📌 পঞ্চগড়ের বোদা উপজেলার বড়শশী ইউনিয়নের কৃষকরা দাবি করছেন, ফসলে পোকার আক্রমণে ধান নষ্ট হলেও দায়িত্বপ্রাপ্ত কৃষি কর্মকর্তা কোনো পরামর্শ দেন না। উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা মো. আসাদুজ্জামান সরকারের বিরুদ্ধে অবহেলার অভিযোগ তুলেছেন কৃষকরা। উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা বলেছেন, অভিযোগ যাচাই করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে
পঞ্চগড়ের বোদা উপজেলায় ফসলের পোকার আক্রমণে কৃষকদের ক্ষতি হচ্ছে, কিন্তু দায়িত্বপ্রাপ্ত কৃষি কর্মকর্তা তাদের সহায়তা করছেন না। বড়শশী ইউনিয়নের কৃষকরা দাবি করছেন, পোকার আক্রমণে ধানের ক্ষতি সত্ত্বেও উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা মো. আসাদুজ্জামান সরকারের কাছ থেকে কোনো পরামর্শ পাননি। কৃষকদের অভিযোগ, কর্মকর্তা নিয়মিত এলাকায় উপস্থিত হন না, ফলে তারা ফসলের সমস্যা সমাধানে বঞ্চিত হচ্ছেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 পঞ্চগড় বোদা উপজেলার বড়শশী ইউনিয়নের ৭টি গ্রামের কৃষকরা দাবি করছেন, পোকার আক্রমণে ধানের ক্ষতি হলেও দায়িত্বপ্রাপ্ত উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা মো. আসাদুজ্জামান সরকারের কাছ থেকে কোনো সহায়তা পাননি।
- 📌 মায়াপাড়া গ্রামের কৃষক দুলাল ইসলামের ২২ বিঘা জমির ধান পোকার আক্রমণে নষ্ট হলেও কর্মকর্তা কোনো পরামর্শ দেননি।
- 📌 উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা মো. আসাদুজ্জামান সরকার দাবি করেছেন, কৃষকরা তাঁকে চিনতে পারেন না এবং তাঁর বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ করা হচ্ছে।
- 📌 বোদা উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা রাশেদুন্নবী রাশেদ বলেছেন, অভিযোগ যাচাই করে বিধিমোতাবেক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
- 📌 কৃষকদের অভিযোগ, কৃষি কর্মকর্তারা মাঠ পরিদর্শন করেন না এবং নিয়মিত কৃষক গ্রুপের সভা হয় না।
📰 বিস্তারিত
বোদা উপজেলার বড়শশী ইউনিয়নের মায়াপাড়া গ্রামের কৃষক দুলাল ইসলামের মন ভারাক্রান্ত। তাঁর ২২ বিঘা জমির ধান পোকার আক্রমণে নষ্ট হলেও দায়িত্বপ্রাপ্ত উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা কোনো সহায়তা বা পরামর্শ দেননি। একই ধরনের অভিযোগ করেছেন ইউনিয়নের অন্যান্য গ্রামের কৃষকরা, যেমন চিলাপাড়া, ডাঙ্গাপাড়া, কোনাবালাপাড়া, সর্দারপাড়া, বালাপাড়া, অমরখানা ও সবুজপাড়া এলাকার কৃষকরা।
কৃষক তরিকুল ইসলাম বলেছেন, তিনি প্রতিবছর প্রায় ২২ বিঘা জমিতে বেগুন, শাকসবজি ও ধান চাষ করেন। কিন্তু দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তার কাছ থেকে কোনো পরামর্শ পাননি। অন্যদিকে, অমরখানা গ্রামের কৃষক বাবুল হোসেন বলেছেন, তিনি প্রায় পাঁচ বিঘা জমিতে চাষ করছেন, কিন্তু সরকারের কৃষি প্রশিক্ষণ ও প্রণোদনার কথা শুনলেও কোনো সহায়তা পাননি।
মঞ্জুরুল ইসলাম, যিনি সরকারপাড়া গ্রামের বাসিন্দা, জানান, তাঁদের এলাকায় কৃষি কর্মকর্তা বা দায়িত্বপ্রাপ্ত উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তাকে নিয়মিত দেখা যায় না। ফলে কৃষকরা ফসলের সমস্যা সমাধানে বঞ্চিত হচ্ছেন। কৃষকদের অভিযোগ, ফসলের রোগবালাই ও পোকামাকড়ের আক্রমণ দেখা দিলেও অনেক সময় কৃষি বিভাগের পরামর্শ পাওয়া যায় না।
উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা মো. আসাদুজ্জামান সরকার জানিয়েছেন, তিনি যাঁদের সঙ্গে যোগাযোগ করেন, তাঁদের কৃষি বিষয়ে পরামর্শ দেন। তবে তিনি দাবি করেছেন, কৃষকরা তাঁকে চিনতে পারেন না এবং তাঁর বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ করা হচ্ছে।
"অনেক কৃষক আমাকে চিনতে নাও পারেন। তবে যাঁরা আমার সঙ্গে যোগাযোগ করেন, তাঁদের কৃষি বিষয়ে পরামর্শ দেওয়া হয়।" — মো. আসাদুজ্জামান সরকার, উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা
বোদা উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা রাশেদুন্নবী রাশেদ জানিয়েছেন, কৃষকদের অভিযোগের বিষয়ে তিনি অবগত। তিনি বলেছেন, অভিযোগগুলো যাচাই করে উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তাদের বিষয়ে বিধিমোতাবেক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: বোদা উপজেলা, পঞ্চগড়, বড়শশী ইউনিয়নের মায়াপাড়া, চিলাপাড়া, ডাঙ্গাপাড়া, কোনাবালাপাড়া, সর্দারপাড়া, বালাপাড়া, অমরখানা ও সবুজপাড়া গ্রাম
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: দুলাল ইসলাম, তরিকুল ইসলাম, বাবুল হোসেন, মঞ্জুরুল ইসলাম, মো. আসাদুজ্জামান সরকার, রাশেদুন্নবী রাশেদ
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২২ বিঘা (জমি), ৩২ সেকেন্ড (ভিডিও দৈর্ঘ্য)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!