📌 সৌদি নেতৃত্বাধীন যেমেন যুদ্ধে লিপ্ত গোষ্ঠী ঘোষণা করেছে, তারা হুথীদের তিনটি মিসাইল ও চারটি ড্রোন আক্রমণে নিশ্চিহ্ন করেছে। মক্কা ও পূর্বাঞ্চলীয় প্রদেশে সতর্কতা জারি করা হয়েছিল। একই সঙ্গে সৌদি আরব, ইরান, পাকিস্তান ও তুরস্কের মধ্যে শান্তি আলোচনার প্রচেষ্টা চলছে
সৌদি আরব নেতৃত্বাধীন যেমেন যুদ্ধে লিপ্ত গোষ্ঠী ঘোষণা করেছে, তারা হুথি বিদ্রোহীদের তিনটি ব্যালিস্টিক মিসাইল ও চারটি ড্রোন আক্রমণে নিশ্চিহ্ন করেছে। এই আক্রমণগুলি সৌদি আরবের পূর্বাঞ্চলীয় প্রদেশ ও দক্ষিণাঞ্চলীয় অঞ্চলগুলিকে লক্ষ্য করে ছিল। সৌদি গোষ্ঠীর মুখপাত্র কর্নেল তুরকি আল-মালিকি বলেছেন, মিসাইলগুলি পূর্বাঞ্চলীয় প্রদেশের দিকে পরিচালিত হয়েছিল এবং কোনো মৃত্যু ঘটেনি। ড্রোনগুলি দক্ষিণাঞ্চলীয় অঞ্চলগুলিকে লক্ষ্য করে ছিল।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 **সৌদি নেতৃত্বাধীন গোষ্ঠী নিশ্চিহ্ন করেছে তিনটি মিসাইল ও চারটি ড্রোন** — হুথি বিদ্রোহীদের আক্রমণে, যা পূর্বাঞ্চলীয় প্রদেশ ও দক্ষিণাঞ্চলীয় অঞ্চলগুলিকে লক্ষ্য করেছিল।
- 📌 **সৌদি সিভিল ডিফেন্স জারি করেছিল সতর্কতা** — পূর্বাঞ্চলীয় প্রদেশ ও আল খারজ গভর্নরেটে, পরে জনগণকে জনসমাগম এড়িয়ে চলার আহ্বান জানানো হয়।
- 📌 **মুখ্যমন্ত্রী কর্নেল তুরকি আল-মালিকি বলেছেন**, "মিসাইলগুলি পূর্বাঞ্চলীয় প্রদেশের দিকে পরিচালিত হয়েছিল এবং কোনো মৃত্যু ঘটেনি। ড্রোনগুলি দক্ষিণাঞ্চলীয় অঞ্চলগুলিকে লক্ষ্য করেছিল।"
- 📌 **সৌদি আরবের কিং খালিদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর আক্রমণে ১৩ জন নিহত ও ৩০০+ আহত** — এই মাসে হুথিদের সর্বোচ্চ মৃত্যুর ঘটনা।
- 📌 **সৌদি আরব ও হুথিদের মধ্যে যুদ্ধে নতুন মাত্রা** — হুথিরা সৌদি বিমানবন্দর, বন্দর ও তেল সুবিধাগুলিকে লক্ষ্য করে আক্রমণ চালায়।
- 📌 **সৌদি আরব, ইরান, পাকিস্তান ও তুরস্কের মধ্যে শান্তি আলোচনা** — সৌদি প্রতিরক্ষা মন্ত্রী প্রিন্স খালিদ বিন সালমানের নেতৃত্বে, ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসউদ পেশেকিয়ান ও অন্যান্য উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাদের সাথে আলোচনা।
- 📌 **ইরান, পাকিস্তান, তুর্কি ও সৌদি আরবের যৌথ ঘোষণা** — "আমরা শান্তি ও অঞ্চলীয় নিরাপত্তার জন্য আলোচনা অব্যাহত রাখব।"
📰 বিস্তারিত
সৌদি আরব নেতৃত্বাধীন যেমেন যুদ্ধে লিপ্ত গোষ্ঠী ঘোষণা করেছে, তারা হুথি বিদ্রোহীদের তিনটি ব্যালিস্টিক মিসাইল ও চারটি ড্রোন আক্রমণে নিশ্চিহ্ন করেছে। এই আক্রমণগুলি সৌদি আরবের পূর্বাঞ্চলীয় প্রদেশ ও দক্ষিণাঞ্চলীয় অঞ্চলগুলিকে লক্ষ্য করে ছিল। সৌদি গোষ্ঠীর মুখপাত্র কর্নেল তুরকি আল-মালিকি বলেছেন, মিসাইলগুলি পূর্বাঞ্চলীয় প্রদেশের দিকে পরিচালিত হয়েছিল এবং কোনো মৃত্যু ঘটেনি। ড্রোনগুলি দক্ষিণাঞ্চলীয় অঞ্চলগুলিকে লক্ষ্য করেছিল।
সৌদি সিভিল ডিফেন্স এজেন্সি পূর্বাঞ্চলীয় প্রদেশ ও আল খারজ গভর্নরেটে সতর্কতা জারি করেছিল। সতর্কতা তুলে নেওয়ার পরে, এজেন্সি জনগণকে জনসমাগম এড়িয়ে চলার আহ্বান জানিয়েছে এবং ৯১১ নম্বর ডায়াল করার পরামর্শ দিয়েছে।
সৌদি আরবের কিং খালিদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর আক্রমণে এই মাসে ১৩ জন নিহত ও ৩০০ জনেরও বেশি আহত হয়েছে, যা সৌদি আরবের এক দশক ধরে সর্বোচ্চ মৃত্যুর ঘটনা। হুথিরা পূর্বে বিমানবন্দর ও তেল সুবিধাগুলিকে লক্ষ্য করে আক্রমণ চালিয়েছে। সৌদি নেতৃত্বাধীন গোষ্ঠী বলেছে, তারা তিনটি অতিরিক্ত ড্রোন রিয়াদ ও দক্ষিণাঞ্চলীয় অঞ্চলে নিশ্চিহ্ন করেছে।
এই আক্রমণগুলি ঘটেছে যখন সৌদি আরব, তুরস্ক ও পাকিস্তানের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা ইরানের সাথে আলোচনা করছিলেন। সৌদি প্রতিরক্ষা মন্ত্রী প্রিন্স খালিদ বিন সালমান, পাকিস্তানের সেনাপ্রধান ফিল্ড মার্শাল আসিম মুনির ও তুরস্কের ইন্টেলিজেন্স চিফ ইব্রাহিম কালিনের নেতৃত্বে এই আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়েছিল। ইরানের রাষ্ট্রীয় মিডিয়া প্রকাশ করেছে ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসউদ পেশেকিয়ান, বিদেশ মন্ত্রী আব্বাস আরাকচি ও সুপ্রিম ন্যাশনাল সিকিউরিটি কাউন্সিলের সেক্রেটারি মোহসেন রেজাইয়ের ছবি, যারা এই আলোচনায় অংশ নিয়েছেন।
ইরান, সৌদি আরব, পাকিস্তান ও তুরস্কের যৌথ বিবৃতিতে বলা হয়েছে, চারটি দেশ "শান্তি ও অঞ্চলীয় নিরাপত্তার জন্য আলোচনা অব্যাহত রাখবে"। পাকিস্তান ও কাতার এই অঞ্চলে শান্তি প্রতিষ্ঠার জন্য মধ্যস্থতা করছে, যা জুন মাসে একটি অন্তর্বর্তীকালীন শান্তি চুক্তির ফলস্বরূপ হয়েছিল। তবে ইরান ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে যুদ্ধ পুনরায় শুরু হলে, ইরান-সমর্থিত হুথি বিদ্রোহীদের সাথে সৌদি আরবের সংঘর্ষ আরও তীব্র হয়ে উঠেছে, যা যেমেনে মানবিক সংকটকে আরও গভীর করেছে।
হুথিরা পূর্বে সৌদি আরবের রেড সি উপকূলীয় অঞ্চল থেকে সৌদি-সমর্থিত সরকারী বাহিনীকে আক্রমণ করে। সৌদি আরব এই আক্রমণগুলিকে প্রতিহত করার জন্য আক্রমণাত্মক হামলা শুরু করেছে। এই যুদ্ধের ফলে হরমুজ প্রণালীতে নৌযান চলাচল বাধাগ্রস্ত হয়েছে এবং তেল ও গ্যাসের দাম বেড়েছে। মিশর, সৌদি আরবের একটি প্রধান অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক অংশীদার, সৌদি আরবকে সাহায্য করার জন্য সৈন্য প্রেরণের অনুমতি দিয়েছে।
"আমরা শান্তি ও অঞ্চলীয় নিরাপত্তার জন্য আলোচনা অব্যাহত রাখব।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: সৌদি আরবের পূর্বাঞ্চলীয় প্রদেশ, আল খারজ গভর্নরেট, রিয়াদ, মক্কা, রেড সি উপকূল
- 👥 মুখ্য ব্যক্তি: কর্নেল তুরকি আল-মালিকি, প্রিন্স খালিদ বিন সালমান, ফিল্ড মার্শাল আসিম মুনির, ইব্রাহিম কালিন, মাসউদ পেশেকিয়ান, আব্বাস আরাকচি, মোহসেন রেজাই
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৩টি মিসাইল, ৪টি ড্রোন, ১৩ জন নিহত, ৩০০+ আহত, ৯১১ (সতর্কতা লাইন)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!