📅 ২৭ আগস্ট ২০২৬, ১২:৪৯ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

হরমুজ প্রণালিতে খনির বিপদ কাটেনি: ইরান-ওমান যৌথ মাইন অপসারণ প্রকল্প ঘোষণা সত্ত্বেও

হরমুজ প্রণালিতে খনির বিপদ কাটেনি: ইরান-ওমান যৌথ মাইন অপসারণ প্রকল্প ঘোষণা সত্ত্বেও

📷 ছবি: আল জাজিরা

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 Al Jazeera ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 ইরান-ওমান যৌথ মাইন অপসারণ প্রকল্প ঘোষণা করলেও যুক্তরাষ্ট্রের দাবি সত্ত্বেও হরমুজ প্রণালিতে খনির বিপদ রয়ে গেছে বলে জানিয়েছেন ইরানের উপপররাষ্ট্রমন্ত্রী। যুদ্ধ-বিমা খরচ বৃদ্ধির কারণে জাহাজ চলাচল পুনরায় শুরু করতে অনীহা প্রকাশ করছেন শিপিং কোম্পানিগুলো

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেছেন, পারস্য উপসাগরের গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালি থেকে মার্কিন নৌবাহিনী সব ধরনের সামুদ্রিক খনি অপসারণ বা নিষ্ক্রিয় করেছে। তবে ইরানের উপপররাষ্ট্রমন্ত্রী কাজেম ঘরিবাবাদি জানিয়েছেন, প্রণালিটি এখনও বন্ধ রয়েছে। তিনি ট্রাম্পের দাবিকে বাজার শান্ত করার প্রচেষ্টা হিসেবে উল্লেখ করেন এবং মার্কিন খনি-সনাক্তকারী জাহাজগুলোকে লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত করার হুমকি দেন।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 যুক্তরাষ্ট্র দাবি করেছে, হরমুজ প্রণালি থেকে সব খনি অপসারণ করা হয়েছে
  • 📌 ইরান জানিয়েছে, প্রণালিটি এখনও বন্ধ রয়েছে এবং মার্কিন দাবিকে বাজার শান্ত করার প্রচেষ্টা বলে অভিহিত করেছে
  • 📌 ইরান ও ওমান যৌথভাবে প্রণালি থেকে খনি অপসারণের প্রকল্প শুরু করতে সম্মত হয়েছে
  • 📌 যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে হরমুজ প্রণালি দিয়ে জাহাজ চলাচলের যুদ্ধ-বিমা খরচ ১-৩ শতাংশ থেকে বৃদ্ধি পেয়ে ৭.৫-১০ শতাংশে দাঁড়িয়েছে
  • 📌 ইরান সতর্ক করেছে যে, নতুন খনি স্থাপন করা হলে তাৎক্ষণিকভাবে ধ্বংস করা হবে

📰 বিস্তারিত

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প মঙ্গলবার তার সত্য সামাজিক মাধ্যম প্ল্যাটফর্মে দাবি করেন, মার্কিন নৌবাহিনী হরমুজ প্রণালি থেকে সব সামুদ্রিক খনি অপসারণ বা নিষ্ক্রিয় করেছে। তিনি জানান, ইরানকে সতর্ক করা হয়েছে যে, নতুন খনি স্থাপন করা হলে তাৎক্ষণিকভাবে ধ্বংস করা হবে। তবে ইরানের উপপররাষ্ট্রমন্ত্রী কাজেম ঘরিবাবাদি বুধবার জানান, প্রণালিটি এখনও বন্ধ রয়েছে। তিনি ট্রাম্পের দাবিকে বাজার শান্ত করার প্রচেষ্টা বলে অভিহিত করেন এবং মার্কিন খনি-সনাক্তকারী জাহাজগুলোকে লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত করার হুমকি দেন।

এরই মধ্যে ইরান ও ওমান যৌথভাবে প্রণালি থেকে খনি অপসারণের প্রকল্প শুরু করতে সম্মত হয়েছে বলে জানিয়েছে দুই দেশ। যুদ্ধ শুরুর আগে প্রতিদিন প্রায় ১৩০টি জাহাজ প্রণালি দিয়ে যাতায়াত করত, যা বিশ্বের তেল ও প্রাকৃতিক গ্যাস সরবরাহের এক-পঞ্চমাংশ বহন করত। বিশ্লেষকরা মনে করেন, মার্কিন দাবি বিশ্বাসযোগ্য হলেও প্রণালিটি পুরোপুরি খনি মুক্ত নয় বা যুদ্ধ-পূর্ব স্তরে জাহাজ চলাচল পুনরায় শুরু করা সম্ভব নয়।

যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে হরমুজ প্রণালি দিয়ে জাহাজ চলাচলের যুদ্ধ-বিমা খরচ ব্যাপকভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। জুলাই মাসে প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে জানানো হয়, যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে যুদ্ধ-বিমা খরচ জাহাজের মূল্যের ১-৩ শতাংশ থেকে বৃদ্ধি পেয়ে ৭.৫-১০ শতাংশে দাঁড়িয়েছে। বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, যুদ্ধ-বিমা খরচ উচ্চ থাকায় অনেক শিপিং কোম্পানি প্রণালি দিয়ে জাহাজ চলাচল পুনরায় শুরু করতে অনীহা প্রকাশ করছে।

"ইরানকে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে যে, নতুন খনি স্থাপন করা হলে তাৎক্ষণিকভাবে ধ্বংস করা হবে।"
"এসব খনির অবস্থান সম্পর্কে ইরান ব্যতীত আর কেউ জানে না।"
"এসব মন্তব্য শুধুমাত্র বাজার শান্ত করার প্রচেষ্টা।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: হরমুজ প্রণালি, পারস্য উপসাগর
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ডোনাল্ড ট্রাম্প, কাজেম ঘরিবাবাদি
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৭.৫-১০ শতাংশ (যুদ্ধ-বিমা খরচ বৃদ্ধি)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖