📌 ইরানের সমর্থিত হুথি বিদ্রোহীদের বিরুদ্ধে যেমেন সরকারের নতুন সামরিক অভিযান 'ডোওন অব ইয়েমেন' শুরু হয়েছে। সৌদি আরবের বিমান সমর্থন এবং মার্কিন পরামর্শদাতাদের সহায়তায় সরকারি বাহিনী হুথিদের দখলকৃত অঞ্চল পুনরুদ্ধারের চেষ্টা করছে, বিশেষত বাব আল-মন্দেব প্রণালী ও সানার মতো গুরুত্বপূর্ণ এলাকাগুলোতে।
ইরানের সমর্থিত হুথি বিদ্রোহীদের বিরুদ্ধে যেমেনের সরকারি বাহিনী নতুন সামরিক অভিযান শুরু করেছে। 'ডোওন অব ইয়েমেন' নামক এই অভিযানের মাধ্যমে সরকারি বাহিনী হুথিদের দখলকৃত অঞ্চল পুনরুদ্ধারের চেষ্টা করছে। বিশেষত বাব আল-মন্দেব প্রণালী, যা বিশ্বের গুরুত্বপূর্ণ জলপথগুলির মধ্যে একটি, হুথিদের দখল থেকে মুক্ত করার লক্ষ্যে এই অভিযান শুরু হয়েছে। তবে সরকারি বাহিনীর মূল লক্ষ্য হচ্ছে হুথিদের দখলকৃত সারা দেশ, বিশেষত রাজধানী সানাকে পুনরুদ্ধার করা, যা তারা ২০১৪ সাল থেকে দখল করে আছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 অভিযান ডোওন অব ইয়েমেন শুরু হয়েছে, লক্ষ্য হুথিদের দখলকৃত বাব আল-মন্দেব প্রণালী ও সানা পুনরুদ্ধার করা।
- 📌 সৌদি আরব প্রথমবারের মতো চার বছর পর ১০০টি যুদ্ধবিমান নিয়ে অভিযানে অংশগ্রহণ করেছে।
- 📌 মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ২০০ জন পরামর্শদাতা পাঠিয়েছে, যারা বাহিনীকে বুদ্ধিমত্তা ও লক্ষ্যবস্তু চিহ্নিতকরণে সহায়তা করছে।
- 📌 জায়ান্টস ব্রিগেডস (ইউএই-এর প্রশিক্ষিত) ও সৌদি-মার্কিন সমন্বিত কমান্ড অভিযানে নতুন রণকৌশল নিয়ে এগিয়ে যাচ্ছে।
- 📌 হুথিদের বাব আল-মন্দেব প্রণালীর উচ্চভূমি দখল করতে ব্যর্থতা তাদের জন্য বিপদসূচক হয়ে দাঁড়িয়েছে।
📰 বিস্তারিত
ইয়েমেনের সরকারি বাহিনী ৬ অক্টোবর ২০২৬ তারিখে 'ডোওন অব ইয়েমেন' নামক সামরিক অভিযান শুরু করেছে। এই অভিযানের মাধ্যমে তারা হুথিদের দখলকৃত বাব আল-মন্দেব প্রণালী পুনরুদ্ধারের চেষ্টা করছে, যা বিশ্বের গুরুত্বপূর্ণ জলপথগুলির মধ্যে একটি। তবে সরকারি বাহিনীর মূল লক্ষ্য হচ্ছে হুথিদের দখলকৃত সারা দেশ, বিশেষত রাজধানী সানাকে পুনরুদ্ধার করা, যা তারা ২০১৪ সাল থেকে দখল করে আছে।
সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, এই অভিযানে সৌদি আরবের ১০০টি যুদ্ধবিমান অংশগ্রহণ করেছে, যা চার বছর পর প্রথমবারের মতো এই ধরনের অভিযানে অংশগ্রহণ করছে। এই বিমান সমর্থন সরকারি বাহিনীকে হুথিদের বিরুদ্ধে বিভিন্ন ফ্রন্টে আক্রমণ করতে সাহায্য করছে, বিশেষত তাইজ, মারিব ও আল-জাউফ এলাকায়।
সৌদি আরবের বিমান হামলার দ্রুততা ও সঠিকতা উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে, যা ২০১৫ সালে সৌদি নেতৃত্বাধীন গোষ্ঠীর হুথি বিরোধী বোমাবর্ষণের সময়ের তুলনায় আরও উন্নত। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ২০০ জন পরামর্শদাতা সৌদি আরবে অবস্থান করছেন এবং এই অভিযানে সহায়তা করছেন। তারা বুদ্ধিমত্তা ও লক্ষ্যবস্তু চিহ্নিতকরণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন।
লেবাননের অবসরপ্রাপ্ত জেনারেল এলিয়াস হান্না বলেছেন, এই সমন্বিত কমান্ড স্ট্রাকচার হচ্ছে সামরিক সফলতার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তিনি বলেছেন, “একটি কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব অভিযান পরিচালনা করছে এবং ভূমি বাহিনী ও বিমান বাহিনীর মধ্যে সমন্বয় সাধন করছে। বিমান বাহিনী আক্রমণ করে, কিন্তু ভূমি বাহিনীকে অবশ্যই দখলকৃত এলাকা অধিকার করতে হবে, সেখানে অবস্থান করতে হবে এবং নিয়ন্ত্রণ করতে হবে।”
এছাড়াও, জায়ান্টস ব্রিগেডস নামক একটি বাহিনী এই অভিযানে উল্লেখযোগ্য ভূমিকা পালন করছে। এই বাহিনীটি পূর্বে সংযুক্ত আরব আমিরাতের প্রশিক্ষণ লাভ করেছে। তারা হুথিদের বিরুদ্ধে নতুন রণকৌশল নিয়ে এগিয়ে যাচ্ছে, যা আগস্ট মাসের তুলনায় সরকারি বাহিনীর অবস্থানকে আরও শক্তিশালী করেছে।
"বিমান হামলার গতি ও সঠিকতা আগের তুলনায় অনেক উন্নত হয়েছে"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: বাব আল-মন্দেব প্রণালী, সানা (ইয়েমেন), তাইজ, মারিব, আল-জাউফ
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: এলিয়াস হান্না (লেবাননের অবসরপ্রাপ্ত জেনারেল), মাগেদ আল-মাদজাহি (সানা সেন্টার ফর স্ট্র্যাটেজিক স্টাডিজের চেয়ারম্যান)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১০০টি যুদ্ধবিমান (সৌদি আরব), ২০০ জন মার্কিন পরামর্শদাতা
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!