📌 পটুয়াখালীতে বসতবাড়িতে মারধর ও লুটপাটের অভিযোগে মোবাইল হাসপাতালের মালিক জাহিদ হাসানকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। হামলায় ভুক্তভোগী মাহফুজা বেগমের পা ভেঙে দেওয়া হয় এবং পরিবারের সদস্যদের আহত করা হয়। মামলায় ৫০ হাজার টাকা ও স্বর্ণালংকার লুট করা হয়েছে বলে অভিযোগ করা হয়েছে
পটুয়াখালীতে বসতবাড়িতে মারধর ও লুটপাটের ঘটনায় মোবাইল হাসপাতালের মালিক জাহিদ হাসানকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। রোববার (৪ অক্টোবর) পটুয়াখালী সদর থানার কর্মকর্তারা জাহিদ হাসানকে গ্রেপ্তার করে আদালতে সোপর্দ করেছেন। হামলায় ভুক্তভোগী মাহফুজা বেগমের পা ভেঙে দেওয়া হয় এবং পরিবারের সদস্যদের মারধর করে আহত করা হয়।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 পটুয়াখালী সদর থানার কর্মকর্তা মনিরুজ্জামান জানান, জাহিদ হাসানের নেতৃত্বে সাতজনের দল দেশীয় অস্ত্র নিয়ে বসতবাড়িতে হামলা চালায় এবং লুটপাট করে ৫০ হাজার টাকা ও স্বর্ণালংকার নিয়ে যায়।
- 📌 গত ২৬ সেপ্টেম্বর বিকেল ৩টায় মাহফুজা বেগমের বাড়িতে হামলাকারীরা রড দিয়ে মারধর করে তার পা ভেঙে দেয় এবং পরিবারের সদস্যদেরও আহত করে।
- 📌 ভুক্তভোগী মাহফুজা বেগমের ছেলে রায়হান ইসলামের সঙ্গে জাহিদ হাসানের বাকবিতণ্ডা হওয়ার পর ঘটনাটি ঘটে বলে অভিযোগ করা হয়েছে।
- 📌 ভুক্তভোগী পরিবার পটুয়াখালী আদালতে মামলা দায়ের করে জাহিদ হাসানকে গ্রেপ্তার করা হয়। অন্য আসামিদের গ্রেপ্তারের অভিযান চলছে।
📰 বিস্তারিত
পটুয়াখালী পৌর শহরের নতুন বাজার এলাকায় গত ২৬ সেপ্টেম্বর বিকেল ৩টার দিকে মাহফুজা বেগমের বাড়িতে মারধর ও লুটপাটের ঘটনা ঘটে। পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, জাহিদ হাসানের নেতৃত্বে সাতজনের একটি দল দেশীয় অস্ত্র নিয়ে বাড়িতে প্রবেশ করে ভাঙচুর ও লুটপাট চালায়। বাধা দিতে গিয়ে হামলাকারীরা রড দিয়ে মাহফুজা বেগমকে মারধর করে তার পা ভেঙে দেয় এবং পরিবারের সদস্যদেরও মারধর করে আহত করে। পরে ভুক্তভোগী পরিবারকে পটুয়াখালী ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। অবস্থার অবনতি হলে তাকে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়।
মামলায় আরও অভিযোগ করা হয়েছে যে, হামলাকারীরা বসতবাড়ি থেকে নগদ ৫০ হাজার টাকা ও তিন ভরি স্বর্ণালংকার নিয়ে যায়। ভুক্তভোগী পরিবারের দাবি, গত ২৪ সেপ্টেম্বর মোবাইল ফোন সংক্রান্ত বিষয়ে জাহিদ হাসানের সঙ্গে রায়হান ইসলামের বাকবিতণ্ডা হয়। এর জের ধরেই এই হামলার ঘটনা ঘটে বলে মনে করা হয়।
ভুক্তভোগী পরিবারের স্বামী ও মামলার বাদী রিয়াজ হাওলাদার বলেন, তিনি ব্যবসায়িক কাজে বাইরে ছিলেন। খবর পেয়ে বাড়িতে এসে স্ত্রী, ছেলে ও মেয়েকে আহত অবস্থায় দেখতে পান। তিনি জানান, হামলায় তার স্ত্রীর পা ভেঙে দেওয়া হয়েছে। তিনি একজন সাধারণ সবজি বিক্রেতা হিসেবে ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও দৃষ্টান্তমূলক বিচার দাবি করেছেন।
"আমি একজন সাধারণ সবজি বিক্রেতা। আমার স্ত্রীর পা ভেঙে দেওয়া হয়েছে। ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও দৃষ্টান্তমূলক বিচার দাবি করছি।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: পটুয়াখালী সদর, নতুন বাজার এলাকা, মাহফুজা বেগমের বাড়ি
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: জাহিদ হাসান (মালিক), মাহফুজা বেগম (ভুক্তভোগী), রিয়াজ হাওলাদার (বাদী), ওসি মনিরুজ্জামান
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৫০ হাজার টাকা, ৩ ভরি স্বর্ণালংকার, ২৫০ শয্যা হাসপাতাল, ২৬ সেপ্টেম্বর, ৩ টা, ২৪ সেপ্টেম্বর
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!