📌 দক্ষিণ কোরিয়া ১৯৯৬ সালে মাত্র ২.৬% খাদ্যবর্জ্য পুনর্ব্যবহারের হার থেকে বেড়িয়ে ২০২৩ সালে ৯৭% পৌঁছায়। স্মার্ট বিন ও বায়োএনার্জি কেন্দ্রের মাধ্যমে বর্জ্য থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদন করে। নিউইয়র্ক সিটি এই মডেল অনুসরণ করলেও বাসিন্দাদের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি
দক্ষিণ কোরিয়া বিশ্বের নজরে এসেছে খাদ্যবর্জ্য ব্যবস্থাপনায় অর্জিত সাফল্যের জন্য। এই দেশ ১৯৯৬ সালে মাত্র ২.৬ শতাংশ খাদ্যবর্জ্য পুনর্ব্যবহারের হার থেকে বেড়িয়ে ২০২৩ সালে ৯৭ শতাংশে পৌঁছেছে। এখন যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্ক সিটি এই মডেল অনুসরণ করলেও বাসিন্দাদের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে বড় চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি। বিবিসির প্রতিবেদন অনুযায়ী, দক্ষিণ কোরিয়ার রাজধানী সিউলের ইয়েওইদো এলাকায় বাসিন্দারা স্মার্ট বিন ব্যবহার করে খাদ্যবর্জ্য পুনর্ব্যবহারের হার বাড়িয়েছেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 দক্ষিণ কোরিয়া ১৯৯৬ সালে খাদ্যবর্জ্য পুনর্ব্যবহারের হার ছিল মাত্র ২.৬ শতাংশ, যা বেড়ে ২০২৩ সালে ৯৭ শতাংশে পৌঁছেছে
- 📌 দেশজুড়ে ১ লাখ ৫২ হাজার স্মার্ট বিন চালু, যা ৮৬ লাখের বেশি পরিবারকে সেবা দিচ্ছে
- 📌 বর্জ্য থেকে উৎপাদিত বিদ্যুৎ ৬ হাজার পরিবারের দৈনিক চাহিদা মেটাতে পারে
- 📌 নিউইয়র্ক সিটিতে বাসিন্দাদের খাদ্য বর্জ্য আলাদা রাখা বাধ্যতামূলক, কিন্তু মাত্র ৯ শতাংশ বর্জ্য পুনরুদ্ধার করা হয়েছে
- 📌 নিউইয়র্কে ৪০০টির বেশি স্মার্ট কম্পোস্টিং বিন বসানো হয়েছে, কিন্তু নিয়ম না মানায় ৬৩ হাজার নোটিশ দেওয়া হয়েছে
📰 বিস্তারিত
দক্ষিণ কোরিয়ার খাদ্যবর্জ্য ব্যবস্থাপনায় সাফল্যের পেছনে রয়েছে স্মার্ট বিন প্রযুক্তি। সিউলের ইয়েওইদো এলাকায় বাসিন্দা সেউংহোয়ান হং প্রতিদিন খাদ্যবর্জ্য ফেলার সময় বিনের কার্ড স্ক্যান করে। বিনের ঢাকনা খুলে যায় এবং বর্জ্যের ওজন পর্দায় দেখা যায়। এই প্রক্রিয়ায় বাসিন্দার হিসাব থেকে নির্দিষ্ট ফি যোগ হয়। পুরো প্রক্রিয়া মাত্র এক মিনিটেরও কম সময় নেয়।
দক্ষিণ কোরিয়ার এই সাফল্যের অন্যতম কারণ হলো বায়োএনার্জি কেন্দ্র। সংগৃহীত খাদ্যবর্জ্য থেকে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি উৎপাদন করা হয়। দেজন বায়ো এনার্জি সেন্টার প্রতি বছর ৭০ থেকে ৭৫ শতাংশ বর্জ্য পুনর্ব্যবহার করে। উৎপাদিত বিদ্যুৎ প্রায় ৬ হাজার পরিবারের দৈনিক চাহিদা মেটাতে পারে।
নিউইয়র্ক সিটি দক্ষিণ কোরিয়ার এই মডেল অনুসরণ করে ২০২৪ সালের অক্টোবর থেকে বাসিন্দাদের খাদ্য বর্জ্য আলাদা করে রাখার নিয়ম বাধ্যতামূলক করেছে। প্রায় ৩৪ লাখ পরিবারকে আওতাভুক্ত করা এই কর্মসূচি যুক্তরাষ্ট্রের সবচেয়ে বড় অর্গানিক বর্জ্য পুনরুদ্ধার উদ্যোগ। তবে বাসিন্দাদের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি। নিয়ম না মানায় ৬৩ হাজার নোটিশ দেওয়া হয়েছে।
"দক্ষিণ কোরিয়ার এই মডেল অনুসরণ করে নিউইয়র্ক সিটিতে বাসিন্দাদের খাদ্য বর্জ্য আলাদা করে রাখার নিয়ম বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। তবে বাসিন্দাদের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে এখনও অনেক পথ পাড়ি দিতে হবে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: দক্ষিণ কোরিয়া (সিউলের ইয়েওইদো এলাকা), নিউইয়র্ক সিটি (যুক্তরাষ্ট্র)
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: সেউংহোয়ান হং (দক্ষিণ কোরিয়ার বাসিন্দা)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৯৭ শতাংশ (পুনর্ব্যবহার), ১ লাখ ৫২ হাজার (স্মার্ট বিন), ৮৬ লাখ (পরিবার), ৬ হাজার (পরিবার বিদ্যুৎ চাহিদা), ৯ শতাংশ (নিউইয়র্কের পুনরুদ্ধার হার)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!