📌 আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, রাশিয়া ও ইউক্রেনের মধ্যে সম্ভাব্য সমাধান নিকটবর্তী। তিনি সাদা ঘরেই রাশিয়ার বিশেষ দূত কিরিল ডমিত্রিয়েভের সাথে সাক্ষাৎ করেন। প্রথম দম্পতিরা যুদ্ধবিরতির উদ্যোগে অংশ নেন, যেখানে ৮০০ জন বেসামরিক নাগরিককে নিরাপদে বের করা হয়।
আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, রাশিয়া ও ইউক্রেনের মধ্যে যুদ্ধের সম্ভাব্য সমাধান নিকটবর্তী। তিনি সাদা ঘরে রাশিয়ার রাষ্ট্রপতি ভ্লাদিমির পুতিনের বিশেষ দূত কিরিল ডমিত্রিয়েভের সাথে সাক্ষাৎ করেন। ট্রাম্প ওভাল অফিসে প্রতিবেদকদের বলেন, “আমি মনে করি রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের সমাধান নিকটবর্তী।” তবে তিনি সাক্ষাৎকারের বিস্তারিত প্রকাশ করেননি।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 **রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের সম্ভাব্য সমাধান**: ট্রাম্প বলেন, “একটি বড় চুক্তি হবে, যা ইউক্রেনের চেয়ে বেশি জড়িত থাকবে — সম্ভবত পুরো ইউরোপকে অন্তর্ভুক্ত করবে”।
- 📌 **সাক্ষাৎকারে ইউক্রেনের প্রতিনিধি অংশ নেননি**: ট্রাম্প জানান, তিনি ইউক্রেনের প্রতিনিধিদলকে সাক্ষাৎকারে ডাকেননি।
- 📌 **মেলানিয়া ট্রাম্পের উদ্যোগে যুদ্ধবিরতি**: প্রথম দম্পতিরা রাশিয়া ও ইউক্রেনের প্রতিনিধিদের সাদা ঘরে নিয়ে আসেন, যাতে ২০২৬ সালের অক্টোবরে খেরসন অঞ্চলের ওলেশকি শহরে ছয় দিনের যুদ্ধবিরতি সফল হয়।
- 📌 **৮০০ জন বেসামরিক নাগরিককে রক্ষা**: যুদ্ধবিরতির সময় ৮০০ জন বেসামরিক নাগরিক ও খাদ্য ও চিকিৎসা সরঞ্জাম নিয়ে শহর থেকে বের করা হয়।
- 📌 **প্রথম দম্পতির ঐতিহাসিক উদ্যোগ**: মেলানিয়া ট্রাম্প প্রথমবারের মতো সাদা ঘরে যুদ্ধরত দুই দেশের প্রতিনিধিদের নিয়ে আসেন। তিনি প্রতিনিধিদের পুতিন ও জেলেনস্কির কাছে নিজের ব্যক্তিগত চিঠি দেন।
- 📌 **রাশিয়া ও ইউক্রেনের প্রতিনিধিরা উপস্থিত**: সাক্ষাৎকারে অংশ নেন কিরিল ডমিত্রিয়েভ, রাশিয়ার মানবাধিকার কমিশনার ইয়ানা লান্ত্রাতোভা, ইউক্রেনের সাংসদীয় দল ‘সারভেন্ট অব দ্য পিপল’ নেতা ডেভিড আরাখামিয়া ও ইউক্রেনের সাংসদীয় মানবাধিকার কমিশনার দিমিত্রো লুবিনেটস।
- 📌 **মেলানিয়া ট্রাম্পের সম্মাননা**: ইউক্রেনের রাষ্ট্রপতি ভোলোদিমির জেলেনস্কি মেলানিয়া ট্রাম্পকে ‘প্রিন্সেস অলগা’ পুরস্কার প্রদান করেন, যা যুদ্ধবিরতির জন্য তার ভূমিকা স্বীকৃতি হিসেবে দেওয়া হয়।
📰 বিস্তারিত
ডোনাল্ড ট্রাম্পের সাক্ষাৎকারের সময় তিনি বলেন, “একটি চুক্তি হবে। এটি একটি বড় চুক্তি হবে, যা ইউক্রেনের চেয়ে বেশি জড়িত থাকবে — সম্ভবত পুরো ইউরোপকে অন্তর্ভুক্ত করবে।” তবে তিনি কোনো বিস্তারিত প্রকাশ করেননি। ট্রাম্পের সাক্ষাৎকারের আগে রাশিয়ার বিশেষ দূত কিরিল ডমিত্রিয়েভের সাথে সাক্ষাৎ হয়।
মেলানিয়া ট্রাম্পের উদ্যোগে রাশিয়া ও ইউক্রেনের প্রতিনিধিদের সাদা ঘরে নিয়ে আসা হয়। এই সাক্ষাৎকারে প্রথম দম্পতিরা যুদ্ধবিরতির উদ্যোগের অংশ হিসেবে রাশিয়া ও ইউক্রেনের প্রতিনিধিদের নিয়ে আসেন। মেলানিয়া ট্রাম্প বলেন, “আমরা একত্রে একটি স্থায়ী সমাধান তৈরি করতে পারি — যা একটি মাত্র যুদ্ধবিরতির চেয়ে বেশি দীর্ঘস্থায়ী হবে।” তিনি যুদ্ধবিরতিকে “অন্ধকার বিশ্বে একটি জ্বালা” বলে আখ্যায়িত করেন।
২০২৬ সালের অক্টোবরে খেরসন অঞ্চলের ওলেশকি শহরে ছয় দিনের যুদ্ধবিরতি সফল হয়। এই যুদ্ধবিরতির সময় ৮০০ জন বেসামরিক নাগরিক ও খাদ্য ও চিকিৎসা সরঞ্জাম নিয়ে শহর থেকে বের করা হয়। এই যুদ্ধবিরতির সময় রাশিয়ার বিশেষ দূত কিরিল ডমিত্রিয়েভ, রাশিয়ার মানবাধিকার কমিশনার ইয়ানা লান্ত্রাতোভা, ইউক্রেনের সাংসদীয় দল ‘সারভেন্ট অব দ্য পিপল’ নেতা ডেভিড আরাখামিয়া ও ইউক্রেনের সাংসদীয় মানবাধিকার কমিশনার দিমিত্রো লুবিনেটস উপস্থিত ছিলেন।
মেলানিয়া ট্রাম্প প্রতিনিধিদের পুতিন ও জেলেনস্কির কাছে নিজের ব্যক্তিগত চিঠি দেন। রাশিয়ার প্রতিনিধি কিরিল ডমিত্রিয়েভ মেলানিয়া ট্রাম্পকে একটি ১১ বছর বয়সী মেয়ে কর্তৃক চিত্রকর্ম উপহার দেন। অন্যদিকে, ইউক্রেনের রাষ্ট্রপতি ভোলোদিমির জেলেনস্কি মেলানিয়া ট্রাম্পকে ‘প্রিন্সেস অলগা’ পুরস্কার প্রদান করেন, যা যুদ্ধবিরতির জন্য তার ভূমিকা স্বীকৃতি হিসেবে দেওয়া হয়।
"আমি মনে করি রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের সমাধান নিকটবর্তী।"
"একটি চুক্তি হবে। এটি একটি বড় চুক্তি হবে, যা ইউক্রেনের চেয়ে বেশি জড়িত থাকবে — সম্ভবত পুরো ইউরোপকে অন্তর্ভুক্ত করবে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: সাদা ঘর (ওভাল অফিস), মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ডোনাল্ড ট্রাম্প, কিরিল ডমিত্রিয়েভ, মেলানিয়া ট্রাম্প, ভ্লাদিমির পুতিন, ভোলোদিমির জেলেনস্কি
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৮০০ জন বেসামরিক নাগরিক (ওলেশকি শহর থেকে বের করা হয়)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!