📌 যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডা শেষ মুহূর্তে একটি সমঝোতায় পৌঁছেছে। ফলে যুক্তরাষ্ট্রে কানাডার পণ্য রপ্তানির ওপর আরোপিত ৫০ শতাংশ শুল্ক স্থগিত করা হয়েছে। দুই দেশের মধ্যে দীর্ঘদিনের বাণিজ্য বিরোধের অবসান ঘটাতে এই চুক্তি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে।
যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডা শেষ মুহূর্তে একটি সমঝোতায় পৌঁছেছে। ফলে যুক্তরাষ্ট্রে কানাডার পণ্য রপ্তানির ওপর আরোপিত ৫০ শতাংশ শুল্ক স্থগিত করা হয়েছে। দুই দেশের মধ্যে দীর্ঘদিনের বাণিজ্য বিরোধের অবসান ঘটাতে এই চুক্তি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডার মধ্যে শেষ মুহূর্তে সমঝোতা সম্পন্ন
- 📌 যুক্তরাষ্ট্রে কানাডার পণ্য রপ্তানির ওপর ৫০ শতাংশ শুল্ক স্থগিতাদেশ
- 📌 শুল্ক স্থগিতাদেশ কার্যকর হবে ২২ আগস্ট পর্যন্ত
- 📌 মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও কানাডার প্রধানমন্ত্রী মার্ক কার্নির বৈঠকে চুক্তি স্বাক্ষর
- 📌 প্রস্তাবিত শুল্কের আওতায় ছিল ইলেকট্রনিক পণ্য, শিল্পকারখানার যন্ত্রপাতি ও দুগ্ধজাত পণ্য
📰 বিস্তারিত
যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডা শেষ মুহূর্তে একটি সমঝোতায় পৌঁছেছে। ফলে যুক্তরাষ্ট্রে কানাডার পণ্য রপ্তানির ওপর আরোপিত ৫০ শতাংশ শুল্ক স্থগিত করা হয়েছে। দুই দেশের মধ্যে দীর্ঘদিনের বাণিজ্য বিরোধের অবসান ঘটাতে এই চুক্তি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে। স্থানীয় সময় মঙ্গলবার দিবাগত মধ্যরাত থেকে কানাডার পণ্যের ওপর ৫০ শতাংশ শুল্ক কার্যকর হওয়ার কথা ছিল। এর কিছুক্ষণ পর কানাডার প্রধানমন্ত্রী মার্ক কার্নি নিশ্চিত করেন, যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে শুল্ক আরোপ ২২ আগস্ট পর্যন্ত স্থগিত করা হয়েছে।
গতকাল মঙ্গলবার মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও কানাডার প্রধানমন্ত্রী মার্ক কার্নির বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। এর পরপরই এই ঘোষণা আসে। কয়েক সপ্তাহ ধরে দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্য নিয়ে টানাপোড়েন চলছিল। সেই পরিস্থিতিতে মতৈক্যে পৌঁছানোর লক্ষ্যেই তারা আলোচনা করেন।
প্রস্তাবিত শুল্ক কানাডার প্রায় ২ বিলিয়ন ডলারের পণ্য রপ্তানির ওপর কার্যকর হওয়ার কথা ছিল। এর আওতায় পড়ত ইলেকট্রনিক পণ্য, শিল্পকারখানার যন্ত্রপাতি, আসবাবপত্র, দুগ্ধজাত পণ্য ও ওয়াইনের মতো বিভিন্ন পণ্য।
"দুই দেশ একটি চুক্তিতে পৌঁছেছে, তবে সেটি এখনো চূড়ান্ত নথিপত্র সম্পন্ন হওয়ার ওপর নির্ভরশীল।"
ট্রাম্প তাঁর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে দেওয়া এক পোস্টে বলেন, এই সমঝোতার সঙ্গে তাঁর দীর্ঘদিনের একটি পরিকল্পনা, কিস্টোন এক্সএল পাইপলাইন পুনরুজ্জীবিত করার প্রচেষ্টাও যুক্ত। তিনি লিখেছেন, ‘অনেক আগেই স্লিপি জো বাইডেনের হাতে নিহত সেই মহান কিস্টোন এক্সএল পাইপলাইন হয়তো আবার কবর থেকে জেগে উঠতে পারে!’
কানাডার প্রধানমন্ত্রী মার্ক কার্নি অবশ্য বলেছেন, আলোচনায় ‘উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি’ হয়েছে, তবে এখনো ‘গুরুত্বপূর্ণ কিছু কাজ বাকি’ রয়েছে। এক বিবৃতিতে তিনি বলেন, ‘আমরা এই কাজ চালিয়ে যাওয়ার সময় কানাডা দেশের ভেতরে আরও শক্তিশালী, আরও স্বাধীন এবং আরও প্রতিযোগিতামূলক অর্থনীতি গড়ে তোলার দিকে মনোযোগী থাকবে।’
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ডোনাল্ড ট্রাম্প, মার্ক কার্নি
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৫০ শতাংশ, ২ বিলিয়ন ডলার, ২২ আগস্ট
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!