে দেখতে অনীহা প্রকাশ করেন তিনি
- 📌 ‘কৃষি স্বপ্ন’ প্রতিষ্ঠানটির লক্ষ্য কৃষকের উৎপাদিত পণ্যের সর্বোচ্চ মূল্য নিশ্চিত করা ও সরবরাহব্যবস্থায় স্বচ্ছতা আনতে প্রযুক্তির ব্যবহার
- 📌 ২০১৯ সালে প্রতিষ্ঠিত ‘কৃষি স্বপ্ন’ শুরুতে ব্যর্থ হলেও পরবর্তীতে প্রযুক্তিগত সমাধান তৈরিতে সফল হন সৈয়দ জুবায়ের হাসান
- 📌 ব্লকচেইন প্রযুক্তির মাধ্যমে কৃষিপণ্যের সরবরাহব্যবস্থায় উৎপাদন থেকে বাজার পর্যন্ত তথ্যের অনুসরণযোগ্যতা নিশ্চিত করার চেষ্টা চালানো হয়
📰 বিস্তারিত
কৃষকের উৎপাদিত পণ্যের ন্যায্য মূল্য না পাওয়ার সমস্যা সমাধানে উদ্যোগী হন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যবসায় প্রশাসন ইনস্টিটিউটের অধ্যাপক মোহাম্মদ রিদওয়ানুল হকের সঞ্চালনায় আয়োজিত পডকাস্ট শো ‘লিগ্যাসি উইথ এমআরএইচ: সিজন-৩’-এর একটি পর্বে অংশ নেন ‘কৃষি স্বপ্ন’র প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা সৈয়দ জুবায়ের হাসান। তিনি জানান, কৃষকের উৎপাদিত পণ্যের ন্যায্য মূল্য না পাওয়ার কারণে অনেকেই কৃষিকে লাভজনক পেশা হিসেবে দেখেন না। একজন কৃষক সারা বছর কৃষিকাজ করে মাসিক আয় করতে না পারায় তাঁর পরিবারের পরবর্তী প্রজন্মও কৃষির প্রতি আগ্রহ হারিয়ে ফেলে।
সৈয়দ জুবায়ের হাসান বলেন, তাঁর পরিবারের ব্যবসা কৃষিভিত্তিক হওয়ায় ছোটবেলা থেকেই তিনি কৃষকদের সমস্যা প্রত্যক্ষ করেছেন। নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটিতে কম্পিউটার সায়েন্স নিয়ে পড়াশোনা করলেও কৃষিকে পেশাগতভাবে বেছে নেওয়ার প্রধান কারণ ছিল তাঁর চারপাশের পরিবেশ ও কৃষকের দুর্দশা দেখা। তিনি আরও জানান, ২০১৯ সালে প্রতিষ্ঠিত ‘কৃষি স্বপ্ন’ শুরুতে ব্যর্থ হলেও পরবর্তীতে প্রযুক্তিগত সমাধান তৈরিতে সফল হন।
পডকাস্ট শোতে সঞ্চালক জানতে চান, কৃষিকাজ করতে গিয়ে কৃষকদের মূল সমস্যাটি কোথায়? সৈয়দ জুবায়ের হাসান বলেন, বাংলাদেশের বিপুলসংখ্যক মানুষ সরাসরি কৃষির সঙ্গে যুক্ত হলেও তাঁরা উৎপাদিত পণ্যের ন্যায্য মূল্য পান না। স্থানীয় সংগ্রাহক বা মধ্যস্বত্বভোগীরাই অনেক ক্ষেত্রে দাম নির্ধারণ করেন। এর ফলে কৃষক নিজের উৎপাদনের যথাযথ মূল্য পান না।
"আমরা ব্যর্থ হয়েছিলাম। কারণ, সেই ব্যর্থতা থেকে আমরা অনেক কিছু শিখেছি। একটি প্রযুক্তিপণ্য তৈরি করাও একটি যাত্রা।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ঢাকা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: সৈয়দ জুবায়ের হাসান
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৩০ হাজার টাকা (কৃষকের বার্ষিক আয়), ২০১৯ সাল
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!