📅 ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৩:২৩ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

লেবানন থেকে মিশরে ফিরে আসে ছয় বছর আগে চুরি করা ৩৭টি প্রাচীন কাল্পনিক প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শন

লেবানন থেকে মিশরে ফিরে আসে ছয় বছর আগে চুরি করা ৩৭টি প্রাচীন কাল্পনিক প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শন

📷 ছবি: আল জাজিরা

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 Al Jazeera ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 লেবাননের জাতীয় সংগ্রহশালায় অনুষ্ঠিত একটি অনুষ্ঠানে মিশরকে ৩৭টি প্রাচীন নিদর্শন ফিরিয়ে দেওয়া হয়েছে। এগুলো ছয় বছর আগে মিশর থেকে চুরি করে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল। লেবাননের সংস্কৃতি মন্ত্রী ঘোষণা করেছেন যে, এগুলো মিশরের মালিকানাধীন এবং আন্তর্জাতিক চুরি-বাণিজ্য বিরোধী আইনের অধীনে ফিরিয়ে দেওয়া হয়েছে

লেবানন সরকার মিশরকে ৩৭টি প্রাচীন নিদর্শন ফিরিয়ে দিয়েছে, যা ছয় বছর আগে মিশর থেকে চুরি করে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল। বুধবার বেইরুতের জাতীয় সংগ্রহশালায় অনুষ্ঠিত একটি আনুষ্ঠানিক অনুষ্ঠানে এই নিদর্শনগুলো মিশরের দূতাবাসকে হস্তান্তর করা হয়। এগুলো প্রাচীন ফারাওয়ান সভ্যতার (প্রাচীন মিশর) নিদর্শন হিসেবে পরিচিত।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 লেবানন মিশরকে ফিরিয়ে দিয়েছে ৩৭টি প্রাচীন নিদর্শন, যা ২০২০ সালে বেইরুত বন্দর থেকে জব্দ করা হয়েছিল।
  • 📌 নিদর্শনগুলোর মধ্যে রয়েছে মাস্ক, কাঠের পুতুল, কপ্টিক টেক্সটাইলের টুকরো, কাচের পেস্টের অমুলেট, মাঝারি আকারের মূর্তি এবং দুটি রঙিন নকশা সহ কাঠের কফিন।
  • 📌 লেবাননের সংস্কৃতি মন্ত্রী ঘাসান সালামে বলেছেন, “এই আইটেমগুলোর পরিচয় ও মালিকানার তদন্তের পর জানা গেছে, এগুলো মিশরের মালিকানাধীন।”
  • 📌 লেবানন আন্তর্জাতিক চুরি-বাণিজ্য বিরোধী ১৯৭০ সালের কনভেনশনের কঠোর প্রয়োগের উদাহরণ স্থাপন করেছে বলে দাবি করা হয়েছে।
  • 📌 লেবাননের প্রত্নতত্ত্ব পরিচালনা বিভাগের কর্মকর্তা লাউরা সালুম বলেছেন, একটি লেবানানি নাগরিক এই নিদর্শনগুলো কিনেছিলেন কিন্তু কোনো আনুষ্ঠানিক দলিল ছাড়াই।
  • 📌 মিশর থেকে নিয়মিতভাবে চুরি করা হয় এমন এই ধরনের নিদর্শন। গত মাসে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের FBI Art Crime Team মিশরকে ৪৮টি নিদর্শন ফিরিয়ে দিয়েছিল।

📰 বিস্তারিত

বেইরুতের জাতীয় সংগ্রহশালায় অনুষ্ঠিত অনুষ্ঠানে লেবাননের সংস্কৃতি মন্ত্রী ঘাসান সালামে মিশরের দূত আলা মৌসা’কে নিদর্শনগুলো হস্তান্তর করেন। এই অনুষ্ঠানে মিশরের রাষ্ট্রপতি আবদেল ফাত্তাহ আল-সিসির সাথে চীনের রাষ্ট্রপতি শি জিনপিং-এর সম্পর্কের উল্লেখ করা হয়নি, তবে মিশরের গ্র্যান্ড ইজিপশিয়ান মিউজিয়ামে তাদের সফর সম্পর্কে উল্লেখ করা হয়েছিল।

লেবানন সরকারের সাথে INTERPOL, মিশর এবং লেবাননের সর্বোচ্চ জনসাধারণের পাবলিক প্রসিকিউটরের সহযোগিতায় এই নিদর্শনগুলোর মালিকানার সত্যতা যাচাই করা হয়েছিল। লেবাননের প্রত্নতত্ত্ব পরিচালনা বিভাগের কর্মকর্তা লাউরা সালুম বলেছেন যে, এই নিদর্শনগুলো একটি লেবানানি নাগরিকের দ্বারা কিনা হয়েছিল, কিন্তু কোনো আনুষ্ঠানিক দলিল ছাড়াই।

এই নিদর্শনগুলোর মধ্যে রয়েছে মাস্ক, কাঠের পুতুল, কপ্টিক টেক্সটাইলের টুকরো, কাচের পেস্টের অমুলেট, মাঝারি আকারের মূর্তি এবং দুটি রঙিন নকশা সহ কাঠের কফিন। লেবাননের সংস্কৃতি মন্ত্রী ঘাসান সালামে বলেছেন, “আমরা ১৯৭০ সালের আন্তর্জাতিক চুরি-বাণিজ্য বিরোধী কনভেনশনের কঠোর প্রয়োগের উদাহরণ স্থাপন করছি।”

"আইটেমগুলোর পরিচয় ও মালিকানার তদন্তের পর জানা গেছে, এগুলো মিশরের মালিকানাধীন।"
"আমরা ১৯৭০ সালের আন্তর্জাতিক চুরি-বাণিজ্য বিরোধী কনভেনশনের কঠোর প্রয়োগের উদাহরণ স্থাপন করছি।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: বেইরুত, লেবানন (জাতীয় সংগ্রহশালা)
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: লেবাননের সংস্কৃতি মন্ত্রী ঘাসান সালামে, মিশরের দূত আলা মৌসা’, লেবাননের প্রত্নতত্ত্ব পরিচালনা বিভাগের কর্মকর্তা লাউরা সালুম
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৩৭টি নিদর্শন, ৪৮টি নিদর্শন (মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র থেকে ফিরিয়ে দেওয়া)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖