📅 ১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১:০৬ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

নয় বছরে রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন ব্যর্থ: মিয়ানমারে ফিরতে পারেনি একজনও

নয় বছরে রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন ব্যর্থ: মিয়ানমারে ফিরতে পারেনি একজনও

📷 ছবি: Ajker Patrika

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 আজকের পত্রিকা ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 ২০১৭ সালের আগস্ট থেকে বাংলাদেশে পালিয়ে আসা রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবাসন প্রক্রিয়া নয় বছরেও সম্পন্ন হয়নি। এখন পর্যন্ত একজন রোহিঙ্গাকেও মিয়ানমারে নিরাপদ প্রত্যাবাসন করা সম্ভব হয়নি। রাখাইনে চলমান সংঘাত ও আরাকান আর্মির নিয়ন্ত্রণের কারণে পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে উঠেছে।

২০১৭ সালের ২৫ আগস্ট মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে জাতিগত নিপীড়নের মুখে বাংলাদেশে পালিয়ে আসা রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবাসন প্রক্রিয়া নয় বছরেও সম্পন্ন হয়নি। এখন পর্যন্ত একজন রোহিঙ্গাকেও মিয়ানমারে নিরাপদ ও স্বেচ্ছায় প্রত্যাবাসন করা সম্ভব হয়নি। শরণার্থী বিষয়ক জাতিসংঘের সংস্থা ইউএনএইচসিআরের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৪ সালের জানুয়ারি থেকে চলতি বছরের ৩১ জুলাই পর্যন্ত নতুন করে ১ লাখ ৫৪ হাজার ৬৯০ জন রোহিঙ্গা বাংলাদেশে প্রবেশ করেছে। ফলে দেশটিতে আশ্রয় নেওয়া রোহিঙ্গা শরণার্থীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১২ লাখ ২ হাজার ৩৪ জনে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 ২০১৭ সালের আগস্টে মিয়ানমারে জাতিগত নিপীড়নের মুখে ৭ লাখের বেশি রোহিঙ্গা বাংলাদেশে পালিয়ে আসে
  • 📌 ২০২৪ সালের জানুয়ারি থেকে জুলাই পর্যন্ত নতুন করে ১ লাখ ৫৪ হাজার ৬৯০ জন রোহিঙ্গা বাংলাদেশে প্রবেশ করেছে
  • 📌 দেশটিতে বর্তমানে রোহিঙ্গা শরণার্থীর সংখ্যা ১২ লাখ ২ হাজার ৩৪ জন
  • 📌 ভাসানচরে স্থানান্তর করা হয়েছে ৩৩ হাজার ৮১৯ জন রোহিঙ্গা, বাকিরা কক্সবাজারের শিবিরে অবস্থান করছে
  • 📌 রাখাইনে আরাকান আর্মির নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠার কারণে প্রত্যাবাসন প্রক্রিয়া স্থবির হয়ে পড়েছে

📰 বিস্তারিত

২০১৭ সালের ২৫ আগস্ট মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে জাতিগত নিপীড়ন শুরু হওয়ার পর কয়েক মাসের মধ্যে ৭ লাখের বেশি রোহিঙ্গা বাংলাদেশে পালিয়ে আসে। এরপর নয় বছরের বেশি সময় পার হলেও একজন রোহিঙ্গাকেও মিয়ানমারে নিরাপদ ও স্বেচ্ছায় প্রত্যাবাসন করা সম্ভব হয়নি। ইউএনএইচসিআরের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৪ সালের জানুয়ারি থেকে চলতি বছরের ৩১ জুলাই পর্যন্ত নতুন করে ১ লাখ ৫৪ হাজার ৬৯০ জন রোহিঙ্গা বাংলাদেশে প্রবেশ করেছে। ফলে দেশটিতে আশ্রয় নেওয়া রোহিঙ্গা শরণার্থীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১২ লাখ ২ হাজার ৩৪ জনে। তাদের মধ্যে ২০২৬ সালের জুন পর্যন্ত নোয়াখালীর ভাসানচরে স্থানান্তর করা হয়েছে ৩৩ হাজার ৮১৯ জন রোহিঙ্গা। বাকি রোহিঙ্গারা কক্সবাজারের উখিয়া ও টেকনাফের ৩৩টি ঘনবসতিপূর্ণ শিবিরে বসবাস করছে।

২০১৭ সালের আগস্টে রোহিঙ্গা ঢলের পর একই বছরের ২৩ নভেম্বর বাংলাদেশ ও মিয়ানমার সরকারের মধ্যে প্রত্যাবাসন চুক্তি স্বাক্ষরিত হলেও তা কার্যকর হয়নি। ২০১৮ ও ২০১৯ সালে প্রত্যাবাসনের তারিখ নির্ধারণ হলেও তা স্থগিত হয়ে যায়। রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনের ক্ষেত্রে সবচেয়ে বড় বাধা হিসেবে দেখা দিয়েছে রাখাইনের সশস্ত্র গোষ্ঠী আরাকান আর্মি। ২০২৩ সালের শেষ দিকে মিয়ানমারের সরকারি বাহিনী ও আরাকান আর্মির মধ্যে সংঘাত শুরু হওয়ার পর রাখাইনের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে সংঘাত আরও তীব্র হয়ে ওঠে। বর্তমানে রাখাইনের ১৭টি টাউনশিপের মধ্যে ১৪টিতে আরাকান আর্মির নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা হয়েছে। বাংলাদেশের সঙ্গে জল ও স্থলপথে থাকা রাখাইনের ২৭১ কিলোমিটার সীমান্তও তাদের দখলে রয়েছে। ফলে মিয়ানমার সরকারের পাশাপাশি আরাকান আর্মিও রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনের সঙ্গে সম্পৃক্ত হয়ে পড়েছে।

রোহিঙ্গা সংকট নিয়ে কাজ করা বিভিন্ন সংস্থা ও ব্যক্তির সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, বর্তমানে রাখাইনের যে নিরাপত্তা পরিস্থিতি তাতে সেখানে প্রত্যাবাসন সম্ভব নয়। সর্বশেষ ১৭ আগস্ট মিয়ানমারের সামরিক-সমর্থিত সরকার বাংলাদেশে থাকা ৮ লাখ ২৮ হাজার ৮২৪ জনের তালিকা থেকে ৩ লাখ ৮ হাজার ৭৯৭ জনকে রাখাইনের সাবেক বাসিন্দা হিসেবে যাচাই করেছে। তবে নিরাপত্তা পরিস্থিতির উন্নতি না হওয়া পর্যন্ত প্রত্যাবাসন শুরু হবে না বলেও জানিয়েছে দেশটি। বাংলাদেশের তরফ থেকে এই তালিকা প্রত্যাখ্যান করা হয়েছে।

‘২০১৮ সাল থেকে শুনছি প্রত্যাবাসন আজ হবে, কাল হবে। কিন্তু এসব কথার কোনো প্রতিফলন দেখছি না।’

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: বাংলাদেশ, মিয়ানমার
  • 👥 মুখ্য ব্যক্তি: সৈয়দ উল্লাহ (রোহিঙ্গা নেতা), ড. রাহমান নাসির উদ্দিন (চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়)
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১২ লাখ ২ হাজার ৩৪ জন (রোহিঙ্গা শরণার্থী), ৩৩ হাজার ৮১৯ জন (ভাসানচরে স্থানান্তরিত), ১ লাখ ৫৪ হাজার ৬৯০ জন (নতুন আগত)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖