📌 যুক্তরাজ্য যৌন অপরাধীদের যৌন উত্তেজনা নিয়ন্ত্রণে নতুন চিকিৎসা কর্মসূচি চালু করতে যাচ্ছে। ইংল্যান্ড ও ওয়েলসে পরীক্ষামূলকভাবে চালু হওয়া এ কর্মসূচি ২০২৮ সালের ডিসেম্বর থেকে আরও বিস্তৃতভাবে কার্যকর করার পরিকল্পনা রয়েছে।
যুক্তরাজ্য যৌন অপরাধীদের যৌন উত্তেজনা নিয়ন্ত্রণে নতুন একটি চিকিৎসা কর্মসূচি চালু করতে যাচ্ছে। ইংল্যান্ড ও ওয়েলসে পরীক্ষামূলকভাবে চালু হওয়া ‘মেডিকেশন টু ম্যানেজ প্রবলেম্যাটিক সেক্সুয়াল অ্যারাউজাল’ (MMPSA) নামে পরিচিত এই কর্মসূচি ২০২৮ সালের ডিসেম্বর থেকে কারাগার ও প্রবেশন সেবায় আরও বিস্তৃতভাবে চালুর সম্ভাবনা রয়েছে বলে জানা গেছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 যুক্তরাজ্য যৌন অপরাধীদের যৌন উত্তেজনা নিয়ন্ত্রণে নতুন চিকিৎসা কর্মসূচি চালু করতে যাচ্ছে
- 📌 MMPSA নামে পরিচিত কর্মসূচিটি ইংল্যান্ড ও ওয়েলসে পরীক্ষামূলকভাবে চালু রয়েছে
- 📌 প্রায় ১৫ হাজার যৌন অপরাধীর মধ্যে প্রায় ৩ হাজার ৭৫০ জনকে এ চিকিৎসার জন্য বিবেচনা করা হতে পারে
- 📌 আগামী নভেম্বর থেকে কর্মসূচিটি ১০টি থেকে বাড়িয়ে ২০টি কারাগারে চালু করার পরিকল্পনা রয়েছে
- 📌 বিশেষজ্ঞ বেলিন্ডা ওয়াইন্ডারের মতে, বাধ্যতামূলক পদ্ধতিতে বিপুলসংখ্যক বন্দিকে পরীক্ষা করা চিকিৎসা ও প্রশাসনিক ক্ষেত্রে বড় ধরনের চাপ তৈরি করতে পারে
📰 বিস্তারিত
যুক্তরাজ্য সরকার যৌন অপরাধীদের যৌন উত্তেজনা নিয়ন্ত্রণে নতুন একটি চিকিৎসা কর্মসূচি চালু করতে যাচ্ছে। ইংল্যান্ড ও ওয়েলসে পরীক্ষামূলকভাবে চালু হওয়া ‘মেডিকেশন টু ম্যানেজ প্রবলেম্যাটিক সেক্সুয়াল অ্যারাউজাল’ (MMPSA) নামে পরিচিত এই কর্মসূচি আগামী বছর থেকে আরও বিস্তৃতভাবে কার্যকর করার পরিকল্পনা রয়েছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, অতিরিক্ত ও নিয়ন্ত্রণের বাইরে যৌন চিন্তা, দীর্ঘস্থায়ী যৌন উত্তেজনা এবং ক্ষতিকর যৌন আচরণের প্রবণতা রয়েছে এমন বন্দিদের এ কর্মসূচির আওতায় আনা হবে।
চিকিৎসায় সেরট্রালিনের মতো সিলেক্টিভ সেরোটোনিন রিইউপটেক ইনহিবিটর (SSRI) ব্যবহারের সম্ভাবনা রয়েছে বলে জানা গেছে। সাধারণত বিষণ্নতা ও উদ্বেগের চিকিৎসায় ব্যবহৃত SSRI-এর পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া হিসেবে যৌন উত্তেজনা কমে যেতে পারে। এছাড়া, অ্যান্টি-অ্যান্ড্রোজেন ওষুধও ব্যবহারের পরিকল্পনা রয়েছে, যা টেস্টোস্টেরন উৎপাদন কমিয়ে যৌন আকাঙ্ক্ষা নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করবে।
তবে, বিশেষজ্ঞরা এ চিকিৎসা বাধ্যতামূলক করার বিষয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। বেলিন্ডা ওয়াইন্ডার বলেন, বিপুলসংখ্যক বন্দিকে পরীক্ষা করে যাদের সত্যিই এ চিকিৎসা প্রয়োজন, তাদের আলাদা করে শনাক্ত করতে হবে। তিনি আরও উল্লেখ করেন যে, বন্দিদের ইচ্ছার বিরুদ্ধে প্রতিদিন ওষুধ খাওয়ানোর ব্যবস্থা কার্যকর না-ও হতে পারে এবং এর ফলে চিকিৎসকদের সঙ্গে বন্দিদের আস্থার সম্পর্ক ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে।
"ওষুধের প্রভাব স্থায়ী নয়। তাই এ পদ্ধতি কার্যকর রাখতে নিয়মিত ওষুধ নিতে হবে। এছাড়া, দীর্ঘ সময় টেস্টোস্টেরন কমিয়ে রাখলে অস্টিওপোরোসিস ও হৃদরোগের ঝুঁকি বাড়তে পারে বলে উদ্বেগ রয়েছে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: যুক্তরাজ্য
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: বিশেষজ্ঞ বেলিন্ডা ওয়াইন্ডার
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: প্রায় ১৫ হাজার, প্রায় ৩ হাজার ৭৫০ জন
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!