📌 ভারতের সুপ্রিম কোর্ট নাগরিকত্ব প্রমাণের সুযোগ না দিয়ে বাংলাদেশে জোরপূর্বক ঠেলে দেওয়ার অভিযোগে ভারত সরকারের নোটিশ জারি করেছে। শাহিন ফকিরের মা এই ঘটনার শিকার নারী হিসেবে উল্লেখিত
ভারতের সুপ্রিম কোর্ট নাগরিকত্ব প্রমাণের কোনো সুযোগ না দিয়ে বাংলাদেশে জোরপূর্বক ঠেলে দেওয়ার অভিযোগে ভারত সরকারের নোটিশ জারি করেছে। এই ঘটনায় পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য সরকারেরও ব্যাখ্যা চেয়েছে আদালত। শাহিন ফকির নামের এক যুবক ‘হেবিয়াস করপাস’ রিট আবেদনের শুনানিতে প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত, বিচারপতি জয়মাল্য বাগচী ও বিচারপতি ভি মোহনোরের সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চ এ আদেশ দিয়েছেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ভারতের সুপ্রিম কোর্ট নাগরিকত্ব প্রমাণের সুযোগ না দিয়ে বাংলাদেশে জোরপূর্বক ঠেলে দেওয়ার অভিযোগে ভারত সরকারের নোটিশ জারি করেছে।
- 📌 শাহিন ফকিরের মা এই ঘটনার শিকার নারী হিসেবে ‘পুশ আউটি’ হিসেবে উল্লেখিত। তাঁর স্থায়ী ঠিকানা পশ্চিমবঙ্গের উত্তর চব্বিশ পরগনা জেলার গোবিন্দপুরে।
- 📌 ‘হেবিয়াস করপাস’ রিট আবেদনের শুনানিতে প্রবীণ আইনজীবী ও ওডিশা হাইকোর্টের সাবেক প্রধান বিচারপতি শ্রীনিবাসন মুরলিধর আবেদনকারীর পক্ষে অংশগ্রহণ করেছেন।
- 📌 কলকাতার আইনজীবী ঝুমা সেনসহ বেশ কয়েকজন আইনজীবী তাঁর পক্ষে উপস্থিত ছিলেন।
- 📌 শ্রীনিবাসন মুরলিধর সম্প্রতি ফিলিস্তিন ভূখণ্ডসংক্রান্ত জাতিসংঘের স্বাধীন আন্তর্জাতিক তদন্ত কমিশনের চেয়ারপারসনের দায়িত্ব পালন করেছেন।
📰 বিস্তারিত
শাহিন ফকিরের পিটিশনে তাঁর মাকে আটক ব্যক্তি বলার বদলে বলপূর্বক বিতাড়িত ব্যক্তি বা ‘পুশ আউটি’ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। শাহিন ফকিরের দাবি, মায়ের স্থায়ী ঠিকানা পশ্চিমবঙ্গের উত্তর চব্বিশ পরগনা জেলার গোবিন্দপুরে এবং তিনি একজন ভারতীয় নাগরিক।
শুনানিতে শ্রীনিবাসন মুরলিধর তাঁর নেতৃত্বাধীন জাতিসংঘের তদন্ত কমিশন ফিলিস্তিনে শিশুদের ওপর সরাসরি ও ইচ্ছাকৃতভাবে আক্রমণের বিষয়ে তথ্য প্রকাশ করেছেন। এই তথ্যগুলো আদালতের শুনানিতে আলোচনার বিষয় হয়ে উঠেছে।
সুপ্রিম কোর্টের বেঞ্চ এই ঘটনায় ভারতের কেন্দ্রীয় সরকার ও পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য সরকারের কাছে ব্যাখ্যা চেয়ে নোটিশ জারি করেছে। এই ঘটনায় আইনজীবীদের দাবি, নাগরিকত্ব প্রমাণের সুযোগ না দিয়ে বাংলাদেশে ঠেলে দেওয়া একটি মানবাধিকার লঙ্ঘন।
"আমার মা একজন ভারতীয় নাগরিক এবং তাঁকে নাগরিকত্ব প্রমাণের সুযোগ না দিয়ে বাংলাদেশে ঠেলে দেওয়া হয়েছে। এটি মানবাধিকার লঙ্ঘন।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: কলকাতা (ভারত), পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য, উত্তর চব্বিশ পরগনা জেলা (গোবিন্দপুর)
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: শাহিন ফকির, শ্রীনিবাসন মুরলিধর, সূর্য কান্ত, জয়মাল্য বাগচী, ভি মোহনোরের, ঝুমা সেন
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১ (পিটিশন), ৩ (বিচারপতি)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!