📅 ৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০:১৫ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

জয়পুরহাটে ঋণ নিয়ে লাউ চাষে বিপর্যয়: রাতের আঁধারে কেটে দেওয়া হলো পুরো খেত

জয়পুরহাটে ঋণ নিয়ে লাউ চাষে বিপর্যয়: রাতের আঁধারে কেটে দেওয়া হলো পুরো খেত

📷 ছবি: DBC News

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 ডিবিসি নিউজ ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 জয়পুরহাটের ক্ষেতলালে এনজিও ঋণ নিয়ে লাউ চাষ করা কৃষক শরণ্যচন্দ্র বর্মনের পুরো খেত রাতের আঁধারে কেটে দেওয়া হয়েছে। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবার এখন ঋণ পরিশোধ ও সংসার চালাতে হিমশিম খাচ্ছে। স্থানীয় প্রশাসন ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে

জয়পুরহাটের ক্ষেতলাল উপজেলায় এনজিও থেকে ঋণ নিয়ে লাউ চাষ করা এক কৃষকের পুরো খেত রাতের আঁধারে কেটে দেওয়া হয়েছে। ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারটি এখন চরম বিপাকে পড়েছে। বৃহস্পতিবার সকালে ক্ষেতলাল উপজেলার বড়তারা ইউনিয়নের হার্টশহর গ্রামের সোনারপাড়া এলাকায় গিয়ে দেখা যায়, ১৬ শতাংশ জমিতে চাষ করা লাউগাছগুলো সম্পূর্ণ কাটা অবস্থায় পড়ে রয়েছে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 জয়পুরহাটের ক্ষেতলাল উপজেলায় এনজিও ঋণ নিয়ে লাউ চাষ করা কৃষক শরণ্যচন্দ্র বর্মনের পুরো খেত রাতের আঁধারে কেটে দেওয়া হয়েছে
  • 📌 ক্ষতিগ্রস্ত খেতের আয়তন ১৬ শতাংশ, যেখানে লাউ চাষ করা হয়েছিল
  • 📌 কৃষকের স্ত্রী মাধবী রানী কান্নায় ভেঙে পড়েন, জানান সংসার চালাতে পারবেন না বলে
  • 📌 স্থানীয় কৃষক মিজানুর রহমান দ্রুত অপরাধীদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনার দাবি জানান
  • 📌 ক্ষেতলাল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মুক্তারুল আলম ঘটনার তদন্ত শুরু করেছেন

📰 বিস্তারিত

ক্ষেতলাল উপজেলার বড়তারা ইউনিয়নের হার্টশহর গ্রামের সোনারপাড়া এলাকায় অবস্থিত ওই লাউখেতটি ছিল কৃষক শরণ্যচন্দ্র বর্মনের জীবিকার প্রধান উৎস। এনজিও থেকে ঋণ নিয়ে তিনি ১৬ শতাংশ জমি বর্গা নিয়ে লাউ চাষ করেছিলেন। বৃহস্পতিবার সকালে খেতে গিয়ে দেখেন, রাতের কোনো এক সময় দুর্বৃত্তরা সব লাউগাছের গোড়া কেটে দিয়ে গেছে। ফলে লাউ ধরার আগেই পুরো ফসল নষ্ট হয়ে যায়।

ক্ষতিগ্রস্ত কৃষক শরণ্যচন্দ্র বর্মন জানান, লাউ চাষে তাঁর প্রায় সকল সঞ্চয় ও ঋণ ব্যয় হয়েছে। এখন ফসল নষ্ট হওয়ায় ঋণের টাকা পরিশোধ করা নিয়ে তাঁর পরিবার চরম অনিশ্চয়তার মধ্যে রয়েছে। তাঁর স্ত্রী মাধবী রানী কান্নাজড়িত কণ্ঠে বলেন, 'ঋণ নিয়ে জমি বর্গা নিয়েছিলাম। শত্রুতামূলকভাবে আমাদের সব গাছ কেটে ফেলা হলো। ঘরে মেয়েসন্তানের লেখাপড়ার খরচসহ সংসার কীভাবে চালাব, তার কোনো পথ খুঁজে পাচ্ছি না।'

স্থানীয় কৃষক মিজানুর রহমান এই ঘটনাকে ন্যাক্কারজনক উল্লেখ করে দ্রুত অপরাধীদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনার দাবি জানান। ক্ষেতলাল উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মল্লিকা রানী সেহানবীশ জানান, সরকারি ক্ষতিপূরণের সরাসরি ব্যবস্থা না থাকলেও ভবিষ্যতে সরকারি প্রণোদনার আওতায় ওই কৃষককে আনার চেষ্টা করা হবে।

‘লাউ ধরার আগেই গাছগুলো কেটে দেওয়ায় তাঁর পুরো পরিশ্রম ও বিনিয়োগ নষ্ট হয়ে গেছে। এখন ঋণের টাকা পরিশোধ করা নিয়ে দিশেহারা হয়ে পড়েছেন তিনি।’

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: জয়পুরহাট জেলার ক্ষেতলাল উপজেলার বড়তারা ইউনিয়নের হার্টশহর গ্রামের সোনারপাড়া এলাকা
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: শরণ্যচন্দ্র বর্মন (কৃষক), মাধবী রানী (তাঁর স্ত্রী), মল্লিকা রানী সেহানবীশ (উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা), মুক্তারুল আলম (থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা)
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১৬ শতাংশ (ক্ষতিগ্রস্ত জমির পরিমাণ)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖