📌 নেপালের রসুয়া জেলায় ভয়াবহ বন্যা ও ভূমিধসে মৃত্যু হয়েছে ৯৮ জনের। নিখোঁজ রয়েছেন অন্তত ৪০৩ জন পর্যটক। উদ্ধার অভিযান চলমান থাকলেও ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ ক্রমেই বাড়ছে।
বুধবার (২৬ আগস্ট) নেপালের রসুয়া জেলায় ভয়াবহ বন্যা ও ভূমিধসের ঘটনা ঘটে। এতে মৃত্যু হয়েছে ৯৮ জনের। এছাড়া নিখোঁজ রয়েছেন ৪০৩ জন পর্যটক। নেপালের পর্যটন বোর্ড সূত্রে জানানো হয়েছে, নিখোঁজ ব্যক্তিদের মধ্যে ৬১ জন নেপালি এবং ৩৪১ জন বিদেশি নাগরিক রয়েছেন। বিদেশি নাগরিকদের মধ্যে ভারতের ১৩৩ জন, যুক্তরাষ্ট্রের ৪৭ জন এবং যুক্তরাজ্যের ৩৩ জন রয়েছেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 মৃত্যু হয়েছে ৯৮ জনের, যার মধ্যে নেপালি নাগরিক রয়েছেন ৬১ জন
- 📌 নিখোঁজ রয়েছেন ৪০৩ জন পর্যটক, যার মধ্যে বিদেশি নাগরিক ৩৪১ জন
- 📌 ঘটনাটি ঘটেছে নেপাল ও তিব্বত সীমান্ত-সংলগ্ন রসুয়া জেলায়
- 📌 ভূমিধসের কারণে ভোতেকোশি নদীতে আকস্মিক বন্যার সৃষ্টি হয়
- 📌 নেপাল পুলিশ ও সশস্ত্র পুলিশ বাহিনীর অন্তত ৩৩ সদস্য এখনো নিখোঁজ
📰 বিস্তারিত
বুধবার (২৬ আগস্ট) নেপাল ও তিব্বত সীমান্ত-সংলগ্ন রসুয়া জেলায় ভয়াবহ বন্যা ও ভূমিধসের ঘটনা ঘটে। এতে মৃত্যু হয়েছে ৯৮ জনের। এছাড়া নিখোঁজ রয়েছেন ৪০৩ জন পর্যটক। নেপালের পর্যটন বোর্ড সূত্রে জানানো হয়েছে, নিখোঁজ ব্যক্তিদের মধ্যে ৬১ জন নেপালি এবং ৩৪১ জন বিদেশি নাগরিক রয়েছেন। বিদেশি নাগরিকদের মধ্যে ভারতের ১৩৩ জন, যুক্তরাষ্ট্রের ৪৭ জন এবং যুক্তরাজ্যের ৩৩ জন রয়েছেন।
রসুয়া জেলার প্রশাসক জানিয়েছেন, তারা ব্যাপক প্রাণহানির আশঙ্কা করছেন। সিসিটিভি ফুটেজে দেখা যায়, মিনিটের মধ্যে বিশাল মাটি ও পলির একটি দেয়াল গড়িয়ে এসে সবকিছু ধ্বংস করে দেয়। মানুষ দৌঁড়ে পালিয়ে বাঁচার চেষ্টা করলেও কয়েক সেকেন্ডের মধ্যেই সেই বিশাল কালো মাটি ও পলির দেয়াল সবকিছুকে ঢেকে ফেলে।
আকস্মিক এই বন্যায় রাস্তাঘাট, সেতু ও বেশ কয়েকটি বিদ্যুৎ প্রকল্প পুরোপুরি ধ্বংস হয়ে গেছে। নেপালের নুয়াকোট ও ধাদিং জেলার ওপর দিয়ে বয়ে যাওয়া ভয়াবহ আকস্মিক বন্যায় ভোতেকোশি নদীর পানি প্রবল স্রোতে বিভিন্ন এলাকা ভাসিয়ে নিয়ে যায়। নেপালি সংবাদমাধ্যম সূত্রে জানা গেছে, সীমান্তের তিব্বত অংশ থেকে আসা পানির ঢলে এ বন্যার সৃষ্টি হয়।
"এই ঘটনায় মৃত্যু হয়েছে ৯৮ জনের। নিখোঁজ রয়েছেন ৪০৩ জন পর্যটক। ক্ষয়ক্ষতির বিস্তারিত তথ্য সংগ্রহের কাজ চলছে।"
নেপাল পুলিশ ও সশস্ত্র পুলিশ বাহিনীর অন্তত ৩৩ সদস্য এখনো নিখোঁজ রয়েছেন বলে জানানো হয়েছে। দুর্যোগকবলিত এলাকায় হেলিকপ্টার ও দুর্যোগ মোকাবিলা দলের সদস্য মোতায়েন করেছে নেপাল সেনাবাহিনী। চীনের রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা সিনহুয়া জানায়, নেপাল সীমান্তেই মূলত ভূমিধসের ঘটনাটি ঘটেছে। এটি জিরং বন্দরে আঘাত হানে। এতে নেপাল সীমান্তবর্তী শিগাতসে অঞ্চলে সড়ক, যোগাযোগব্যবস্থা ও বিদ্যুৎ-সংযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে।
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: রসুয়া জেলা, নেপাল
- 👥 মুখ্য ব্যক্তি: রসুয়া জেলার প্রশাসক, পর্যটক, নেপালি পুলিশ সদস্য
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: মৃত্যু ৯৮ জন, নিখোঁজ ৪০৩ জন
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!