📅 ২৭ অক্টোবর ২০২৬, ২:৫১ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

উত্তর প্রদেশে গরু পাচার অভিযোগে মুসলিমদের পায়ে গুলি: পুলিশের 'অপারেশন ল্যাংড়া' কেন বিপদসূচক

উত্তর প্রদেশে গরু পাচার অভিযোগে মুসলিমদের পায়ে গুলি: পুলিশের 'অপারেশন ল্যাংড়া' কেন বিপদসূচক

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 ভারতের উত্তর প্রদেশে গরু পাচার অভিযোগে মুসলিমদের পায়ে গুলি করে আহত করার 'অপারেশন ল্যাংড়া' চালু করেছে পুলিশ। ২০২০ সাল থেকে ৬৫০ জনেরও বেশি আহত হয়েছে, যার অধিকাংশই মুসলিম। পুলিশ দাবি করে আত্মরক্ষার জন্য, কিন্তু অধিকারকর্মীরা বলছেন এটি বিচারবহির্ভূত সহিংসতা।

ভারতের উত্তর প্রদেশে গরু পাচার অভিযোগে মুসলিমদের পায়ে গুলি করে আহত করার কৌশল 'অপারেশন ল্যাংড়া' ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়েছে। পুলিশের গুলিতে ২০২০ সাল থেকে প্রায় ৬৫০ জনেরও বেশি সন্দেহভাজন আহত হয়েছে, যার অধিকাংশই মুসলিম। এই ঘটনাগুলি পুলিশের দাবির বিপরীতে অধিকারকর্মীদের মতে, বিচারবহির্ভূত সহিংসতার অংশ হিসেবে দেখা যাচ্ছে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 উত্তর প্রদেশ পুলিশের গুলিতে ২০২০ সাল থেকে ৬৫০ জনেরও বেশি সন্দেহভাজন আহত হয়েছে, যার ৮৯০ জনেরও বেশি মুসলিম
  • 📌 পুলিশের ভিডিওতে দেখা যায়, সন্দেহভাজনদের পায়ের নিচে গুলি করা হয়েছে — বিশেষ করে হাঁটুর নিচে
  • 📌 'অপারেশন ল্যাংড়া' নামে পরিচিত এই কৌশলটি গরু পাচার অভিযোগে মুসলিমদের লক্ষ্য করে চালানো হচ্ছে
  • 📌 পুলিশ দাবি করে গুলি করা হয়েছে আত্মরক্ষার জন্য, কিন্তু অধিকারকর্মীরা বলছেন এটি ভয় দেখানোর কৌশল
  • 📌 ২০১৭ সাল থেকে ১৩ অক্টোবর পর্যন্ত ৩১৬ জন সন্দেহভাজন 'এনকাউন্টার'তে নিহত হয়েছে, যার মধ্যে ১১০ জন মুসলিম

📰 বিস্তারিত

বার্তা সংস্থা অ্যাসোসিয়েটেড প্রেস (এপি) একটি অনুসন্ধানে পুলিশের ভিডিওগুলো বিশ্লেষণ করে দেখেছে যে, উত্তর প্রদেশের পুলিশ প্রায় একই কায়দায় সন্দেহভাজনদের পায়ের নিচে গুলি করছে। এই ঘটনাগুলি 'অপারেশন ল্যাংড়া' নামে পরিচিত এবং গরু পাচার অভিযোগে মুসলিমদের লক্ষ্য করে চালানো হচ্ছে। পুলিশের দাবি, এই গুলি করা হয়েছে আত্মরক্ষার জন্য, কিন্তু অধিকারকর্মীরা বলছেন এটি বিচারবহির্ভূত সহিংসতার অংশ।

দিল্লির মানবাধিকার আইনজীবী মঙ্গলা ভার্মা বলেছেন, ‘এটি বিপজ্জনক পরিস্থিতি। পুলিশ তদন্ত করার বদলে সন্দেহভাজনদের হত্যা বা আহত করছে, যেন বিচার শেষ হয়ে গেছে।’ যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটনভিত্তিক গবেষণাপ্রতিষ্ঠান ‘দ্য সেন্টার ফর দ্য স্টাডি অব অর্গানাইজড হেট’-এর তথ্য অনুযায়ী, ২০২০ সাল থেকে উত্তর প্রদেশ পুলিশের গুলিতে ৬৫০ জনেরও বেশি আহত হয়েছে। এপি স্বাধীনভাবে প্রায় ২০০টি ঘটনার নমুনা যাচাই করেছে এবং দেখা গেছে, অধিকাংশ আহত ব্যক্তি মুসলিম।

উত্তর প্রদেশের শীর্ষ পুলিশ কর্মকর্তা অমিতাভ যশ দাবি করেছেন, পুলিশকে কেবল আত্মরক্ষার্থে ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। তিনি বলেছেন, ‘পুলিশের প্রতিটি কাজের জন্যই তাদের জবাবদিহি করতে হবে। সেটা মৃত্যু হোক বা আহত হওয়ার ঘটনা হোক, প্রতিটি কাজই যাচাই-বাছাইয়ের জন্য উন্মুক্ত।’ তবে তিনি পায়ে গুলি করার কোনো নির্দেশ নেই বলে দাবি করেছেন।

গত এক বছরে অতিরিক্ত বলপ্রয়োগের জন্য কোনো পুলিশ কর্মকর্তাকে শাস্তি দেওয়ার মতো কোনো কারণ ঘটেনি। এই ঘটনাগুলি 'হাফ এনকাউন্টার' নামে পরিচিত, যেখানে পুলিশ হত্যার বদলে গুলি করে আহত করছে। ভারতের হিন্দুত্ববাদী দল বিজেপির প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এবং উত্তর প্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথের কঠোর পুলিশি নীতি এই সহিংসতার পেছনে রয়েছে।

"এটি এক বিপজ্জনক পরিস্থিতি। এটি এখন পুলিশের দৈনন্দিন অভ্যাসে পরিণত হয়েছে। তদন্ত করার বদলে পুলিশ কোনো ব্যক্তিকে হত্যা বা আহত করছে, আর এভাবেই যেন বিচার শেষ হয়ে যাচ্ছে।"

— মঙ্গলা ভার্মা, দিল্লির মানবাধিকার আইনজীবী

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: উত্তর প্রদেশ, ভারত
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মঙ্গলা ভার্মা, অমিতাভ যশ, যোগী আদিত্যনাথ, নরেন্দ্র মোদি
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৬৫০ জন আহত (২০২০-বর্তমান), ৩১৬ জন নিহত (২০১৭-১৩ অক্টোবর), ১১০ জন মুসলিম নিহত

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖