📌 মার্কিন প্রতিনিধি পরিষদে ইরান যুদ্ধ বন্ধের তৃতীয়বারের মতো প্রস্তাব পাস হয়েছে। ডেমোক্র্যাটদের নেতৃত্বে ২২০-২০৪ ভোটে অনুমোদিত এই প্রস্তাবে ৩৮ বিলিয়ন ডলারের যুদ্ধ খরচের সতর্কতা তুলে ধরা হয়েছে। রিপাবলিকান পার্টির সাতজন আইনপ্রণেতা দলীয় সিদ্ধান্তের বাইরে গিয়ে পক্ষে ভোট দিয়েছেন
মার্কিন প্রতিনিধি পরিষদে (হাউস অব রিপ্রেজেন্টেটিভস) ইরান যুদ্ধ বন্ধের তৃতীয়বারের মতো প্রস্তাব পাস হয়েছে। কংগ্রেসের পূর্বানুমোদন ছাড়া ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক অভিযান বন্ধের লক্ষ্যে ‘ওয়ার পাওয়ার্স রেজল্যুশন’ প্রস্তাবটি ২২০-২০৪ ভোটে অনুমোদিত হয়। এই প্রস্তাব ডেমোক্র্যাটদের আনা হয়েছে, যেখানে ক্ষমতাসীন রিপাবলিকান পার্টির সাতজন আইনপ্রণেতা দলীয় সিদ্ধান্তের বাইরে গিয়ে পক্ষে ভোট দিয়েছেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 মার্কিন প্রতিনিধি পরিষদে ইরান যুদ্ধ বন্ধের তৃতীয়বারের মতো প্রস্তাব পাস হয়েছে ২২০-২০৪ ভোটে
- 📌 প্রস্তাবটি ‘ওয়ার পাওয়ার্স রেজল্যুশন’ — কংগ্রেসের পূর্বানুমোদন ছাড়া সামরিক অভিযান বন্ধের লক্ষ্যে
- 📌 গত ফেব্রুয়ারি থেকে চলমান ইরান যুদ্ধে মার্কিন খরচ হয়েছে ৩৮ বিলিয়ন ডলার (৩ হাজার ৮০০ কোটি টাকা)
- 📌 প্রতি মাসে যুদ্ধের খরচ বাড়ছে প্রায় ৩ বিলিয়ন ডলার
- 📌 মার্কিন বাহিনীর ইন্টারসেপ্টর ক্ষেপণাস্ত্রের মজুত আশঙ্কাজনকভাবে ফুরিয়ে আসছে
- 📌 রিপাবলিকান পার্টির সাতজন আইনপ্রণেতা দলীয় সিদ্ধান্তের বাইরে গিয়ে পক্ষে ভোট দিয়েছেন
- 📌 ‘ওয়ার পাওয়ার্স অ্যাক্ট’-এর আওতায় এই পদক্ষেপ — ভিয়েতনাম যুদ্ধের পর পাস হওয়া ঐতিহাসিক আইন
📰 বিস্তারিত
মার্কিন কংগ্রেসের নিম্নকক্ষ হাউস অব রিপ্রেজেন্টেটিভস গতকাল ইরান যুদ্ধ বন্ধের তৃতীয়বারের মতো প্রস্তাব পাস করেছে। এই প্রস্তাব ‘ওয়ার পাওয়ার্স রেজল্যুশন’ নামে পরিচিত, যা কংগ্রেসের পূর্বানুমোদন ছাড়া ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক অভিযান বন্ধের লক্ষ্যে আনা হয়েছে। প্রস্তাবটি ২২০-২০৪ ভোটে অনুমোদিত হয়, যেখানে ডেমোক্র্যাটদের নেতৃত্বে এই প্রস্তাব পাস করা হয়েছে।
এই প্রস্তাবের পক্ষে ভোট দেওয়া রিপাবলিকান পার্টির সাতজন আইনপ্রণেতা দলীয় সিদ্ধান্তের বাইরে গিয়ে পক্ষে ভোট দিয়েছেন। এর আগের দুই বারেও ইরান যুদ্ধ বন্ধের প্রস্তাব পাস হয়েছিল, কিন্তু এবার রিপাবলিকান পার্টির সমর্থন বেড়েছে। কংগ্রেশনাল বাজেট অফিসের (সিবিও) সাম্প্রতিক প্রতিবেদন অনুযায়ী, গত ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু হওয়া এই যুদ্ধে মার্কিন সরকার ইতোমধ্যে ৩৮ বিলিয়ন ডলারেরও বেশি ব্যয় করেছে। প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, প্রতি মাসে যুদ্ধের খরচ বাড়ছে প্রায় ৩ বিলিয়ন ডলার।
প্রতিবেদনে আরও সতর্ক করে বলা হয়েছে, টানা ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা অভিযান পরিচালনা করায় মার্কিন বাহিনীর নিজস্ব ইন্টারসেপ্টর ক্ষেপণাস্ত্রের মজুত আশঙ্কাজনক হারে ফুরিয়ে আসছে। এই ঘাটতি পূরণ করে পূর্বাবস্থায় ফিরতে মার্কিন অস্ত্রাগারের কয়েক বছর সময় লেগে যেতে পারে।
মূলত ভিয়েতনাম যুদ্ধের পর পাস হওয়া ঐতিহাসিক ‘ওয়ার পাওয়ার্স অ্যাক্ট’-এর আওতায় এই পদক্ষেপ নিয়েছেন আইনপ্রণেতারা। এই আইন অনুযায়ী, দেশের বাইরে দীর্ঘমেয়াদী কোনো সামরিক অভিযান চালাতে হলে মার্কিন প্রেসিডেন্টের জন্য কংগ্রেসের আনুষ্ঠানিক অনুমোদন নেওয়া বাধ্যতামূলক। মার্কিন সংবিধান অনুযায়ী প্রেসিডেন্ট সশস্ত্র বাহিনীর সর্বাধিনায়ক হলেও, এই আইনের মাধ্যমে আইনপ্রণেতারা মার্কিন সেনা প্রত্যাহারের আদেশ দেওয়ার এখতিয়ার রাখেন।
"গত ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু হওয়া এই যুদ্ধে ওয়াশিংটনের ইতোমধ্যে ৩৮ বিলিয়ন ডলারেরও বেশি ব্যয় হয়েছে। বর্তমানে প্রতি মাসে প্রায় ৩ বিলিয়ন ডলার পর্যন্ত বাড়তি খরচ গুনতে হচ্ছে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: মার্কিন প্রতিনিধি পরিষদ (হাউস অব রিপ্রেজেন্টেটিভস), ওয়াশিংটন
- 👥 মুখ্য ব্যক্তি: ডেমোক্র্যাট আইনপ্রণেতারা, রিপাবলিকান পার্টির সাতজন আইনপ্রণেতা
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২২০-২০৪ (ভোট), ৩৮ বিলিয়ন ডলার (খরচ), ৩ বিলিয়ন ডলার (মাসিক খরচ)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!