📌 বাংলা সাহিত্যের প্রসিদ্ধ লেখক যতীন সরকার নিজের জীবন ও শিক্ষকতা জীবনের কথা বলেছেন। তিনি বলেছেন, শিক্ষক হিসেবে তিনি সার্থক মনে করেন। জেলখানায় বসে তিনি ‘ব্যাকরণের ভয় অকারণ’ বই লিখেছিলেন
বাংলা সাহিত্যের একজন বিখ্যাত লেখক ও শিক্ষক যতীন সরকার নিজের জীবনযাত্রা ও শিক্ষকতা জীবনের গভীরতা নিয়ে আলোচনা করেছেন। তিনি বলেছেন, তার জীবনে কোনো অপূর্ণতা ছিল না, কারণ তিনি যা চেয়েছিলেন তা পেয়েছেন। শিক্ষক হিসেবে সার্থকতা পাওয়াই তার জীবনের সর্বোচ্চ স্বপ্ন ছিল।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 যতীন সরকার বলেছেন, তার জীবনের স্বপ্ন ছিল শিক্ষক হিসেবে সার্থকতা পাওয়া, যা তিনি পেয়েছেন।
- 📌 তিনি বলেছেন, ‘শিক্ষক’ হিসেবে তিনি সার্থক মনে করেন, কিন্তু লেখালেখিতে নিজের লেখা পছন্দ হয় না।
- 📌 ছেলেবেলা থেকেই তিনি অপাঠ্য বই পড়ার প্রতি আগ্রহী ছিলেন। শরৎচন্দ্র ও বঙ্কিমচন্দ্রের বই পড়েছেন ম্যাট্রিক পাস করার আগেই।
- 📌 ম্যাট্রিক পরীক্ষায় তিনি ৩৩ নম্বর পেয়েছিলেন, যা তখন পাসের নম্বর ৩০-এর চেয়ে বেশি ছিল।
- 📌 জেলখানায় বসে তিনি ‘ব্যাকরণের ভয় অকারণ’ নামে একটি প্রবন্ধের বই লিখেছিলেন।
- 📌 তিনি বলেছেন, দারিদ্র্যের সঙ্গে সংগ্রাম করে তিনি শিক্ষকতা জীবন গড়েছেন।
📰 বিস্তারিত
যতীন সরকার বলেছেন, তার জীবনে অপূর্ণতা ছিল না। তিনি বলেছেন, ‘আমার জীবনে যা চেয়েছি, তা খুব সাধারণ চাওয়া ছিল।’ তিনি ছেলেবেলা থেকেই অপাঠ্য বই পড়ার প্রতি আগ্রহী ছিলেন। ক্লাস থ্রী থেকে শুরু করে তিনি শরৎচন্দ্রের বই পড়তেন। ম্যাট্রিক পরীক্ষায় তিনি ৩৩ নম্বর পেয়েছিলেন, যা তখন পাসের নম্বর ৩০-এর চেয়ে বেশি ছিল। তিনি গর্ব করে বলতেন, ‘৩ নম্বর বেশি পেয়েছি।’
অধ্যাপক সুদেন্দ্র চক্রবর্তীর বক্তৃতা শুনে তিনি সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন যে, তিনি একজন শিক্ষক হতে চান। তিনি বলেছেন, ‘কলেজের প্রফেসরের চেয়ে বড় আর কিছু নয়। কাজেই আমাকে প্রফেসর হতে হবে।’ তিনি দারিদ্র্যের সঙ্গে সংগ্রাম করে শিক্ষকতা জীবন গড়েছেন। তিনি বলেছেন, ‘দারিদ্র্যের সঙ্গে সহাবস্থান করেই এ জীবন চালিয়ে এসেছি।’
জেলখানায় বসে তিনি ভাবতেন, তার লেখালেখির কিছু নেই। তখন তিনি ‘ব্যাকরণের ভয় অকারণ’ নামে একটি প্রবন্ধের বই লিখেছিলেন। তিনি বলেছেন, ‘ব্যাকরণ হলো একটি রসকষহীন বিষয়। কিন্তু আমার ব্যাকরণ ক্লাসে আনন্দমোহন কলেজের ছাত্ররাও এসে ক্লাস করত।’
"আমি ব্যাকরণ পড়াতাম। ব্যাকরণ হলো একটি রসকষহীন বিষয়। অনেকেই বোঝে না। কিন্তু আমার ব্যাকরণ ক্লাসে আনন্দমোহন কলেজের ছাত্ররাও এসে ক্লাস করত। কাজেই এ ব্যাকরণটাই আমি যেভাবে পড়াতে পারতাম, সেখানে আর কেউ পড়াতে পারত না।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: আনন্দমোহন কলেজ, ঢাকা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: যতীন সরকার
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৩৩ (ম্যাট্রিক নম্বর), ৩০ (পাসের নম্বর), ১৪ (আগস্ট)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!