📌 ভোলার চরফ্যাশনের চর কুকরি-মুকরিতে নির্মিত সড়কে সরকারি বিধিমালা লঙ্ঘন করে লোহার নেট ব্যবহারের অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, রডের পরিবর্তে জিআই তারের জাল ব্যবহারের ফলে সড়কটি অল্প সময়েই ভেঙে পড়ার আশঙ্কা রয়েছে
ভোলার চরফ্যাশনের পর্যটন দ্বীপ চর কুকরি-মুকরিতে নির্মিত একটি গুরুত্বপূর্ণ সড়কে সরকারি বিধিমালা লঙ্ঘন করে লোহার নেট (তারের জাল) ব্যবহারের অভিযোগ উঠেছে। উপজেলার চর কুকরী-মুকরী ইউনিয়নের স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কেন্দ্র থেকে মনুরা বাজার পর্যন্ত বিস্তৃত এই সড়কটির নির্মাণ কাজে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদফতরের গ্রামীণ অবকাঠামো উন্নয়ন প্রকল্পের অধীনে নিয়মিত তদারকি না থাকায় এমন অনিয়ম ঘটেছে বলে অভিযোগ করেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 সরকারি বিধিমালা অনুযায়ী সিসি বা আরসিসি ঢালাইয়ের সড়কে নির্দিষ্ট মিলিমিটারের লোহার রড ব্যবহার বাধ্যতামূলক হলেও চর কুকরি-মুকরির সড়কে তা মানা হয়নি
- 📌 স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদফতরের অধীনস্থ গ্রামীণ অবকাঠামো উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় নির্মিত সড়কে রডের পরিবর্তে সস্তা লোহার নেট ব্যবহারের অভিযোগ
- 📌 প্রায় দুই কোটি ১৩ লাখ টাকা ব্যয়ে নির্মিত সড়কটির নির্মাণ কাজ নিয়মিত তদারকির কথা থাকলেও মাঠ পর্যায়ে কর্মকর্তাদের নীরবতার সুযোগে অনিয়ম ঘটেছে
- 📌 উপকূলীয় এলাকার এই সড়কটি জোয়ার-ভাটার পানির প্রভাবে কয়েক মাসের মধ্যেই ভেঙে পড়ার আশঙ্কা স্থানীয়দের
📰 বিস্তারিত
ভোলার চরফ্যাশনের পর্যটন দ্বীপ চর কুকরি-মুকরিতে নির্মিত স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কেন্দ্র থেকে মনুরা বাজার পর্যন্ত সড়কটি স্থানীয়দের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এই সড়কের মাধ্যমেই দুই ওয়ার্ডের হাজারো মানুষ স্বাস্থ্যসেবা গ্রহণ করেন। এছাড়া এলাকার প্রধান বাণিজ্যিক কেন্দ্র মনুরা বাজারে যাতায়াত ও কৃষিপণ্য পরিবহনে এই রাস্তাটি ব্যবহৃত হয়। কিন্তু সরকারি বিধিমালা অনুযায়ী সিসি বা আরসিসি ঢালাইয়ের সড়কে স্থায়িত্ব নিশ্চিত করতে নির্দিষ্ট মিলিমিটারের লোহার রড ব্যবহার করা বাধ্যতামূলক হলেও নির্মাণ কাজে তা মানা হয়নি বলে অভিযোগ উঠেছে।
স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদফতরের গ্রামীণ অবকাঠামো উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় প্রায় দুই কোটি ১৩ লাখ টাকা ব্যয়ে নির্মিত এই সড়কের কাজ নিয়মিত তদারকির কথা থাকলেও মাঠ পর্যায়ে কর্মকর্তাদের রহস্যজনক নীরবতায় ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান অনিয়মের সুযোগ পেয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন স্থানীয়রা। উপকূলীয় এলাকার এই নিচু এলাকায় জোয়ার-ভাটার পানি ওঠানামা করে বিধায় ভারী যানবাহনের চাপ ও নোনা পানির প্রভাবে রডের খাঁচা ছাড়া শুধু চিকন লোহার তারের নেট দিয়ে ঢালাই করলে সড়কটি কয়েক মাসের মধ্যেই ভেঙে ধসে পড়ার আশঙ্কা রয়েছে বলে জানান তারা।
এ বিষয়ে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান মেসার্স ছাদিকা আফিয়া ইসলাম-এর সাইট ম্যানেজার বলেন, ‘সিডিউল মোতাবেক কাজ করা হচ্ছে। কাজ ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ নিয়মিত তদারকি করছেন।’ অন্যদিকে উপজেলা প্রকৌশলী অফিসের তদারকি কর্মকর্তা মো: কিবরিয়া বলেন, ‘সড়ক নির্মাণে সিডিউল মোতাবেক কাজ হচ্ছে, এর বাইরে অন্য কোনো সামগ্রী ব্যবহারের কোনো সুযোগ নেই।’
‘সিডিউল মোতাবেক কাজ করা হচ্ছে। কাজ ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ নিয়মিত তদারকি করছেন।’ — ছাদিকা আফিয়া ইসলাম-এর সাইট ম্যানেজার
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: চর কুকরি-মুকরী, চরফ্যাশন, ভোলা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: আফিয়া ইসলাম (ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান), মো: কিবরিয়া (উপজেলা প্রকৌশলী)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: দুই কোটি ১৩ লাখ টাকা
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!