📅 ৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০:১৫ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

মিয়ানমারের প্রতিশ্রুতি: বাস্তুচ্যুতদের নিরাপদ প্রত্যাবাসন, তবে রোহিঙ্গা পরিচয় অস্বীকার

মিয়ানমারের প্রতিশ্রুতি: বাস্তুচ্যুতদের নিরাপদ প্রত্যাবাসন, তবে রোহিঙ্গা পরিচয় অস্বীকার

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 মিয়ানমার সরকার বিদেশে অবস্থানরত বাস্তুচ্যুত নাগরিকদের নিরাপদ ও মর্যাদাপূর্ণ প্রত্যাবাসনের প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। তবে দেশটিতে রোহিঙ্গা জাতিগোষ্ঠীর অস্তিত্ব অস্বীকার করে তারা জানিয়েছে, রোহিঙ্গারা তাদের নাগরিক নয়। আগামী সেপ্টেম্বরে প্রথম ধাপে দেড় হাজার নাগরিককে ফিরিয়ে নেওয়ার পরিকল্পনা চলছে

মিয়ানমার সরকার বিদেশে অবস্থানরত বাস্তুচ্যুত নাগরিকদের ‘নিরাপদ ও মর্যাদাপূর্ণ’ উপায়ে স্বেচ্ছায় দেশে ফিরিয়ে নেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। বৃহস্পতিবার দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে এ ঘোষণা দেওয়া হয়। তবে একই সঙ্গে মিয়ানমার রোহিঙ্গা জাতিগোষ্ঠীর অস্তিত্ব অস্বীকার করেছে এবং তাদের নিজেদের নাগরিক হিসেবে স্বীকৃতি দিতে অস্বীকার করে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 মিয়ানমার সরকার বিদেশে অবস্থানরত বাস্তুচ্যুত নাগরিকদের নিরাপদ ও মর্যাদাপূর্ণ প্রত্যাবাসনের প্রতিশ্রুতি দিয়েছে
  • 📌 দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, রোহিঙ্গা জাতিগোষ্ঠীর অস্তিত্ব মিয়ানমারে কখনো ছিল না বলে দাবি করেছে
  • 📌 আগামী সেপ্টেম্বরের শেষ দিকে প্রথম ধাপে দেড় হাজার নাগরিককে মিয়ানমারে ফিরিয়ে নেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে
  • 📌 মিয়ানমার থেকে পালিয়ে আসা রোহিঙ্গাদের সংখ্যা প্রায় ১২ লাখ, যারা বর্তমানে বাংলাদেশে অবস্থান করছে
  • 📌 মালয়েশিয়ায় আরও এক লাখ ছয় হাজার রোহিঙ্গা এবং অন্যান্য জাতিগোষ্ঠীর বাস্তুচ্যুত নাগরিক রয়েছেন

📰 বিস্তারিত

মিয়ানমারের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বিবৃতিতে বলা হয়েছে, তারা যাচাই-বাছাই করা বাস্তুচ্যুত ব্যক্তিদের নিরাপদ ও মর্যাদাপূর্ণ উপায়ে স্বেচ্ছায় দেশে ফিরিয়ে নিতে বাংলাদেশ ও অন্যান্য বন্ধুপ্রতিম দেশের সঙ্গে নিবিড়ভাবে কাজ করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। তবে দেশটির সরকার রোহিঙ্গা জাতিগোষ্ঠীর অস্তিত্ব অস্বীকার করে জানিয়েছে, রোহিঙ্গারা বাংলাদেশ থেকে আসা অভিবাসীদের বংশধর। এমনকি তারা ‘রোহিঙ্গা’ শব্দটি ব্যবহারেরও বিরোধিতা করেছে।

এর আগে জুলাই মাসে মালয়েশিয়া জানিয়েছিল, মিয়ানমার পাঁচ হাজার রোহিঙ্গাকে ফিরিয়ে নিতে রাজি হয়েছে। তবে আগামী সেপ্টেম্বরের শেষ দিকে প্রথম ধাপে দেড় হাজার নাগরিককে ফিরিয়ে নেওয়ার পরিকল্পনা চলছে। যদিও এই দেড় হাজারের মধ্যে কতজন রোহিঙ্গা থাকবেন, তা এখনো স্পষ্ট নয়।

জাতিসংঘের মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেসের সাম্প্রতিক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মিয়ানমারে রোহিঙ্গাদের স্বেচ্ছা, নিরাপদ, মর্যাদাপূর্ণ ও টেকসই প্রত্যাবাসনের মতো পরিবেশ বর্তমানে নেই। অধিকারকর্মীদের আশঙ্কা, রোহিঙ্গাদের পরিচয় মুছে ফেলার কারণে তাদের ফিরিয়ে নেওয়া হলে নতুন করে নির্যাতনের শিকার হওয়ার ঝুঁকি রয়েছে।

"রোহিঙ্গা শব্দটি দিয়ে এমন এক জাতিগত পরিচয়ের মিথ্যা দাবি করা হয়, যার অস্তিত্ব মিয়ানমারে কখনোই ছিল না।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: মিয়ানমার, বাংলাদেশ, মালয়েশিয়া
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মিয়ানমার সরকার, রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠী
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১২ লাখ, ১ লাখ ৬ হাজার, দেড় হাজার

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖