📌 কলকাতার আরজি কর মেডিকেল কলেজে ধর্ষণ ও হত্যার শিকার নারী চিকিৎসকের দ্রুত সৎকার নিয়ে প্রশ্ন তুলে তৃণমূল বিধায়ক নির্মল ঘোষকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। তাঁর বিরুদ্ধে তথ্য গোপন ও ষড়যন্ত্রের অভিযোগ আনা হয়েছে
কলকাতার আরজি কর মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালে ধর্ষণ ও হত্যার শিকার নারী চিকিৎসকের দ্রুত সৎকারের ঘটনায় তৃণমূল কংগ্রেসের সাবেক বিধায়ক নির্মল ঘোষকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার ওডিশা থেকে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়। তাঁর বিরুদ্ধে নতুন মামলায় তথ্য গোপনের চেষ্টা ও অপরাধমূলক ষড়যন্ত্রের অভিযোগ আনা হয়েছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 নির্মল ঘোষকে ওডিশা থেকে গ্রেপ্তার করে কলকাতায় ট্রানজিট রিমান্ডে আনা হয়েছে
- 📌 তাঁর বিরুদ্ধে তথ্য গোপন ও অপরাধমূলক ষড়যন্ত্রের অভিযোগে নতুন মামলা দায়ের
- 📌 নিহত চিকিৎসকের পরিবারের অভিযোগ, তাঁরা শেষবারের মতো দেখতে না দিয়েই দ্রুত সৎকার করা হয়েছে
- 📌 নির্মল ঘোষ ছাড়া অন্য অভিযুক্তরা হলেন সোমনাথ দে ও সঞ্জীব মুখোপাধ্যায়
- 📌 গত ৯ আগস্ট আরজি কর হাসপাতালে ওই ঘটনা ঘটে
📰 বিস্তারিত
কলকাতার আরজি কর মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালে ধর্ষণ ও হত্যার শিকার নারী চিকিৎসকের দ্রুত সৎকারের ঘটনায় পশ্চিমবঙ্গের সাবেক বিধায়ক নির্মল ঘোষকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার ওডিশা থেকে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়। তাঁর বিরুদ্ধে তথ্য গোপন ও অপরাধমূলক ষড়যন্ত্রের অভিযোগে নতুন মামলা দায়ের করা হয়েছে। পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, নির্মল ঘোষকে ট্রানজিট রিমান্ডে কলকাতায় আনা হবে এবং পরবর্তীতে বারাকপুর মহকুমা আদালতে হাজির করা হবে।
২০২৪ সালের ৯ আগস্ট আরজি কর হাসপাতালে ওই নারী চিকিৎসককে ধর্ষণ ও হত্যার পর তাঁর মরদেহ দ্রুত সৎকার করা হয়। নিহতের পরিবারের অভিযোগ, তাঁরা শেষবারের মতো দেখতে না দিয়েই তাঁর মরদেহ তড়িঘড়ি করে সৎকার করা হয়েছে। পরিবারের আপত্তি ও দ্বিতীয়বার ময়নাতদন্তের দাবির মধ্যেই মরদেহকে ‘ভিআইপি মর্যাদা’ দিয়ে পানিহাটি শ্মশানে দ্রুত দাহ করা হয়েছিল বলেও অভিযোগ রয়েছে।
নিহত চিকিৎসকের পরিবারের অভিযোগের ভিত্তিতে নির্মল ঘোষসহ তিনজনের বিরুদ্ধে নতুন করে এফআইআর দায়ের করে পুলিশ। নির্মল ঘোষ ছাড়া অন্য দুজন হলেন পানিহাটি পৌরসভার সাবেক চেয়ারম্যান সোমনাথ দে ও তৃণমূল কংগ্রেসের স্থানীয় নেতা সঞ্জীব মুখোপাধ্যায়।
"কেন ওই চিকিৎসকের বাবা-মায়ের আপত্তি সত্ত্বেও তাঁর মরদেহ তড়িঘড়ি সৎকার করা হয়েছিল, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।"
গত রোববার আরজি করের ওই নারী চিকিৎসকের মৃত্যুর দুই বছর পূর্তির দিন পানিহাটির একটি অনুষ্ঠানে বিষয়টি নিয়ে কথা বলেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। তিনি প্রশ্ন তোলেন, কেন ওই চিকিৎসকের বাবা-মায়ের আপত্তি সত্ত্বেও তাঁর মরদেহ তড়িঘড়ি সৎকার করা হয়েছিল। এরপর বারাকপুর পুলিশ কমিশনারেট নতুন করে মামলাটি তদন্তের উদ্যোগ নেয়।
পুলিশ এখন খতিয়ে দেখছে, কেন ওই নারী চিকিৎসকের মরদেহ এত দ্রুত সৎকার করা হয়েছিল এবং সৎকারের প্রক্রিয়ায় কোনো অনিয়ম বা তথ্যপ্রমাণ নষ্টের চেষ্টা হয়েছিল কি না। পুলিশের তদন্তে ঘটনার দিন রাতে আরজি কর হাসপাতালে কর্মরত চিকিৎসক, নার্স ও অন্য কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। একই সঙ্গে পানিহাটি শ্মশানে মরদেহ সৎকারের সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তিদেরও জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে।
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: কলকাতা, ভারত
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: নির্মল ঘোষ, সঞ্জীব মুখোপাধ্যায়, সোমনাথ দে
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৯ আগস্ট ২০২৪
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!