📌 দক্ষিণ কোরিয়া প্রথমবারের মতো একটি বাণিজ্যিক জাহাজ আর্কটিক পথে ইউরোপের উদ্দেশ্যে যাত্রা শুরু করেছে। যুদ্ধের কারণে সৃষ্ট বৈশ্বিক শিপিং সংকট মোকাবিলায় নতুন এই পথের সম্ভাব্যতা যাচাই করা হবে।
দক্ষিণ কোরিয়া প্রথমবারের মতো একটি বাণিজ্যিক কন্টেইনার জাহাজ আর্কটিক মহাসাগর হয়ে ইউরোপের উদ্দেশ্যে যাত্রা শুরু করেছে। মধ্য প্রাচ্যের যুদ্ধের কারণে বৈশ্বিক শিপিং ব্যবস্থায় সৃষ্ট সংকট মোকাবিলায় নতুন এই পথের সম্ভাব্যতা যাচাই করা হবে বলে জানা গেছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 দক্ষিণ কোরিয়ার প্রথম বাণিজ্যিক জাহাজ হিসেবে 'প্যানস্টার অ্যাক্রো' নামের কন্টেইনার জাহাজটি আর্কটিক পথে ইউরোপের উদ্দেশ্যে যাত্রা শুরু করেছে
- 📌 জাহাজটি দক্ষিণ কোরিয়ার বুসান নিউ পোর্ট থেকে শনিবার রাত ৯টা ৩০ মিনিটে যাত্রা শুরু করে
- 📌 দক্ষিণ কোরিয়ার মহাসাগর ও মৎস্য মন্ত্রণালয় সূত্রে জানানো হয়েছে, জাহাজটি আর্কটিক পথে পরীক্ষামূলক যাত্রা শুরু করেছে
- 📌 জাহাজটি রাশিয়ার কামচাটকা উপদ্বীপ ঘেঁষে উত্তরে যাত্রা করবে এবং বারেন্টস সাগর হয়ে যুক্তরাজ্যের ফেলিক্সস্টো, নেদারল্যান্ডসের রটারডাম এবং পোল্যান্ডের গডানস্ক হয়ে ইউরোপে পৌঁছাবে
- 📌 সরকারি সহায়তায় পরিচালিত এই যাত্রায় জাহাজটি ৮৩৭ টিইইউ কার্গো বহন করছে, যার মধ্যে রয়েছে গাড়ির যন্ত্রাংশ, রাসায়নিক পণ্য এবং প্রায় ১০০টি খালি কন্টেইনার
- 📌 এই যাত্রা সম্পন্ন হতে প্রায় ৪০ থেকে ৪৫ দিন সময় লাগবে বলে ধারণা করা হচ্ছে
- 📌 দক্ষিণ কোরিয়ার রাষ্ট্রপতি লি জে মিয়ং আর্কটিক শিপিংকে অগ্রাধিকার প্রকল্প হিসেবে বিবেচনা করছেন
📰 বিস্তারিত
দক্ষিণ কোরিয়ার রাষ্ট্রীয় মহাসাগর ও মৎস্য মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, 'প্যানস্টার অ্যাক্রো' নামের কন্টেইনার জাহাজটি আর্কটিক মহাসাগরের মধ্য দিয়ে ইউরোপের উদ্দেশ্যে পরীক্ষামূলক যাত্রা শুরু করেছে। মধ্য প্রাচ্যের যুদ্ধের কারণে বৈশ্বিক শিপিং ব্যবস্থায় সৃষ্ট সংকট মোকাবিলায় নতুন এই পথের সম্ভাব্যতা যাচাই করা হবে বলে জানানো হয়েছে।
জাহাজটি দক্ষিণ কোরিয়ার বুসান নিউ পোর্ট থেকে শনিবার রাত ৯টা ৩০ মিনিটে (১২টা ৩০ মিনিট জিএমটি) যাত্রা শুরু করে। মহাসাগর ও মৎস্য মন্ত্রণালয়ের একজন মুখপাত্র জানিয়েছেন, 'আমরা আপনাদের জানাতে চাই যে আর্কটিক পথের পরীক্ষামূলক যাত্রার জন্য নির্ধারিত জাহাজটি যাত্রা শুরু করেছে।'
জাহাজটি রাশিয়ার কামচাটকা উপদ্বীপ ঘেঁষে উত্তরে যাত্রা করবে এবং বারেন্টস সাগর হয়ে যুক্তরাজ্যের ফেলিক্সস্টো, নেদারল্যান্ডসের রটারডাম এবং পোল্যান্ডের গডানস্ক হয়ে ইউরোপে পৌঁছাবে। সরকারি সহায়তায় পরিচালিত এই যাত্রায় জাহাজটি ৮৩৭ টিইইউ কার্গো বহন করছে, যার মধ্যে রয়েছে গাড়ির যন্ত্রাংশ, রাসায়নিক পণ্য এবং প্রায় ১০০টি খালি কন্টেইনার।
"আমরা আপনাদের জানাতে চাই যে আর্কটিক পথের পরীক্ষামূলক যাত্রার জন্য নির্ধারিত জাহাজটি যাত্রা শুরু করেছে।"
এই যাত্রা সম্পন্ন হতে প্রায় ৪০ থেকে ৪৫ দিন সময় লাগবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। দক্ষিণ কোরিয়ার রাষ্ট্রপতি লি জে মিয়ং আর্কটিক শিপিংকে অগ্রাধিকার প্রকল্প হিসেবে বিবেচনা করছেন। তার লক্ষ্য হলো বুসানকে বৈশ্বিক সামুদ্রিক কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলা এবং ২০৩০ সালের মধ্যে আর্কটিককে নিয়মিত বাণিজ্য পথ হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করা।
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: বুসান নিউ পোর্ট, দক্ষিণ কোরিয়া
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: দক্ষিণ কোরিয়ার মহাসাগর ও মৎস্য মন্ত্রণালয়
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৮৩৭ টিইইউ কার্গো
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!