📌 ইরানের পারমাণবিক নিরস্ত্রীকরণ প্রক্রিয়ায় অংশ না নেওয়ায় দক্ষিণ কোরিয়ার সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের যৌথ সামরিক মহড়ার পরিসর কমিয়ে আনবেন বলে ঘোষণা দিয়েছেন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প। উত্তর কোরিয়ার সঙ্গে তাঁর ব্যক্তিগত সম্পর্কের উল্লেখ করে তিনি মহড়ার ব্যয় ও রাজনৈতিক বার্তার সমালোচনা করেন
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দক্ষিণ কোরিয়ার সঙ্গে যৌথ সামরিক মহড়ার পরিসর উল্লেখযোগ্যভাবে কমিয়ে আনবেন বলে ঘোষণা দিয়েছেন। ইরানের পারমাণবিক নিরস্ত্রীকরণ প্রক্রিয়ায় দক্ষিণ কোরিয়া যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে যোগ না দেওয়ায় তিনি ক্ষুব্ধ হন। নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে দেওয়া পোস্টে ট্রাম্প লেখেন, "এই মহড়াগুলো শুধু যে ব্যয়বহুল তা-ই নয়, 'বরাবরের মতো' এর বড় অংশের খরচ যুক্তরাষ্ট্রকেই বহন করতে হয়। একই সঙ্গে এগুলো পুরোপুরি অনুচিত ও বৈরী একটি বার্তা দেয়।"
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 দক্ষিণ কোরিয়ার সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের যৌথ সামরিক মহড়া কমানোর ঘোষণা দিয়েছেন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প
- 📌 ইরানের পারমাণবিক নিরস্ত্রীকরণ প্রক্রিয়ায় দক্ষিণ কোরিয়া অংশ না নেওয়ায় ক্ষুব্ধ ট্রাম্প
- 📌 ট্রাম্পের দাবি, মহড়ার ব্যয়ের বেশিরভাগই বহন করে যুক্তরাষ্ট্র
- 📌 উত্তর কোরিয়ার নেতা কিম জং উনের সঙ্গে তাঁর ব্যক্তিগত সম্পর্কের উল্লেখ করেন ট্রাম্প
- 📌 দক্ষিণ কোরিয়ার রাজধানী সোল জানায়, মহড়া নির্ধারিত সূচি অনুযায়ী চলবে
📰 বিস্তারিত
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দক্ষিণ কোরিয়ার সঙ্গে যৌথ সামরিক মহড়ার পরিসর কমিয়ে আনবেন বলে ঘোষণা দিয়েছেন। ইরানের পারমাণবিক নিরস্ত্রীকরণ প্রক্রিয়ায় দক্ষিণ কোরিয়া যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে যোগ না দেওয়ায় তিনি ক্ষুব্ধ হন। নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে দেওয়া পোস্টে ট্রাম্প লেখেন, মহড়াগুলো ব্যয়বহুল হওয়ার পাশাপাশি যুক্তরাষ্ট্রকেই এর বেশিরভাগ খরচ বহন করতে হয়। একই সঙ্গে তিনি এ মহড়াকে পুরোপুরি অনুচিত ও বৈরী বার্তা হিসেবে অভিহিত করেন।
ট্রাম্প আরও উল্লেখ করেন, মহড়া বাতিল করার জন্য এখন অনেক দেরি হয়ে গেছে। কারণ আগামী সোমবার থেকে যুক্তরাষ্ট্র ও দক্ষিণ কোরিয়ার বার্ষিক যৌথ সামরিক মহড়া শুরু হওয়ার কথা রয়েছে। তিনি লেখেন, "ব্যাপারটা কিছুটা অপ্রাসঙ্গিক হলেও (?), সম্প্রতি আমি দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্টকে জিজ্ঞাসা করেছিলাম যে তারা ইরানের পারমাণবিক নিরস্ত্রীকরণ মিশনে আমাদের সাথে যোগ দিতে চায় কী-না, কিন্তু তারা আমাকে বলেছে, 'না, ধন্যবাদ!'"
ট্রাম্পের এই ঘোষণার ২৪ ঘণ্টারও কম সময় আগে তিনি ২০১৮ সালে কিম জং উনের সঙ্গে তোলা নিজের একটি পুরোনো ছবি পোস্ট করেন। সেখানে তিনি লেখেন, ছবিতে তাঁদের সম্পর্ক বন্ধুত্বপূর্ণ না হলেও বাস্তবে তাঁরা দুজন খুব ভালো বন্ধু।
গত সপ্তাহে যুক্তরাষ্ট্র ও দক্ষিণ কোরিয়ার সামরিক কর্মকর্তারা যৌথ সংবাদ সম্মেলনে 'উলচি ফ্রিডম শিল্ড' নামে সামরিক মহড়ার ঘোষণা দেন। তাঁরা জানান, ১১ দিনের এ মহড়া আগের বছরগুলোর মতোই হবে। এতে দক্ষিণ কোরিয়ার প্রায় ১৮ হাজার সেনাসদস্য অংশ নেবেন।
এদিকে, দক্ষিণ কোরিয়ার সঙ্গে যৌথ সামরিক মহড়ার পরিসর কমানোর সিদ্ধান্ত ট্রাম্প এবারই প্রথম নেননি। ২০১৮ সালে কিম জং উনের সঙ্গে পরমাণু নিরস্ত্রীকরণ নিয়ে আলোচনার সময় তিনি মহড়া পুরোপুরি স্থগিত করেছিলেন। এরপর কোভিড-১৯ মহামারির সময় ২০২০ সালেও মহড়ার পরিসর কমানো হয়েছিল।
"এই মহড়াগুলো শুধু যে ব্যয়বহুল তা-ই নয়, 'বরাবরের মতো' এর বড় অংশের খরচ যুক্তরাষ্ট্রকেই বহন করতে হয়। একই সঙ্গে এগুলো পুরোপুরি অনুচিত ও বৈরী একটি বার্তা দেয়।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ওয়াশিংটন ডিসি, যুক্তরাষ্ট্র
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ডোনাল্ড ট্রাম্প
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১১ দিন, ১৮ হাজার সেনা, ২৪ ঘণ্টা
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!