📌 যুক্তরাষ্ট্রের পেন্টাগন গোপন তথ্য লিকের কারণে সামরিক কর্মকর্তাদের মিথ্যা পরীক্ষা করছে। ৫০ জন জেন্ট স্টাফ সদস্যকে লাই ডিটেক্টর পরীক্ষায় নিয়ে গেছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এ ধরনের ব্যাপক পরীক্ষা আগে কখনো হয়নি।
যুক্তরাষ্ট্রের পেন্টাগন গোপন তথ্য লিকের কারণে সামরিক কর্মকর্তাদের ব্যাপক মিথ্যা পরীক্ষা চালিয়ে যাচ্ছে। আল জাজীরা প্রতিবেদনে জানায়, যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক জেন্ট স্টাফের প্রায় ৫০ জন কর্মকর্তাকে গত মাসে লাই ডিটেক্টর পরীক্ষায় নিয়ে গেছে। এই পরীক্ষার মূল উদ্দেশ্য ছিলো গোপন তথ্য প্রকাশের জন্য দায়ী ব্যক্তিদের শনাক্ত করা এবং ভবিষ্যতে আর কেউ এ ধরনের লিক না করে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 পেন্টাগন ৫০ জন সামরিক ও সিভিলিয়ান কর্মকর্তাকে লাই ডিটেক্টর পরীক্ষায় নিয়ে গেছে গোপন তথ্য লিকের কারণে।
- 📌 লিকের বিষয় ছিলো যুক্তরাষ্ট্রের অস্ত্র সংরক্ষণের বিষয় — বিশেষত দীর্ঘদূরত্বের মিসাইল ও প্যাট্রিয়ট এয়ার ডিফেন্স সিস্টেমের সংকট।
- 📌 পেন্টাগন স্পোকেসপার্সন সিন পার্নেল বলেছেন, “গোপন তথ্য রক্ষা করা যুক্তরাষ্ট্রের নিরাপত্তার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এবং আমরা তা অনুসন্ধান করছি।”
- 📌 যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প লিককে “treasonous” বলে অভিহিত করেছেন এবং কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি করেছেন।ি>
- 📌 রিপোর্টে বলা হয়েছে, ডিফেন্স সেক্রেটারি পিট হেগসেথের নেতৃত্বের কারণে পেন্টাগনে অভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্ব বেড়েছে।
📰 বিস্তারিত
নিউ ইয়র্ক টাইমসের প্রতিবেদন অনুযায়ী, পেন্টাগনের জেন্ট স্টাফের প্রায় ৫০ জন কর্মকর্তাকে লাই ডিটেক্টর পরীক্ষায় নিয়ে গেছে। এই পরীক্ষা গত মাসে শুরু হয়, যখন বিভিন্ন মিডিয়া সংস্থা যুক্তরাষ্ট্রের অস্ত্র সংরক্ষণের বিষয়ে সংকটজনক তথ্য প্রকাশ করে। বিশেষত দীর্ঘদূরত্বের মিসাইল ও প্যাট্রিয়ট এয়ার ডিফেন্স সিস্টেমের সংকটের বিষয়টি ছিলো লিকের মূল বিষয়। পেন্টাগন কর্তৃপক্ষ এই তথ্য প্রকাশের বিরুদ্ধে দাঁড়িয়ে ছিলো এবং দাবি করেছিলো, তাদের অস্ত্র সংরক্ষণ যথেষ্ট পরিমাণে রয়েছে।
পেন্টাগনের স্পোকেসপার্সন সিন পার্নেল বলেছেন, “গোপন তথ্য রক্ষা করা আমাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। আমরা আমাদের সৈন্যদের বিশ্বব্যাপী নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এই তথ্য রক্ষা করতে অবশ্যই অবদান রাখতে হবে।” তিনি আরও বলেন, “গোপন তথ্য লিকের বিষয়টি আমরা অত্যন্ত গুরুত্ব সহকারে নিচ্ছি এবং তা অনুসন্ধান করছি।”
রিপোর্টে বলা হয়েছে, এই ব্যাপক পরীক্ষা আগে কখনো হয়নি। যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনীর উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাদের ব্যাপক মিথ্যা পরীক্ষা করা এ ধরনের প্রথম ঘটনা। এই পরীক্ষার পিছনে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের চাপ রয়েছে। তিনি লিককে “treasonous” বলে অভিহিত করেছেন এবং কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি করেছেন।
অন্যদিকে, রিপোর্টে উল্লেখ করা হয়েছে, ডিফেন্স সেক্রেটারি পিট হেগসেথের নেতৃত্বের কারণে পেন্টাগনে অভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্ব বেড়েছে। তিনি তার ঘনিষ্ঠ সহকর্মীদের সাথে কাজ করছেন এবং অন্তত ৮০ জন জেনারেল, অ্যাডমিরাল ও উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাকে পদচ্যুত বা পদোন্নতি থেকে বঞ্চিত করেছেন। এই অভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্ব আরও বেড়েছে যখন ডিফেন্স ডিপার্টমেন্ট সামরিক সংবাদপত্র স্টার্স অ্যান্ড স্ট্রাইপসের প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশককে পদচ্যুত করেছে। কর্মচারীরা বলেছেন, এই পদচ্যুতির পিছনে ছিলো তাদের সংবাদপত্রে যুক্তরাষ্ট্রের বিমানবাহী জাহাজ ইউএসএস অ্যাব্রাহাম লিংকনের অভ্যন্তরীণ অবস্থার বিষয়ে প্রকাশিত তথ্য।
"গোপন তথ্য রক্ষা করা আমাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এবং আমরা তা অনুসন্ধান করছি।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: যুক্তরাষ্ট্র (পেন্টাগন, নিউ ইয়র্ক)
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ডোনাল্ড ট্রাম্প, পিট হেগসেথ, সিন পার্নেল
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৫০ জন (মিথ্যা পরীক্ষায় নিয়ে গেলো), ৮০ জন (পদচ্যুত/পদোন্নতি বঞ্চিত)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!