📅 ১৯ আগস্ট ২০২৬, ৯:২২ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

সিরিয়ার গুপ্তচরপ্রধান হুসাম লুকার লুকিয়ে থাকার খোঁজ

সিরিয়ার গুপ্তচরপ্রধান হুসাম লুকার লুকিয়ে থাকার খোঁজ

📷 BBC Bangla

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 বিবিসি বাংলা ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 সিরিয়ার গোয়েন্দাপ্রধান হুসাম লুকার লুকিয়ে থাকার খোঁজ মিলেছে একটি পরিত্যক্ত অ্যাপার্টমেন্টে পাওয়া ফোনবুক থেকে। তার বিরুদ্ধে নৃশংসতার অভিযোগ রয়েছে

সিরিয়ার রাজধানী দামেস্কের একটি পরিত্যক্ত বিলাসবহুল অ্যাপার্টমেন্টে পাওয়া ফোনবুক থেকে গোয়েন্দাপ্রধান হুসাম লুকার লুকিয়ে থাকার খোঁজ মিলেছে। তার বিরুদ্ধে নৃশংসতা ও পদ্ধতিগত নির্যাতনের অভিযোগ রয়েছে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 সিরিয়ার গোয়েন্দাপ্রধান হিসেবে পরিচিত হুসাম লুকা ছিলেন আসাদের অন্যতম শীর্ষ সহযোগী।
  • 📌 যুক্তরাজ্য, যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপীয় ইউনিয়ন তার ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছিল।
  • 📌 তার বিরুদ্ধে নৃশংসতা ও পদ্ধতিগত নির্যাতনের অভিযোগ রয়েছে।
  • 📌 ২০২৪ সালের ডিসেম্বরে আসাদ ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার পর লুকা উধাও হয়ে যান।

📰 বিস্তারিত

সিরিয়ার রাজধানী দামেস্কের একটি পরিত্যক্ত বিলাসবহুল অ্যাপার্টমেন্টে সামরিক পোশাক পরা সশস্ত্র ব্যক্তিরা ডিজাইনার পোশাক ও নথিপত্র খুঁজছিলেন। ঝাড়বাতির নিচে ছড়িয়ে ছিল একই ব্যক্তির বিভিন্ন পরিবেশে তোলা ডজনখানেক ছবি। পাশে স্তূপ করে রাখা স্বর্ণপদক ও সোনালি সনদপত্রে ব্যক্তিটির নাম ছিল হুসাম লুকা। তিনি 'দ্য স্পাইডার' নামে পরিচিত ছিলেন।

সিরিয়ার সবচেয়ে শক্তিশালী বেসামরিক গোয়েন্দা সংস্থার প্রধান হিসেবে লুকা ছিলেন দেশের অন্যতম ভয়ের ব্যক্তিদের একজন। তার কাজ পরিচালিত হতো আড়াল থেকে। আসাদ ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার পর তিনি উধাও হয়ে যান। তার পেছনে রয়ে যায় অসংখ্য উত্তরহীন প্রশ্ন ও ন্যায়বিচারের দাবি।

আসাদের অ্যাপার্টমেন্টে পাওয়া একটি নোটবুকে কয়েক ডজন নাম লেখা ছিল। সেখানে দোকানদার, চিকিৎসক, সামরিক কর্মকর্তা থেকে শুরু করে লুকা পরিবারের সদস্যদের নামও ছিল। দেয়ালে লেখা ফোন নম্বর ছিল লুকার নিজের ফোন নম্বর বলে ধারণা করা হয়।

লুকা ছিলেন পলিটিক্যাল সিকিউরিটি ডিরেক্টরেটের স্থানীয় প্রধান। তিনি হোমস শহরের বিদ্রোহী নিয়ন্ত্রিত এলাকাগুলো সরকারি অবরোধ থেকে পুনরুদ্ধারের দায়িত্বে ছিলেন। সেসময় বিদ্রোহীরা খাদ্য ও ওষুধ সংগ্রহে হিমশিম খাচ্ছিলেন।

সাবেক বিদ্রোহী যোদ্ধা মোতাজ আল-জায়েদিসহ কয়েকজন জানান, তারা বেঁচে থাকার জন্য ইঁদুর পর্যন্ত খেয়েছিলেন। আল-জায়েদি বলেন, তার এলাকায় একটি দেয়ালে লুকার নাম ও ফোন নম্বর লেখা ছিল। ধারণা করা হয়, কিছু মানুষকে লুকা নিরাপদে শহর ছাড়ার অনুমতি দিয়েছিলেন।

বিদ্রোহী গোষ্ঠীর ভেতরেও তার তথ্যদাতা ও সহযোগীদের বিস্তৃত নেটওয়ার্ক ছিল। তারা তাকে 'দ্য স্পাইডার' নামে ডাকতেন। আল-জায়েদি তাকে 'অশুভ প্রতিভা' এবং 'চতুর শিয়াল' বলে বর্ণনা করেন।

লুকার বিরুদ্ধে সবচেয়ে গুরুতর অভিযোগ ছিল ২০১৫ সালের সেপ্টেম্বরে সংঘটিত 'ঈদ গণহত্যা'-য় তার জড়িত থাকার অভিযোগ। যুক্তরাষ্ট্র তার ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপের সময় এই ঘটনার উল্লেখ করেছিল।

২০১৫ সালের সেপ্টেম্বরে ঈদুল আজহার সময়, মোহাম্মদ তাওয়াকাতলির সাত বছর বয়সী ছেলে ওয়ায়েল আল-ওয়ায়ের এলাকায় খেলার মাঠে বাগান করছিল। বিকেল ৫টায় বিদ্যুৎ চলে যাওয়ার পর হামলার ঘটনা শুরু হয়।

মোহাম্মদ তাওয়াকাতলি বলেন, "ওরা ছিল ছোট ছোট শিশু। এই মাটি রক্তে লাল হয়ে গিয়েছিল।"

"সে ছিল সর্বত্র।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: দামেস্ক, সিরিয়া
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: হুসাম লুকা, বাশার আল-আসাদ, মোতাজ আল-জায়েদি, মোহাম্মদ তাওয়াকাতলি
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২৮ জন নিহত, ৫১ টি সনদপত্র

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖