📌 জাতিসংঘের এপিসিআইসিটি গভর্নিং কাউন্সিলের ২১তম অধিবেশনে বাংলাদেশের প্রতিনিধি মোহাম্মদ আনোয়ার উদ্দিন চেয়ার নির্বাচিত হন। বাংলাদেশ ২০২৫-২০২৮ মেয়াদে আঞ্চলিক ডিজিটাল উন্নয়নে নেতৃত্ব দেবেন
জাতিসংঘের এশিয়া ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় অর্থনৈতিক ও সামাজিক কমিশনের (এসক্যাপ) আঞ্চলিক প্রতিষ্ঠান এপিসিআইসিটি গভর্নিং কাউন্সিলের চেয়ার হিসেবে বাংলাদেশের নাম নির্বাচিত হয়েছে। গত ৩ সেপ্টেম্বর থাইল্যান্ডের ব্যাংককে অনুষ্ঠিত ২১তম অধিবেশনে তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি বিভাগের অতিরিক্ত সচিব মোহাম্মদ আনোয়ার উদ্দিন এই গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 মোহাম্মদ আনোয়ার উদ্দিন এপিসিআইসিটি গভর্নিং কাউন্সিলের চেয়ার নির্বাচিত হন।
- 📌 বাংলাদেশ ২০২৫-২০২৮ মেয়াদে আঞ্চলিক ডিজিটাল উন্নয়ন ও তথ্যপ্রযুক্তি সক্ষমতা বৃদ্ধিতে নেতৃত্ব দেবেন।
- 📌 কাউন্সিলে বাংলাদেশের পাশাপাশি কম্বোডিয়া, ভারত, কাজাখস্তান, ফিলিপাইন, রাশিয়া, থাইল্যান্ড ও উজবেকিস্তান অন্তর্ভুক্ত।
- 📌 এপিসিআইসিটির প্রশিক্ষণ ও সক্ষমতা উন্নয়ন কর্মসূচায় সদস্যদেশগুলোর বাস্তব চাহিদার সঙ্গে আরও কার্যকরভাবে যুক্ত করার দিকনির্দেশনা দেওয়া হয়।
- 📌 মোহাম্মদ আনোয়ার উদ্দিন বলেন, বাংলাদেশের অভিজ্ঞতা আঞ্চলিক অংশীদারদের সঙ্গে জ্ঞান বিনিময় ও কারিগরি সহযোগিতার মাধ্যমে ফলপ্রসূ করবে।
📰 বিস্তারিত
থাইল্যান্ডের ব্যাংককে জাতিসংঘ সম্মেলন কেন্দ্রে অনুষ্ঠিত ২১তম অধিবেশনে বাংলাদেশের প্রতিনিধি মোহাম্মদ আনোয়ার উদ্দিন এপিসিআইসিটি গভর্নিং কাউন্সিলের চেয়ার নির্বাচিত হন। তিনি তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি বিভাগের অতিরিক্ত সচিব এবং এসপায়ার টু ইনোভেট (এটুআই) প্রকল্প পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। এ নির্বাচন বাংলাদেশের জন্য আঞ্চলিক ডিজিটাল রূপান্তর, জনসেবায় উদ্ভাবন এবং তথ্যপ্রযুক্তিভিত্তিক সক্ষমতা উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করার সুযোগ সৃষ্টি করেছে।
২০২৫-২০২৮ মেয়াদে বাংলাদেশ এপিসিআইসিটি গভর্নিং কাউন্সিলের নির্বাচিত সদস্য হিসেবে জ্ঞান ও অভিজ্ঞতা বিনিময়, কারিগরি সহযোগিতা এবং আঞ্চলিক অংশীদারত্বকে আরও জোরদারে নিয়ে যাবেন। কাউন্সিলে বাংলাদেশের পাশাপাশি কম্বোডিয়া, ভারত, কাজাখস্তান, ফিলিপাইন, রাশিয়া, থাইল্যান্ড ও উজবেকিস্তান অন্তর্ভুক্ত। স্বাগতিক দক্ষিণ কোরিয়াসহ মোট নয়টি দেশ কাউন্সিলে প্রতিনিধিত্ব করছে।
২১তম অধিবেশনে এপিসিআইসিটির প্রশাসনিক ও আর্থিক অবস্থা, গত অধিবেশনের পর বাস্তবায়িত কার্যক্রম এবং ২০২৭ সালের কর্মপরিকল্পনা পর্যালোচনা করা হয়। কর্মপরিকল্পনায় সদস্যদেশগুলোর মধ্যে জ্ঞান ও অভিজ্ঞতা বিনিময় এবং কারিগরি সহযোগিতা সম্প্রসারণের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি সরকারি প্রতিষ্ঠানের দক্ষতা, সুশাসন ও প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতা বৃদ্ধির বিষয়ে দিকনির্দেশনা দেওয়া হয়।
"এ নির্বাচন বাংলাদেশের জন্য সম্মানের পাশাপাশি গুরুত্বপূর্ণ একটি আঞ্চলিক দায়িত্ব। সদস্যদেশগুলোর বাস্তব প্রয়োজনের ভিত্তিতে জ্ঞান বিনিময় ও কারিগরি সহযোগিতাকে ফলপ্রসূ করাই হবে আমাদের অগ্রাধিকার। জনসেবা উদ্ভাবন, উপাত্তনির্ভর সিদ্ধান্ত গ্রহণ এবং অন্তর্ভুক্তিমূলক ডিজিটাল সক্ষমতা উন্নয়নে বাংলাদেশের অভিজ্ঞতা আমরা অন্য দেশগুলোর সঙ্গে ভাগ করে নিতে চাই।"
১ থেকে ৩ সেপ্টেম্বর অনুষ্ঠিত এসক্যাপের উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করেন মোহাম্মদ আনোয়ার উদ্দিন। ১ সেপ্টেম্বর এশিয়া-প্যাসিফিক ইনফরমেশন সুপারহাইওয়ে (এপিআইএস) পরিচালনা কমিটির দশম অধিবেশন এবং ২ সেপ্টেম্বর তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি, বিজ্ঞান, প্রযুক্তি ও উদ্ভাবনবিষয়ক এসক্যাপ কমিটির পঞ্চম অধিবেশন অনুষ্ঠিত হয়। এসব বৈঠকে এপিআইএস কর্মপরিকল্পনা ২০২৭-২০৩০ বাস্তবায়নের অগ্রাধিকার নিয়ে আলোচনা হয়।
১৫টি কার্যক্রম নিয়ে তৈরি এ পরিকল্পনার তিনটি প্রধান স্তম্ভ হলো সবার জন্য সংযোগ, উদীয়মান প্রযুক্তি ও স্মার্ট জনসেবা এবং ডিজিটাল উপাত্ত। বাংলাদেশ ডিজিটাল উপাত্তবিষয়ক তৃতীয় কার্যদলের ভাইস চেয়ার হিসেবে দায়িত্ব পালন করছে। এর মাধ্যমে উপাত্তের দায়িত্বশীল ব্যবস্থাপনা, আন্তদেশীয় জ্ঞান বিনিময় এবং উপাত্তনির্ভর জনসেবা উন্নয়নে বাংলাদেশের অংশগ্রহণ আরও জোরদার হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: থাইল্যান্ডের ব্যাংকক, জাতিসংঘ সম্মেলন কেন্দ্র
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মোহাম্মদ আনোয়ার উদ্দিন
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২০২৫-২০২৮ মেয়াদ, ২১তম অধিবেশন, ১৫টি কার্যক্রম
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!