📅 ২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৩:২৪ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

সিরিয়ায় অবৈধ পারমাণবিক কর্মকাণ্ড: আইএইএ’র প্রতিবেদনে উন্মোচিত আল-আসাদ সরকারের গোপন চুল্লি প্রকল্প

সিরিয়ায় অবৈধ পারমাণবিক কর্মকাণ্ড: আইএইএ’র প্রতিবেদনে উন্মোচিত আল-আসাদ সরকারের গোপন চুল্লি প্রকল্প

📷 ছবি: আল জাজিরা

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 Al Jazeera ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 জাতিসংঘের পারমাণবিক পর্যবেক্ষক সংস্থা আইএইএ জানিয়েছে, সিরিয়ার পূর্বাঞ্চলীয় দেইর আল-জোরে অবৈধ পারমাণবিক চুল্লি নির্মাণের চেষ্টা চালিয়েছিল সাবেক প্রেসিডেন্ট বাশার আল-আসাদের সরকার। ২০২৪ সালে ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার পর নতুন সরকার আইএইএকে তদন্তে সহযোগিতা করছে।

জাতিসংঘের পারমাণবিক পর্যবেক্ষক সংস্থা ইন্টারন্যাশনাল অ্যাটমিক এনার্জি এজেন্সি (আইএইএ) সিরিয়ার পূর্বাঞ্চলীয় দেইর আল-জোর এলাকায় সাবেক প্রেসিডেন্ট বাশার আল-আসাদের শাসনামলে অবৈধ পারমাণবিক চুল্লি নির্মাণের প্রচেষ্টার বিষয়টি নিশ্চিত করেছে। মঙ্গলবার সংবাদ সংস্থাগুলোর কাছে প্রকাশিত গোপন প্রতিবেদনে আইএইএ জানায়, সংস্থাটি আগস্ট মাসে সিরিয়ার একাধিক স্থানে পরিদর্শন ও যাচাই কার্যক্রম পরিচালনা করেছে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 সিরিয়ার দেইর আল-জোরে অবৈধ পারমাণবিক চুল্লি নির্মাণের প্রচেষ্টা চালিয়েছিল আল-আসাদ সরকার
  • 📌 আইএইএ’র প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, খননকাজের ফলে উন্মোচিত শীতলীকরণ অবকাঠামো পারমাণবিক চুল্লির সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ
  • 📌 ২০০৭ সালে ইসরায়েলের বিমান হামলায় ধ্বংস হওয়া সিরিয়ার পারমাণবিক স্থাপনাটি সম্পর্কে আল-আসাদ সরকার কখনোই পূর্ণাঙ্গ জবাব দেয়নি
  • 📌 ২০২৪ সালে ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার পর নতুন সিরীয় সরকার আইএইএকে তদন্তে সহযোগিতা করছে
  • 📌 আইএইএ দেইর আল-জোরে প্রায় ৭৩ মেট্রিক টন প্রাকৃতিক ইউরেনিয়াম শনাক্ত করেছে

📰 বিস্তারিত

আইএইএ’র প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, দেইর আল-জোরে খননকাজের ফলে উন্মোচিত শীতলীকরণ অবকাঠামো পারমাণবিক চুল্লির সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ বলে নিশ্চিত হয়েছে। সংস্থাটি জানায়, খননকাজ চলমান থাকায় তারা স্থানে পর্যবেক্ষণ অব্যাহত রাখবে। সিরিয়া উত্তর কোরিয়ার সহায়তায় দেইর আল-জোরে পারমাণবিক চুল্লি নির্মাণের প্রচেষ্টা চালিয়েছিল বলে ধারণা করা হয়। ২০০৭ সালে ইসরায়েলের বিমান হামলায় এই স্থাপনাটি ধ্বংস হওয়ার পর সিরিয়া স্থলভাগ সমতল করে দেয় এবং আইএইএ’র প্রশ্নের জবাব কখনোই পুরোপুরি দেয়নি।

আইএইএ’র মহাপরিচালক রাফায়েল গ্রসি ও উচ্চ পর্যায়ের পরিদর্শকদের একটি দল সিরিয়া সফরে গিয়ে পূর্বে অঘোষিত একটি স্থাপনা পরিদর্শন করেন। জুলাই মাসের ১৭ তারিখে নতুন সিরীয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে আইএইএকে চিঠির মাধ্যমে স্থাপনাটির বিষয়ে অবহিত করা হয় এবং তদন্তে সহযোগিতার জন্য আমন্ত্রণ জানানো হয়। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, নতুন স্থাপনাটিতে ইন্ধন রডসহ প্রায় ৭৩ মেট্রিক টন প্রাকৃতিক ইউরেনিয়াম ধাতু পাওয়া গেছে। আইএইএ জানায়, "সব পারমাণবিক উপাদান বর্তমানে সংস্থার নিয়ন্ত্রণ ও পর্যবেক্ষণ ব্যবস্থার অধীনে রয়েছে।"

"খননকাজের ফলে উন্মোচিত শীতলীকরণ অবকাঠামো পারমাণবিক চুল্লির সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ বলে নিশ্চিত হয়েছে"
"খননকাজ যতই এগিয়ে যাচ্ছে, ততই আমরা স্থানে পর্যবেক্ষণ অব্যাহত রাখব"
"সাবেক সিরীয় কর্তৃপক্ষ পারমাণবিক উপাদান, স্থাপনা ও কর্মকাণ্ডের বিষয়ে রিপোর্ট করতে ব্যর্থ হয়েছিল"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: দেইর আল-জোর, সিরিয়া
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: রাফায়েল গ্রসি (আইএইএ মহাপরিচালক), বাশার আল-আসাদ (সাবেক প্রেসিডেন্ট)
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৭৩ মেট্রিক টন (ইউরেনিয়াম ধাতু)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖