📅 ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১:২৫ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

টেলিনর মিয়ানমারে মানবতাবিরোধী অপরাধে সহায়তা দিয়েছিলো? নরওয়ের পুলিশ তদন্ত শুরু করে নিষেধাজ্ঞা লঙ্ঘনের অভিযোগে

টেলিনর মিয়ানমারে মানবতাবিরোধী অপরাধে সহায়তা দিয়েছিলো? নরওয়ের পুলিশ তদন্ত শুরু করে নিষেধাজ্ঞা লঙ্ঘনের অভিযোগে

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 মিয়ানমারে সামরিক অভ্যুত্থানের পর মানবতাবিরোধী অপরাধে সহায়তার অভিযোগে টেলিনরকে নরওয়ের পুলিশ তদন্তের মুখে ফেলেছে। প্রতিষ্ঠানটি সামরিক সরকারকে গ্রাহকদের যোগাযোগ তথ্য সরবরাহ করে বলে অভিযোগ করা হয়েছে। টেলিনর বলেছে, তারা কোনো বিকল্প ছিল না

মিয়ানমারে সামরিক অভ্যুত্থানের পর মানবতাবিরোধী অপরাধে সহায়তার অভিযোগে নরওয়ের পুলিশ টেলিনরকে তদন্তের মুখে ফেলেছে। গত মঙ্গলবার নরওয়ের ন্যাশনাল ক্রিমিনাল ইনভেস্টিগেশন সার্ভিস ও পিএসটি সংস্থা টেলিনরের সদর দপ্তরে অভিযান চালিয়ে এই তথ্য প্রকাশ করেছে। প্রতিষ্ঠানটির বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা লঙ্ঘনেরও অভিযোগ রয়েছে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 মিয়ানমারে সামরিক অভ্যুত্থানের পর টেলিনরকে মানবতাবিরোধী অপরাধে সহায়তার অভিযোগে নরওয়ের পুলিশ তদন্ত শুরু করেছে।
  • 📌 টেলিনর মিয়ানমারের গ্রাহকদের যোগাযোগ তথ্য সামরিক সরকারকে সরবরাহ করেছিলো, যখন বেসামরিক জনগোষ্ঠীর বিরুদ্ধে নিপীড়ন চলছিল।
  • 📌 ২০২২ সালে টেলিনর মিয়ানমার থেকে ব্যবসা বিক্রি করে নেয়, কিন্তু নিষেধাজ্ঞা লঙ্ঘনের অভিযোগে তদন্ত চলছে।
  • 📌 অধিকারকর্মীদের সংগঠন জাস্টিস ফর মিয়ানমার বলেছে, টেলিনর সামরিক বাহিনীর কাছে নজরদারি সরঞ্জাম হস্তান্তর করেছিলো।
  • 📌 টেলিনর বলেছে, তারা কোনো বিকল্প ছিল না এবং কর্মীদের জীবন ঝুঁকিতে ফেলতে পারেনি।

📰 বিস্তারিত

মিয়ানমারে ২০২১ সালের সামরিক অভ্যুত্থানের পর থেকে টেলিনরকে মানবতাবিরোধী অপরাধে সহায়তার অভিযোগে নরওয়ের পুলিশ তদন্তের মুখে ফেলেছে। গত মঙ্গলবার নরওয়ের ন্যাশনাল ক্রিমিনাল ইনভেস্টিগেশন সার্ভিস ও পিএসটি সংস্থা টেলিনরের সদর দপ্তরে অভিযান চালিয়ে এই তথ্য প্রকাশ করেছে। পুলিশের বিবৃতিতে বলা হয়েছে, টেলিনর মিয়ানমারের গ্রাহকদের যোগাযোগ তথ্য বারবার সামরিক সরকারের হাতে তুলে দিয়েছে। এই সময়ে সামরিক সরকার বেসামরিক জনগোষ্ঠীর বিরুদ্ধে ব্যাপক নিপীড়ন চালাচ্ছিল।

টেলিনর ২০২২ সালের মার্চে মিয়ানমার থেকে কার্যক্রম পুরোপুরি গুটিয়ে নেয়। প্রতিষ্ঠানটি বলেছে, তারা নরওয়ের তদন্তকারীদের সঙ্গে সহযোগিতা করছে এবং ঘটনাটি স্পষ্ট করার জন্য সব কিছু করবে। তবে নিষেধাজ্ঞা লঙ্ঘনের অভিযোগে তদন্ত চলছে। পুলিশ জানিয়েছে, মিয়ানমারে টেলিনরের ব্যবসা বিক্রির সঙ্গে ‘নিষেধাজ্ঞার আওতায় থাকা নজরদারি সরঞ্জাম’ হস্তান্তরও করা হয়েছিল।

সুইডেনের একটি অলাভজনক সংস্থা টেলিনর–মিয়ানমারের বিরুদ্ধে মামলা করে। এতে অভিযোগ করা হয়, মিয়ানমারের সামরিক জান্তা রাজনৈতিক বিরোধী হিসেবে বিবেচিত ব্যক্তিদের ফোন কল ও অবস্থান তথ্য টেলিনর দিয়েছিল। এর ফলে একজন বিশিষ্ট অধিকারকর্মীর মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয়েছিল। টেলিনর বলেছে, ‘ওই সামরিক অভ্যুত্থানটি ছিল মিয়ানমারের মানুষের জন্য একটি শোচনীয় ঘটনা। আমরা এমন এক অসম্ভব পরিস্থিতিতে পড়ে গিয়েছিলাম, যেখানে ভালো কোনো বিকল্প ছিল না।’

অধিকারকর্মীদের সংগঠন জাস্টিস ফর মিয়ানমারের মুখপাত্র ইয়াদানার মং বলেছেন, ‘মিয়ানমারে নরওয়ের আইন ও আন্তর্জাতিক আইন লঙ্ঘনের ঘটনায় টেলিনরের বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু করার বিষয়ে পুলিশের সিদ্ধান্তকে আমরা স্বাগত জানাই।’ সংগঠনটি নরওয়ের তদন্তকারীদের কাছে তাদের অভিযোগ তুলে ধরার জন্য ইন্টারন্যাশনাল কমিশন অব জুরিস্টসের (আইসিজে) সঙ্গে কাজ করেছে।

"টেলিনর কীভাবে সামরিক বাহিনীর সঙ্গে সংশ্লিষ্ট একটি কোম্পানির কাছে নজরদারি সরঞ্জাম হস্তান্তর করেছে এবং সামরিক জান্তার সঙ্গে সংবেদনশীল তথ্য বিনিময় করেছে, তার বিস্তারিত তথ্য আইসিজে নরওয়ের সঙ্গে আমরা যৌথভাবে পুলিশের কাছে যে অভিযোগ জমা দিয়েছি, তাতে তুলে ধরা হয়েছে।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: মিয়ানমার, নরওয়ে, সুইডেন
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: টেলিনর, ইয়াদানার মং (জাস্টিস ফর মিয়ানমার), নরওয়ের পুলিশ
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২০২১ (সামরিক অভ্যুত্থান), ২০২২ (ব্যবসা বিক্রি), ২০২৬ (বর্তমান তদন্ত)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖