📌 ইরান হরমুজ প্রণালিতে অবরোধ অব্যাহত রেখেছে বলে ঘোষণা দিয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প ইরানকে ‘দুষ্ট’ দেশ হিসেবে অভিহিত করে জ্বালানির দাম বৃদ্ধির জন্য জনগণের সহনশীলতা চেয়েছেন। বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহে বিরূপ প্রভাব পড়েছে।
হরমুজ প্রণালি নিয়ে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে চলমান উত্তেজনা বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহ ব্যবস্থাকে বিপর্যস্ত করে তুলেছে। ইরানের উপ-পররাষ্ট্রমন্ত্রী কাজেম গরিবাবাদি শনিবার (১৫ আগস্ট) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে স্পষ্ট করে বলেন, ‘এই প্রণালি কখন খুলবে বা বন্ধ হবে, তা শুধু ইরানের নির্দেশেই নির্ধারিত হবে।’
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ইরানের উপ-পররাষ্ট্রমন্ত্রী কাজেম গরিবাবাদির ঘোষণা: হরমুজ প্রণালি ইরানের নির্দেশেই পরিচালিত হবে
- 📌 যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানকে ‘দুষ্ট’ দেশ হিসেবে অভিহিত করে জ্বালানির দাম বৃদ্ধির জন্য জনগণের সহনশীলতা চেয়েছেন
- 📌 চলতি বছরের ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধ শুরু করার আগে হরমুজ প্রণালি দিয়ে বিশ্বের মোট তেল রফতানির প্রতি পাঁচ ব্যারেল পরিবহন হতো
- 📌 হরমুজ প্রণালি দিয়ে শুক্রবার (১৪ আগস্ট) মাত্র দুটি জাহাজ চলাচল করেছে, যা যুদ্ধ শুরুর আগের তুলনায় প্রায় শতভাগ হ্রাস
📰 বিস্তারিত
ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে চলমান সংঘাতের কারণে হরমুজ প্রণালি দিয়ে তেলবাহী জাহাজ চলাচল কার্যত স্থবির হয়ে পড়েছে। ইরানের উপ-পররাষ্ট্রমন্ত্রী কাজেম গরিবাবাদি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে জানান, ‘যুক্তরাষ্ট্র যতক্ষণ পরাজয়ের বাস্তবতা মেনে না নেবে এবং কল্পনার জগতে থাকা বন্ধ না করবে, ততক্ষণ পর্যন্ত হরমুজ প্রণালিতে অবরোধ কার্যকর রাখবে তেহরান।’ তিনি আরও বলেন, ‘সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে হুমকিমূলক পোস্ট, বিমানবাহী রণতরী বা নির্বাচনী সমাবেশের বক্তব্যের মাধ্যমে হরমুজ প্রণালি দখল করা সম্ভব নয়।’
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানকে ‘দুষ্ট’ দেশ হিসেবে অভিহিত করে চলমান সংঘাতের কারণে আমেরিকানদের জ্বালানির বাড়তি দাম মেনে নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন। তাঁর মতে, ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধ শুরুর অন্যতম কারণ পারমাণবিক অস্ত্রের সম্ভাব্য হুমকি। তবে জ্বালানির দাম বৃদ্ধির কারণে যুক্তরাষ্ট্রে মূল্যস্ফীতির চাপ বাড়ছে এবং ভোটারদের মধ্যেও হতাশা তৈরি হচ্ছে।
জাহাজ চলাচল পর্যবেক্ষণকারী প্রতিষ্ঠান কেপলারের বিশ্লেষণ অনুযায়ী, শুক্রবার হরমুজ প্রণালি দিয়ে মাত্র দুটি জাহাজ চলাচল করেছে। এর মধ্যে একটি শস্যবাহী জাহাজ ইরানের জলসীমায় প্রবেশ করেছে এবং অপরটি খালি অবস্থায় বিপরীত দিকে গেছে। যুদ্ধ শুরুর আগে প্রতিদিন ১৩০টির বেশি জাহাজ এই জলপথ ব্যবহার করত।
‘এই প্রণালি কখন খুলবে বা বন্ধ হবে, তা শুধু ইরানের নির্দেশেই নির্ধারিত হবে।’ — ইরানের উপ-পররাষ্ট্রমন্ত্রী কাজেম গরিবাবাদি
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: হরমুজ প্রণালি, ইরান
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ইরানের উপ-পররাষ্ট্রমন্ত্রী কাজেম গরিবাবাদি, যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২৮ ফেব্রুয়ারি (যুদ্ধ শুরুর তারিখ), ১৩০ (যুদ্ধ শুরুর আগের দৈনিক জাহাজ সংখ্যা), ২ (শুক্রবারের জাহাজ সংখ্যা)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!