📌 স্কটল্যান্ডের এসএনপি, ওয়েলসের প্লেইড সিম্রি এবং উত্তর আয়ারল্যান্ডের সিন ফেইন পার্টির নেতৃবৃন্দ একত্রিত হয়ে যুক্তরাজ্য থেকে স্বায়ত্তশাসন ও স্বাধীনতার দাবি জানিয়েছেন। তারা ইউরোপীয় ইউনিয়নে ভবিষ্যত নিশ্চিত করার পাশাপাশি লন্ডনের কেন্দ্রীয় সরকারের ক্ষমতা সীমাবদ্ধ করার চুক্তি স্বাক্ষর করেছেন
যুক্তরাজ্যের তিনটি স্বায়ত্তশাসিত অঞ্চল — স্কটল্যান্ড, ওয়েলস ও উত্তর আয়ারল্যান্ডের প্রধান রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দ এক ঐতিহাসিক চুক্তি স্বাক্ষর করেছেন। এই চুক্তিতে তারা নিজেদের ‘স্বায়ত্তশাসনের অধিকার’ ঘোষণা করে যুক্তরাজ্য থেকে স্বাধীনতার পথে অগ্রসর হওয়ার ইঙ্গিত দিয়েছেন। স্কটল্যান্ডের এসএনপি (SNP), ওয়েলসের প্লেইড সিম্রি (Plaid Cymru) এবং উত্তর আয়ারল্যান্ডের সিন ফেইন (Sinn Fein) পার্টির নেতৃবৃন্দ কার্ডিফে অনুষ্ঠিত একটি বিশেষ বৈঠকে এই চুক্তি স্বাক্ষর করেছেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 **স্বায়ত্তশাসনের অধিকার**: স্কটল্যান্ডের জন সোয়িনি (John Swinney), ওয়েলসের রহুন অ্যাপ ইওরথ (Rhun ap Iorwerth) এবং উত্তর আয়ারল্যান্ডের মিশেল ও’নিল (Michelle O’Neill) একত্রে ঘোষণা করেছেন, “আমাদের জাতির স্বায়ত্তশাসনের অধিকার রয়েছে। লন্ডনের কোনো সরকারই গণতন্ত্রকে বাধাগ্রস্ত করতে বা আমাদের জনগণের ভবিষ্যতের সিদ্ধান্ত নিতে অধিকার রাখে না।”
- 📌 **ইউরোপীয় ইউনিয়নে ভবিষ্যত**: চুক্তিতে স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়েছে, “আমাদের জাতির ভবিষ্যত ইউরোপীয় ইউনিয়নে রয়েছে।”
- 📌 **লন্ডনের ক্ষমতা সীমাবদ্ধ**: চুক্তিতে বলা হয়েছে, “এই দ্বীপপুঞ্জের জনগণ প্রথমবারের মতো স্কটল্যান্ড, ওয়েলস এবং উত্তর আয়ারল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী পেয়েছেন, যারা সবাই যুক্তরাজ্য থেকে স্বাধীনতার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন।”
- 📌 **বিশ্বাসের সাক্ষ্য**: চুক্তিতে আরও বলা হয়েছে, “গতিশীলতা আমাদের আন্দোলনের পক্ষে। আমরা বিশ্বাস করি, সংবিধানিক পরিবর্তন আসছে।”
- 📌 **বিশেষভাবে সিন ফেইন**: উত্তর আয়ারল্যান্ডের সিন ফেইন পার্টি যুক্তরাজ্য থেকে আলাদা হয়ে আয়ারল্যান্ডের সাথে একীভূত হওয়ার দাবি জানিয়েছে।
- 📌 **যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী অ্যান্ডি বার্নহামের প্রতিক্রিয়া**: তিনি বলেছেন, উত্তর আয়ারল্যান্ডের স্বাধীনতার বিষয়ে কোনো রেফারেন্ডাম “টেবিলের বাইরে” রয়েছে।
📰 বিস্তারিত
কার্ডিফ বিশ্ববিদ্যালয়ের লারা ম্যাকঅ্যালিস্টার (Laura McAllister) আল জাজীরার সাথে কথা বলেন, “চুক্তির ভাষা ‘স্বায়ত্তশাসনের সংবিধানিক ভাষা’র মধ্যে ‘স্বেচ্ছায়’ রাখা হয়েছে। এটি যুক্তরাজ্যের চারটি অঞ্চলের মধ্যে প্রথমবারের মতো সংবিধানিক প্রশ্নকে সামনে নিয়ে আসা হয়েছে।” তিনি আরও বলেন, “তারা কিছু অনুশীলনগত নীতিগত বিষয়েও আলোচনা করেছেন, যেমন পুনরুজ্জীবিতযোগ্য শক্তি, ইউরোপের সাথে সম্পর্ক এবং অর্থনৈতিক উন্নয়ন।”
চুক্তিতে বলা হয়েছে, “আমাদের জাতির স্বায়ত্তশাসনের অধিকার রয়েছে। কোনো লন্ডনের সরকারই গণতন্ত্রকে বাধাগ্রস্ত করতে বা আমাদের জনগণের ভবিষ্যতের সিদ্ধান্ত নিতে অধিকার রাখে না।” এই ঘোষণায় লন্ডনের সংসদকে নির্দেশ করে বলা হয়েছে, “এই দ্বীপপুঞ্জের জনগণ প্রথমবারের মতো স্কটল্যান্ড, ওয়েলস এবং উত্তর আয়ারল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী পেয়েছেন, যারা সবাই যুক্তরাজ্য থেকে স্বাধীনতার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন।”
চুক্তিতে আরও বলা হয়েছে, “আমাদের জাতির ভবিষ্যত ইউরোপীয় ইউনিয়নে রয়েছে। বিশ্বব্যাপী পর্যবেক্ষকদের জন্য, লন্ডনের সময় শেষ হয়ে যাচ্ছে। আমাদের আন্দোলনের পক্ষে গতিশীলতা রয়েছে; আমরা বিশ্বাস করি, সংবিধানিক পরিবর্তন আসছে।”
"আমাদের জাতির স্বায়ত্তশাসনের অধিকার রয়েছে। কোনো লন্ডনের সরকারই গণতন্ত্রকে বাধাগ্রস্ত করতে বা আমাদের জনগণের ভবিষ্যতের সিদ্ধান্ত নিতে অধিকার রাখে না।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: কার্ডিফ (ওয়েলস), লন্ডন (ইংল্যান্ড)
- 👥 মুখ্য ব্যক্তিবর্গ: জন সোয়িনি (SNP), মিশেল ও’নিল (সিন ফেইন), রহুন অ্যাপ ইওরথ (প্লেইড সিম্রি), অ্যান্ডি বার্নহাম (যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী), লারা ম্যাকঅ্যালিস্টার (কার্ডিফ বিশ্ববিদ্যালয়)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৩টি রাজনৈতিক দল (এসএনপি, প্লেইড সিম্রি, সিন ফেইন)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!