📅 ২৯ আগস্ট ২০২৬, ৬:২১ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে ভূরাজনীতি ও আন্তর্জাতিক স্বার্থকে কাজে লাগানোর দাবি বিশেষজ্ঞদের

রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে ভূরাজনীতি ও আন্তর্জাতিক স্বার্থকে কাজে লাগানোর দাবি বিশেষজ্ঞদের

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে দীর্ঘমেয়াদি প্রাতিষ্ঠানিক উদ্যোগ গ্রহণ এবং ভূরাজনৈতিক স্বার্থকে কাজে লাগানোর ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন বিশেষজ্ঞরা। জাতীয় প্রেসক্লাবে আয়োজিত এক সেমিনারে তারা রোহিঙ্গা সংকট সমাধানে রাজনৈতিক ঐকমত্য ও আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের ভূমিকার কথা তুলে ধরেন

রাজধানীর জাতীয় প্রেসক্লাবে আয়োজিত এক সেমিনারে রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন ও ভূরাজনৈতিক স্বার্থ নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা উঠে এসেছে। ‘রোহিঙ্গা গণহত্যা ও গুমের বিরুদ্ধে বাংলাদেশ: জবাবদিহি, মানবাধিকার ও ন্যায়বিচারের প্রত্যয়’ শীর্ষক এই অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণকারীরা রোহিঙ্গা সংকট সমাধানে দীর্ঘমেয়াদি ও প্রাতিষ্ঠানিক উদ্যোগ গ্রহণের ওপর জোর দেন।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে ভারত, চীনসহ আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক শক্তিগুলোর ভূরাজনৈতিক স্বার্থকে কাজে লাগানোর প্রয়োজনীয়তার কথা তুলে ধরেন বিশেষজ্ঞরা
  • 📌 ফাউন্ডেশন ফর স্ট্র্যাটেজিক অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট স্টাডিজের চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল (অব.) ফজলে এলাহী আকবর জানান, প্রত্যাবাসনের বিষয়ে রোহিঙ্গাদের আগ্রহ রয়েছে
  • 📌 জাতীয় নিরাপত্তা সমন্বয়ের জন্য একটি ‘ন্যাশনাল সিকিউরিটি এজেন্সি’ গঠনের প্রস্তাব দেন তিনি
  • 📌 ভারতের সঙ্গে সম্পর্ক উন্নয়নে রোহিঙ্গা সংকটকে কৌশলগত সুযোগ হিসেবে দেখার পরামর্শ দেন ফজলে এলাহী আকবর
  • 📌 বিএনপির মিডিয়া সেলের আহ্বায়ক মওদুদ হোসেন আলমগীর পাভেল রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে রাজনৈতিক ঐকমত্যের প্রয়োজনীয়তার ওপর গুরুত্বারোপ করেন
  • 📌 জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের অধ্যাপক সাহাব এনাম খান মিয়ানমারের সঙ্গে সম্পর্ক উন্নয়নের মাধ্যমে প্রত্যাবাসন প্রক্রিয়া এগিয়ে নেওয়ার তাগিদ দেন
  • 📌 গুম প্রতিরোধ আইন অনুযায়ী অভিযুক্ত বাহিনীকে তদন্ত থেকে বিরত রাখার প্রস্তাব দেন বিএনপির সংসদ সদস্য হুম্মাম কাদের চৌধুরী

📰 বিস্তারিত

রোহিঙ্গা সংকট সমাধানে দীর্ঘমেয়াদি প্রাতিষ্ঠানিক উদ্যোগ গ্রহণের ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন বিশেষজ্ঞরা। জাতীয় প্রেসক্লাবে আয়োজিত সেমিনারে অংশগ্রহণকারীরা রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে ভূরাজনৈতিক স্বার্থকে কাজে লাগানোর প্রয়োজনীয়তার কথা তুলে ধরেন। ফাউন্ডেশন ফর স্ট্র্যাটেজিক অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট স্টাডিজের চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল (অব.) ফজলে এলাহী আকবর জানান, প্রত্যাবাসনের বিষয়ে রোহিঙ্গাদের মধ্যে ইতিবাচক আগ্রহ রয়েছে। তবে অতীতের বিভিন্ন কমিটি ও কমিশনের প্রতিবেদন বাস্তবায়নে ঘাটতি থাকায় বর্তমান সরকার গঠিত কমিটির কাজের নিয়মিত অনুসরণ ও বাস্তবায়ন নিশ্চিত করার তাগিদ দেন তিনি।

ফজলে এলাহী আকবর আরও বলেন, জাতীয় নিরাপত্তা সংক্রান্ত বিষয়গুলো সমন্বিতভাবে দেখার জন্য একটি ‘ন্যাশনাল সিকিউরিটি এজেন্সি’ গঠনের প্রস্তাব দেন। তিনি ভারতের সঙ্গে সম্পর্ক উন্নয়নে রোহিঙ্গা সংকটকে একটি কৌশলগত সুযোগ হিসেবে দেখার পরামর্শ দেন। ভারতের কালাদান প্রকল্পের নিরাপত্তা ও বাস্তবায়ন রোহিঙ্গা অধ্যুষিত রাখাইন পরিস্থিতির সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কিত উল্লেখ করে তিনি জানান, এই বিষয়টি কাজে লাগিয়ে ভারতকে রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে আরও সক্রিয় করা সম্ভব। একইভাবে চীনের সঙ্গে যোগাযোগ ও অবকাঠামোগত উদ্যোগও বাংলাদেশের জন্য নতুন সুযোগ তৈরি করতে পারে বলে মত দেন তিনি।

বিএনপির মিডিয়া সেলের আহ্বায়ক মওদুদ হোসেন আলমগীর পাভেল বলেন, মিয়ানমারের ভূখণ্ডে কেন্দ্রীয় সরকারের নিয়ন্ত্রণ সীমিত এবং আরাকান আর্মিসহ বিভিন্ন পক্ষের প্রভাব রয়েছে। তিনি জানান, মিয়ানমারকে ঘিরে চীন, ভারত, যুক্তরাষ্ট্র ও রাশিয়ার মতো শক্তিগুলোর স্বার্থ রয়েছে। এই ভূরাজনৈতিক বাস্তবতা কাজে লাগিয়ে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়, মিয়ানমার সরকার ও আরাকান আর্মির সঙ্গে আলোচনা করে প্রত্যাবাসনের পথ তৈরি করতে হবে বলে মত প্রকাশ করেন তিনি।

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের অধ্যাপক সাহাব এনাম খান বলেন, রোহিঙ্গা সংকটকে শুধু মানবিক বা দ্বিপক্ষীয় সমস্যা হিসেবে দেখলে এর সমাধান হবে না। তিনি জানান, মিয়ানমারের গুরুত্ব বেড়েছে, বিশেষ করে মালাক্কা প্রণালির বিকল্প জ্বালানি ও যোগাযোগ অবকাঠামো, গ্যাস পাইপলাইন ও বন্দর ঘিরে চীন, জাপান, দক্ষিণ কোরিয়াসহ বিভিন্ন দেশের স্বার্থ তৈরি হয়েছে। সাহাব এনাম খান আরও বলেন, আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে শুধু বাংলাদেশে রোহিঙ্গাদের রাখার কথা না বলে তাদের প্রত্যাবাসনের পরিবেশ তৈরিতে ভূমিকা রাখতে হবে।

"প্রস্তাবিত গুম প্রতিরোধ আইন অনুযায়ী গুমের অভিযোগ যার বিরুদ্ধে, সেই বিভাগ, সংস্থা বা বাহিনী ওই অভিযোগের তদন্ত করতে পারবে না। কোনো ঘটনায় একাধিক বাহিনী বা সংস্থা জড়িত থাকার অভিযোগ থাকলে জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের আইনের আওতায় কমিশন নিজস্ব কমিটি গঠন করে তা তদন্ত করবে।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: জাতীয় প্রেসক্লাব, ঢাকা
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ফজলে এলাহী আকবর, মওদুদ হোসেন আলমগীর পাভেল, সাহাব এনাম খান, হুম্মাম কাদের চৌধুরী
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: প্রত্যাবাসন কমিটি গঠন

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖