📌 রাশিয়া-অধিকৃত ওলেশকির বাসিন্দারা প্রথমবারের মতো ৬ দিনের মানবিক বিরতির সুযোগে পরিবারের সাথে পুনর্মিলন করছেন। মার্কিন প্রথম দম্পতির মধ্যস্থতায় এই বিরতি সৃষ্টি হয়
রাশিয়া-অধিকৃত ওলেশকি শহরের বাসিন্দারা প্রথমবারের মতো ৬ দিনের মানবিক বিরতির সুযোগে পরিবারের সাথে পুনর্মিলন করছেন। মার্কিন প্রথম দম্পতির মধ্যস্থতায় এই বিরতি সৃষ্টি হয়, যা ২০২২ সাল থেকে রাশিয়ার পূর্ণাঙ্গ আক্রমণের পর থেকে সবচেয়ে দীর্ঘস্থায়ী। ওলেশকি শহর থেকে বেরিয়ে আসা বাসিন্দারা ইউক্রেনের চের্নিহিভ অঞ্চলের সীমান্তে পরিবারের সাথে পুনর্মিলন করছেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 মার্কিন প্রথম দম্পতি মেলানিয়া ট্রাম্প ও পোপ লিও XIV-এর মধ্যস্থতায় ওলেশকিতে প্রথমবারের মতো ৬ দিনের মানবিক বিরতি সৃষ্টি হয়, যা ২০২২ সালের রাশিয়ার আক্রমণ থেকে সবচেয়ে দীর্ঘস্থায়ী।
- 📌 ইউক্রেনের রাষ্ট্রপতি ভলোদিমির জেলেনস্কি টুইটে জানান, ওলেশকির বাসিন্দারা ইউক্রেনের সীমান্তে পৌঁছেছেন এবং তাদের প্রয়োজনীয় সহায়তা দেওয়া হবে।
- 📌 ওলেশকির বাসিন্দারা খাদ্য সংকটের কারণে ঘাস খেয়ে বেঁচে থাকতেন। একজন বয়স্ক ব্যক্তি বলেন, তিনি এক বছরেই ২০ কেজি ওজন হারিয়েছেন এবং হাসপাতালে চিকিৎসার প্রয়োজন পড়েছে।
- 📌 ওলেশকি থেকে বেরিয়ে আসার জন্য বাসিন্দাদের ক্রিমিয়া, রাশিয়া, বেলারুশ হয়ে যেতে হয়েছিল। তারা সেখানে পরিবারের সাথে পুনর্মিলন করছেন।
- 📌 ওলেশকিতে বর্তমানে ১,৭০০ জনের মতো বাসিন্দা রয়েছেন, যা যুদ্ধের আগে ছিল ২৪,০০০।
- 📌 রাশিয়ার মানবাধিকার কমিশনার ইয়ানা লান্ত্রাতোভা বলেন, ওলেশকিতে বাস করা বাসিন্দাদের অবস্থা কঠিন, কিন্তু তারা নিয়মিত মানবিক মিশন চালিয়ে যাবেন।
📰 বিস্তারিত
রাশিয়া-অধিকৃত ওলেশকি শহরের বাসিন্দারা প্রথমবারের মতো ৬ দিনের মানবিক বিরতির সুযোগে পরিবারের সাথে পুনর্মিলন করছেন। মার্কিন প্রথম দম্পতি মেলানিয়া ট্রাম্প ও পোপ লিও XIV-এর মধ্যস্থতায় এই বিরতি সৃষ্টি হয়, যা ২০২২ সালের রাশিয়ার পূর্ণাঙ্গ আক্রমণের পর থেকে সবচেয়ে দীর্ঘস্থায়ী। ওলেশকি শহর থেকে বেরিয়ে আসা বাসিন্দারা ইউক্রেনের চের্নিহিভ অঞ্চলের সীমান্তে পরিবারের সাথে পুনর্মিলন করছেন।
ইউক্রেনের রাষ্ট্রপতি ভলোদিমির জেলেনস্কি টুইটে জানান, ওলেশকির বাসিন্দারা ইউক্রেনের সীমান্তে পৌঁছেছেন এবং তাদের প্রয়োজনীয় সহায়তা দেওয়া হবে। তিনি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও প্রথম দম্পতিকে এই মানবিক বিরতির জন্য ধন্যবাদ জানান। তিনি আরও বলেন, “আগামী কদমগুলো শান্তি ও প্রকৃত শান্তির দিকে এগিয়ে যাওয়ার জন্য আরও প্রয়োজন।”
ওলেশকির বাসিন্দারা খাদ্য সংকটের কারণে ঘাস খেয়ে বেঁচে থাকতেন। একজন বয়স্ক ব্যক্তি বলেন, তিনি এক বছরেই ২০ কেজি ওজন হারিয়েছেন এবং হাসপাতালে চিকিৎসার প্রয়োজন পড়েছে। অন্য একজন বাসিন্দা সভিতলানা ইয়ারমাকোভা বলেন, তারা ঘাস ও বাঁধাকপি কেটে খেয়ে বেঁচে থাকতেন। তিনি আরও বলেন, তিনি মাইনফিল্ড পার হয়ে সাইকেলে চলে যেতেন খাদ্য সংগ্রহ করতে।
ওলেশকি থেকে বেরিয়ে আসার জন্য বাসিন্দাদের ক্রিমিয়া, রাশিয়া, বেলারুশ হয়ে যেতে হয়েছিল। তারা সেখানে পরিবারের সাথে পুনর্মিলন করছেন। সীমান্তে তাদের স্বাগত জানাতে ইউক্রেনের কর্মকর্তারা ব্যানার রাখেন “আপনি একাকী নন” এবং “আমরা হৃদয়ে আপনাদের আঁকড়ে ধরে রেখেছি”।
ওলেশকিতে বর্তমানে ১,৭০০ জনের মতো বাসিন্দা রয়েছেন, যা যুদ্ধের আগে ছিল ২৪,০০০। রাশিয়ার মানবাধিকার কমিশনার ইয়ানা লান্ত্রাতোভা বলেন, ওলেশকিতে বাস করা বাসিন্দাদের অবস্থা কঠিন, কিন্তু তারা নিয়মিত মানবিক মিশন চালিয়ে যাবেন। তিনি বলেন, “মিশন শেষ হয়েছে। আমরা নিয়মিত মানবিক মিশন চালিয়ে যাব, যা একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ।”
"ইউক্রেনীয় নাগরিকরা ওলেশকি থেকে ইউক্রেনের চের্নিহিভ অঞ্চলের সীমান্তে পৌঁছেছেন। তাদের সবার প্রয়োজনীয় সহায়তা দেওয়া হবে।"
"শান্তি ও প্রকৃত শান্তির দিকে এগিয়ে যাওয়ার জন্য আরও পদক্ষেপের প্রয়োজন।"
"আপনি একাকী নন"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ওলেশকি (রাশিয়া-অধিকৃত), ইউক্রেন-বেলারুশ সীমান্ত, চের্নিহিভ অঞ্চল
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ভলোদিমির জেলেনস্কি, ইয়ানা লান্ত্রাতোভা, সভিতলানা ইয়ারমাকোভা, মেলানিয়া ট্রাম্প, পোপ লিও XIV
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৬ দিনের মানবিক বিরতি, ২৪,০০০ (ওলেশকির পূর্ব যুদ্ধের জনসংখ্যা), ১,৭০০ (বর্তমান বাসিন্দা), ২০ কেজি (ওজন হ্রাস), ২০২২ (রাশিয়ার আক্রমণ)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!